IPL Statistics: আইপিএলে শেষ বলে রুদ্ধশ্বাস জয়ের নজির অনেক, সেরা অবশ্যই রিঙ্কুর কীর্তি
IPL Statistics: আইপিএলের অষ্টদশ সংস্করণ শুরু হবে আর ঠিক সাত দিন পর। ইডেনে কলকাতা নাইট রাইডার্সের সামনে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু।
আইপিএলে অনেক ম্যাচেই জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে শেষ বলে। অনেক দল ১ উইকেটে জয় ছিনিয়েছে। অনেকে আবার জিতেছে ১ রানেও।

আইপিএলে ১৪টি ম্যাচে বিভিন্ন দল ১ রানে জয় পেয়েছে। যার মধ্যে দুশোর বেশি রানের টার্গেট তাড়া করে স্রেফ ১ রান দূরে থামতে হয়েছে ২ বার। দুটি ম্যাচই দেখা গিয়েছে গত বছর। ইডেনে আরসিবিকে ২২৩ রানের টার্গেট দিয়ে কেকেআর জেতে ১ রানে।
এই ম্যাচে শেষ ওভারে আরসিবির দরকার ছিল ২১ রান। প্রথম চার বলে তিনটি ছক্কা হজম করেছিলেন মিচেল স্টার্ক। কর্ণ শর্মা তিনটি ছয় মেরেছিলেন। ফলে সমীকরণ দাঁড়ায় ২ বলে ৩ রান দরকার। এই ওভারের পঞ্চম বলে কর্ণ শর্মাকে আউট করেন স্টার্ক। শেষ বলে ২ রান নিতে গিয়ে রান আউট হন লকি ফার্গুসন।
এরপর রাজস্থান রয়্যালসকে ২০২ রানের টার্গেট দিয়ে এক রানে হোম ম্যাচ জেতে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। জেতার জন্য শেষ ওভারে রাজস্থানের দরকার ছিল ১৩ রান। ওভার-রেট পেনাল্টির কারণে বৃত্তের বাইরে শেষ ওভারে চারজনের বেশি ফিল্ডার রাখতে পারেনি সানরাইজার্স। শেষ ওভারে ভুবনেশ্বর কুমারের পরিকল্পনামাফিক কৃপণ বোলিং জেতায় অরেঞ্জ আর্মিকে।
আইপিএলে শেষ বলে ১ রানে ম্যাচ জেতার নজির প্রথম দেখা যায় ২০০৮ সালে। সেবার ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব ১৯০ রানের টার্গেট দেয় মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে। শেষ ওভারে জেতার জন্য দরকার ছিল ১৯।
বল করতে যান ভিআরভি সিং। প্রথম ডেলিভারিটি নো বল, তাতে ছক্কা মারেন সিদ্ধার্থ চিটনিস। এর পরের বলেই আসে চার।
ফলে শেষ ওভারের প্রথম বল হতে না হতেই মুম্বই পেয়ে যায় ১১ রান। দ্বিতীয় বলে চিটনিস আউট। তৃতীয় বলে ১ রান বাই। চতুর্থ বলে ২ রান এলেও রান আউট হন আশিস নেহরা। ২ বলে দরকার ছিল ৪। পঞ্চম বলে ২ রান দেন সিং। শেষ বলে বিক্রান্ত ইয়েলিগতি রান আউট হতেই রুদ্ধশ্বাস জয় পায় পাঞ্জাব।
আইপিএলে ১ উইকেটে ম্যাচ জেতার নজির আছে ৪টি। তার মধ্যে শেষ বলে জয় ২টি ম্যাচে। সর্বশেষ এমন জয় এসেছে ২০২৩ সালে বেঙ্গালুরুতে, লখনউ সুপার জায়ান্টস শেষ ওভারে ৫ রান তুলে হারিয়েছিল আরসিবিকে। তাও শেষ ওভারে ২ উইকেট খুইয়ে।
তবে সকলের মনে গেঁথে রয়েছে ২০২৩ সালে আমেদাবাদে কলকাতা নাইট রাইডার্সের শেষ বলে গুজরাত টাইটান্সের বিরুদ্ধে তিন উইকেটে জয় ছিনিয়ে নেওয়া। নাইটদের শেষ ওভারে দরকার ছিল ২৯ রান, হাতে তিন উইকেট। যশ দয়ালের প্রথম বলে এক রান নেন উমেশ যাদব। এর পরের পাঁচ বলে পাঁচটি ছক্কা হাঁকিয়ে স্মরণীয় জয় নিশ্চিত করেন রিঙ্কু সিং।












Click it and Unblock the Notifications