আজহারের নয়া ইনিংস, তেলঙ্গানার মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিচ্ছেন কাল
ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক তথা কংগ্রেস নেতা মহম্মদ আজহারউদ্দিনের নয়া ইনিংস শুরু হচ্ছে। কালই তিনি তেলঙ্গানার মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিচ্ছেন।
সামনেই জুবিলি হিলসের উপনির্বাচন রয়েছে। বিহারের নির্বাচনও রয়েছে। সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কের কথা ভেবেই কংগ্রেস আজহারকে মন্ত্রী করতে চলেছে বলে ধারণা রাজনৈতিক মহলের।

বর্তমানে মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডি-সহ ১৫ সদস্যের মন্ত্রিসভায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কোনও প্রতিনিধিত্ব নেই। মন্ত্রিসভায় আরও তিনজনের স্থান ফাঁকা রয়েছে। উল্লেখ্য, তেলঙ্গানা বিধানসভায় মোট ১১৯ জন বিধায়ক রয়েছেন। প্রাক্তন এই ক্রিকেটারের মন্ত্রিসভায় নিয়োগকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
জুবিলি হিলসের বিধানসভা আসনে প্রায় এক লক্ষ মুসলিম ভোটার রয়েছেন, যা নির্বাচনের ফলাফলে নির্ণায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে। চলতি বছরের জুনে বিআরএস বিধায়ক মাগান্তি গোপীনাথের হৃদরোগে মৃত্যুর পর এখানে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আজহারউদ্দিনের মন্ত্রিসভায় মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান আগামীকাল (৩১ অক্টোবর) দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটে হবে।
তেলঙ্গানা কংগ্রেসের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে আজহারউদ্দিনকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার অনুরোধ জানানো হয়েছিল। কারণ বর্তমানে মন্ত্রিসভায় কোনও সংখ্যালঘু প্রতিনিধি নেই। অল ইন্ডিয়া কংগ্রেস কমিটি (এআইসিসি) আজহারউদ্দিনের নাম অনুমোদন করেছে।
এই অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে রেবন্ত রেড্ডির মন্ত্রিসভায় প্রাক্তন এই ক্রিকেটার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রথম মন্ত্রী হতে চলেছেন। আরেকজন কংগ্রেস নেতা ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, এআইসিসি সম্ভবত আজহারউদ্দিনের অন্তর্ভুক্তির প্রতি আগ্রহী হয়েছে আসন্ন বিহার বিধানসভা নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে, যেখানে মুসলিম ভোটাররা একটি উল্লেখযোগ্য ভোটব্যাঙ্ক। তেলঙ্গানা সরকার গত অগাস্টের শেষ সপ্তাহে আজহারউদ্দিনকে রাজ্যপালের কোটায় বিধান পরিষদ (এমএলসি) সদস্য হিসেবে মনোনীত করেছিল। তবে, রাজ্যপাল জিষ্ণু দেব বর্মা এখনও এই নিয়োগের অনুমোদন দেননি। ২০২৩ সালের নির্বাচনে আজহার জুবিলি হিলস বিধানসভা আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হয়েছিলেন।












Click it and Unblock the Notifications