Ranji Trophy: নিজের রাজ্যের বিরুদ্ধে আগুনে পারফরম্যান্স কাইফের, বাংলার সামনে কাঁটা কেকেআর সহ-অধিনায়ক
প্রথম ম্যাচে অন্ধ্রপ্রদেশের বিরুদ্ধে এগিয়ে থেকেও ১ পয়েন্ট নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে বাংলাকে। দ্বিতীয় ম্যাচেও পুরো পয়েন্ট পাওয়া নিয়ে তৈরি হয়েছে সংশয়। না, বাংলা দলের পারফরম্যান্সে এখনও কোনও কমতি নেই। কিন্তু ম্যাচে বাধার সৃষ্টি করছে প্রকৃতি। ঘন কুয়াশার কারণে প্রথম দুই দিন খেলা শুরু হতে দেরী হয়, আর তৃতীয় দিনে খেলা হল মাত্র ৩৪ ওভার।
তৃতীয় দিন যতটুকু খেলা হল, তাতে বিপক্ষকে চাপেই রাখল বাংলা দল। নিজের রাজ্যের বিরুদ্ধে দুরন্ত পারফরম্যান্স করছেন শামির ভাই কাইফ। প্রথম ইনিংসের পর দ্বিতীয় ইনিংসেও মহম্মদ কাইফের আগুনে পেস বোলিং।বল হাতে রবিবারও ৩ উইকেট তুলে নিয়েছেন কইফ। কিন্তু বাংলা এবং পুরো পয়েন্টের মধ্যে শুধু প্রকৃতি নয় বাধা হতে পারেন আরও একজন। তিনি নীতীশ রানা।

তৃতীয় দিনের শেষে ক্রিজে ৪৭ রানে অপরাজিত থেকে বাংলার চিন্তা বাড়াচ্ছেন কেকেআরে সহঅধিনায়ক । কারণ ৪ উইকেট হারালেও, উত্তর প্রদেশের রান ১৭৮। লিড আপাতত ৫০ রানের। এই পরিস্থিতিতে সোমবার ম্যাচের শেষ দিনে দ্রুত প্রতিপক্ষকে আল আউট করে জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রান তুলতে পারলেই পুরো পয়েন্ট পাবে বাংলা।
বাংলার কাছে এখনও সরাসরি ম্যাচ জেতার সুযোগ রয়েছে। সেটা না হলে প্রথম ইনিংসে এগিয়ে থাকার সুবিধা নিয়ে ৩ পয়েন্ট পাবে বাংলা। সোমবার কত ওভার খেলা হবে সেটা নিয়েই বড় প্রশ্ন আছে।
প্রথম ইনিংসে উত্তরপ্রদেশ ৬০ রানে অলআউট হয়ে যায়। সেই ইনিংসে ৪ উইকেট নেন কাইফ। প্রথম ইনিংসে বাংলা ব্যাট করে ১৮৮ রান তোলে। সেই ইনিংসে ব্যাট হাতে সব থেকে বেশি রান কইফের। তিনি ৪৫ রানে অপরাজিত ছিলেন।ওপেনার শ্রেয়াংস ঘোষ ৪১ রান করেন। যদিও কানপুরের গ্রিনটপে বাংলার ব্যাটারা সেভাবে রান করতেই পারেননি।
১২৮ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামে উত্তরপ্রদেশ।দ্বিতীয় দিনের শেষে উত্তর প্রদেশের স্কোর ছিল বিনা উইকেটে ৪৬। ক্রিজে ছিলেন সমর্থ সিংহ (২১ ) ও আরিয়ান জুয়েল (২০ )। বাংলার লিড ছিল ৮২ রানের। তৃতীয় দিনে্ সমর্থকে ৫৪ এবং আরিয়ানকে ৪২ রানে আউট করেন কাইফ। করণ শর্মাকে ৪ রানে আউট করেন সূরজ সিন্ধু। তবে উইকেটে টিকে গিয়ে বাংলার উপর চাপ বাড়ালেন নীতীশ রানা। তাঁর সঙ্গে আছেন আকাশদীপ নাথ।
সবুজ উইকেটে বাংলার বিরুদ্ধে খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল উত্তর প্রদেশ। পিচকে মাঠের থেকে আলাদা করতে পারছেন না অনেকে। ভুবনেশ্বর কুমার এই ম্যাচ খেলেই লাল বলের ক্রিকেটে প্রত্যাবর্তন ঘটালেন। দীর্ঘ ৬ বছর পর প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেললেন ভুবি।












Click it and Unblock the Notifications