World Cup Winners Become MPs: কীর্তির সঙ্গে ইউসুফ, এই প্রথম একই দলের হয়ে সংসদে দুই বিশ্বকাপজয়ী
World Cup Winners Become MPs: পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস জাতীয় রাজনীতিতে এক নয়া রেকর্ড গড়ল। এই প্রথম একই রাজ্য থেকে একই দলের দুই বিশ্বকাপ-জয়ী সাংসদ।
বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রে হেভিওয়েট দিলীপ ঘোষকে পরাজিত করলেন কীর্তি। অন্যদিকে, ইউসুফ পাঠান বহরমপুরের পাঁচবারের সাংসদ তথা লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা অধীররঞ্জন চৌধুরীকে ক্লিন বোল্ড করে দিলেন।

বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রে ইউসুফ পাঠান জয়লাভ করলেন ৮৫ হাজার ২২ ভোটে। তৃতীয় স্থানে বিজেপি। তৃণমূল পেয়েছে ৩৭.৮৮ শতাংশ, কংগ্রেস ৩১.৭৪ শতাংশ ও বিজেপি পেল ২৬.৮৬ শতাংশ ভোট। ২০১৯ সালের নির্বাচনে অধীর পান ৪৫.৪৭ শতাংশ ভোট, তৃণমূল ৩৯.২৬ শতাংশ, বিজেপি ১১ শতাংশ।
ফলে বহরমপুরে বিজেপির ঝুলিতে এবার প্রায় ১৬ শতাংশ ভোট বেড়েছে। তৃণমূল ও কংগ্রেসের ভোট কমেছে। সংখ্যালঘু অধ্যুষিত জেলার এই কেন্দ্রে হিন্দু ভোট বিজেপির ঝুলিতে যাওয়ায় ক্ষতি হয়েছে অধীরের, লাভবান তৃণমূল, এমনটাই রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অনুমান।
নিজের গড়ে অধীর যে ধরাশায়ী হবেন, তেমন ইঙ্গিত প্রথমে ছিল না। কিন্তু এটাও ঠিক, ২০১১ সালে বিশ্বকাপজয়ী ভারতীয় দলের সদস্য ইউসুফকে ঘিরে যুব সম্প্রদায়ের মধ্যে বাড়তি উন্মাদনা লক্ষ্য করা গিয়েছিল। নির্বাচনে জেতার পর ইউসুফ তাঁর প্রতিশ্রতি পূরণ করার কথাই জানালেন।
তিনি বলেন, অধীর রঞ্জন চৌধুরীর প্রতি আমার সম্মান আগের মতোই থাকবে। তাঁকে ভবিষ্যতের জন্য শুভেচ্ছা। কোনওদিন ভাবিনি লোকসভা নির্বাচনে জিতে সাংসদ হব। তবে এখানে মানুষের ভালোবাসা পেয়েছি। এখানে ক্রিকেটের পাশাপাশি স্পোর্টস আকাদেমি গড়ব। যাতে ছেলে-মেয়েরা দেশের হয়ে পদক জিততে পারেন। শিল্প গড়ার যে প্রতিশ্রতি দিয়েছি, সেই ব্যাপারেও উদ্যোগ নেব।
ইউসুফ পাঠান রাজনৈতিক অভিষেকের পর প্রথমবার ভোটে লড়েই সাংসদ হলেন। অন্যদিকে, ১৯৮৩ সালের কীর্তি আজাদ আগেও সাংসদ হয়েছিলেন। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের হয়ে লড়ে হেরে গিয়েছিলেন। এবার তিনি তৃণমূলের সাংসদ।
কীর্তি প্রথম থেকেই বলেছিলেন, দিলীপ ঘোষকে প্যাক করে মেদিনীপুর থেকে বর্ধমান-দুর্গাপুরে আনা হয়েছে। তাঁকে ওঁর দলের লোকেরাই হারাতে চান। ফলে প্যাকিং না খুলে প্যাক করেই ফেরত পাঠাব। ১ লক্ষ ৩৭ হাজার ৯৮১ ভোটে জিতে এই কেন্দ্রটি বিজেপির থেকে ছিনিয়ে নিল তৃণমূল কংগ্রেস। সংযম রেখে কীর্তি বলেন, দিলীপ ঘোষ অনেক আপত্তিকর কথা বললেও আমাদের রুচিতে তার পাল্টা দেওয়া আসে না। তিনি মহিলাদের সম্পর্কেও আপত্তিকর কথা বলেছিলেন। তাতেই এই জনাদেশ। এই জয়ের আনন্দকে তিরাশির বিশ্বকাপ জয়ের সঙ্গেও তুলনা করেছেন কীর্তি।












Click it and Unblock the Notifications