খোঁচা মেরে জন্মদিনের শুভেচ্ছা, আইসিসিকে হাসতে হাসতে জবাব দিলেন সচিন
খোঁচা মেরে জন্মদিনের শুভেচ্ছা, আইসিসিকে হাসতে হাসতে জবাব দিলেন সচিন
রবিবার ৪৯টি বসন্ত কাটিয়ে ৫০-এ পা দেন 'ক্রিকেট ঈশ্বর' সচিন তেন্ডুলকর। ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীদের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা সচিনের অগুণিত ভক্ত এই দিনটিকে সেলিব্রেট করে।

সকাল থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রেনিংস ছিলেন সচিন। শুভেচ্ছার জোয়ারে প্রিয় ক্রিকেটারকে ভাসিয়ে দিয়েছেন অগুণিত সচিন অনুরাগী এবং ক্রিকেটপ্রেমী মানুষরা। বিসিসিআই থেকে সরি প্রতিটা আইপিএল ফ্রাঞ্চাইজি বিশ্ব ক্রিকেটের মহানক্ষত্রের জন্মদিনে তাঁকে শুভেচ্ছা জানান। সচিনকে শুভেচ্ছা জানান কিংবদন্তি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, গৌতম গম্ভীর, বীরেন্দ্র শেহওয়াগ, বিরাট কোহলি, সুরেশ রায়না ভেঙ্কটেশ প্রসাদের মতো তারকারা। প্রত্যেকের শুভেচ্ছা বার্তাতেই ছিল দীর্ঘ সুস্থতা কামনা এবং ক্রিকেটকে অন্যস্তরে নিয়ে যাওয়ার নেপথ্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার জন্য কর্ণিশ। কিন্তু মাস্টরে জন্মদিনে একটু অন্য রকম কিছু ভেবে শুভেচ্ছা জানিয়েছিল আইসিসি।

বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা, লিটল মাস্টারের জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানাতে এগিয়ে তাঁকে অকেশনাল বোলার উল্লেখ করে খোঁচা দেয়। আইসিসি'র তরফ খেকে করা টুইটে লেখা হয়, "অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান ভারত ক্রিকেটকে উপহার দিয়েছে, তবে একজন মনোরঞ্জনকারী অকেশনাল বোলারও বটে।"
আইসিসি'র এই খোঁচাটা বেশ ভাল মতোই বুঝতে পেরেছেন সচিন। ভদ্রভাবে বেশি কথা না বাড়িয়ে নিজের এক লাইনের টুইটের মধ্যে দিয়েই জবাব দিয়ে দিয়েছেন তিনি ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থাকে। সচিন এই টুইটের উত্তরে লিখেছেন, "রান করার মতোই আনন্দ দেয় উইকেট শিকার। শুভেচ্ছার জন্য ধন্যবাদ!"
Taking wickets was equally fun as scoring runs 😜 Thanks for the wishes!
— Sachin Tendulkar (@sachin_rt) April 27, 2022
৩৪০০০-এর বেশি আন্তর্জাতিক রান, ১০০টি শতরান সহ অসংখ্য নজির ব্যাট হাতে থাকলেও বোলার হিসেবেও বেশ সফল সচিন। যখন প্রয়োজন পড়েছে বল হাতে দলকে বিপদ থেকে উদ্ধার করেছেন সচিন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ২০১টি উইকেট রয়েছে সচিনের। অফ স্পিন, লেগ স্পিন এবং মিডিয়াম পেস বোলিং করে ওডিআই ফরম্যাটে ১৫৪টি উইকেট সংগ্রহ করেছেন সচিন। অস্ট্রেলিয়া বিরুদ্ধে ১৯৯৮ সালে এবং পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ২০০৫ সালে পাঁচ উইকেটও পেয়েছিলেন সচিন। টেস্ট ফরম্যাটে তাঁর দখলে রয়েছে ৪৬টি উইকেট এবং একটি উইকেট আন্তর্জাতিক টি-২০ ম্যাচে পেয়েছেন সচিন।
বল হাতে সচিনের কথা বললেই মনে আসে বিখ্যাত ১৯৯৩ সালে হিরো কাপ ফাইনালের কথা। সেই ম্যাচে শেষ ওভারে জয়ের জন্য ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রয়োজন ছিল ৬ রান। শেষ ওভারে সচিনের অনবদ্য বোলিং ভারতকে দুই রানে জয় এনে দিয়েছিল, মাত্র তিন রান খরচ করেছিলেন মাস্টার।












Click it and Unblock the Notifications