রঞ্জি ট্রফির সেমিফাইনালে পরাস্ত বাংলা, দেড় ঘণ্টার ব্যাটিং ব্যর্থতায় আক্ষেপ লক্ষ্মীর
রঞ্জি ট্রফির সেমিফাইনালে পরাস্ত বাংলা। আজ কল্যাণীর বেঙ্গল ক্রিকেট আকাদেমি মাঠে ম্যাচের চতুর্থ দিন মধ্যাহ্নভোজের বিরতির আধ ঘণ্টা আগে ছয় উইকেটে জয় ছিনিয়ে প্রথমবার রঞ্জি ফাইনালে গেল জম্মু ও কাশ্মীর।
যা পরিস্থিতি তাতে রঞ্জি ফাইনালে জম্মু ও কাশ্মীর মুখোমুখি হবে কর্নাটকেরই। বাংলার হেড কোচ লক্ষ্মীরতন শুক্লা আঙুল তুললেন ব্যাটারদের দিকেই।

এদিন সকালে শুভম সিং পুন্ডির (২৭) ও অধিনায়ক পরশ ডোগরা (৯)-র উইকেট তুলে নেন যথাক্রমে মহম্মদ শামি ও আকাশ দীপ। বংশজ শর্মা ৪৩ ও আবদুল সামাদ ৩০ রানে অপরাজিত থাকেন। চার উইকেট হারিয়েই ১২৬ রানের লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছে যায় জম্মু ও কাশ্মীর। আকাশ দীপ তিনটি ও মহম্মদ শামি এক উইকেট নেন।
বাংলার হেড কোচ লক্ষ্মীরতন শুক্লা বলেন, কাউকে জিততেই হতো। জম্মু ও কাশ্মীর আমাদের চেয়ে ভালো ক্রিকেট খেলে জেতায় অভিনন্দন। গতকাল দেড় ঘণ্টার ব্যাটিংয়েই এই ফলাফল। ওরা ভালো জায়গায় বল রেখেছে। আমরা কৃতজ্ঞ সিএবি সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের কাছে। মরশুমের আগে থেকে সব সময় তিনি সব সময় দলের খবর নিয়েছেন। খারাপ লাগছে আমরা ডেলিভার করতে পারলাম না। এর বেশি কিছু বলার নেই।
ম্যাচের সেরা হন আকিব নবি। এই পেসার ৯ ম্যাচে এবারের রঞ্জি ট্রফিতে ৫৫ উইকেট নিয়েছেন। জম্মু ও কাশ্মীরের হেড কোচ অজয় শর্মা, অধিনায়ক পরশ ডোগরা সকলেই নবির প্রশংসায় পঞ্চমুখ। বাংলার হেড কোচ প্রথম ইনিংসে আত্মতুষ্টির কথা না মানলেও অজয় শর্মা জানিয়ে দিলেন, বাংলা নিশ্চিতভাবেই অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী হয়েছিল প্রথম ইনিংসে লিড নেওয়ায়। কিন্তু এটি ৫ দিনের খেলা, লাল বলের ক্রিকেট। ফলে আমি প্লেয়ারদের বলি, সামান্য লিড রয়েছে। বাংলাকে অল-আউট করতে হবে। সুদীপ কুমার ঘরামি বাদে বাংলার বাকি প্লেয়াররা ছন্দে ছিলেন না। ফলে বিশ্বাস ছিল সুদীপকে দ্রুত ফেরাতে পারলে বাংলার ব্যাটিংকে মুড়িয়ে ফেলা যাবে। পরশ ডোগরার কথায়, বেশি কিছু ভাবিনি। সব কিছু স্বাভাবিক রেখে উইকেট-টু-উইকেট বল করাই আমাদের লক্ষ্য ছিল।












Click it and Unblock the Notifications