Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

IPL 2025 Exclusive: স্বেচ্ছাচারিতা থেকে স্বজনপোষণ! মিডিয়া ম্যানেজারের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়, নির্বিকার CAB

IPL 2025 Exclusive: সিএবিতে বিচিত্র কাণ্ডকারখানা যেন বন্ধ হওয়ার নয়। অবাক করার মতো বিষয় হলো, সিএবি সভাপতি থেকে অনেকেই সমস্যা ঘোচাতে তৎপর হলেও, পুরোটা করা যাচ্ছে না ঘুঘুর বাসা না ভাঙায়।

দেশের কোনও ক্রিকেট সংস্থায় মিডিয়া ম্যানেজারের উপর অসন্তোষ দেখা যায় না সাংবাদিকদের। সব মিডিয়া ম্যানেজার সহযোগিতাই করেন। যা কয়েক বছর ধরে হচ্ছে না সিএবিতে। সিএবিতে মিডিয়া ম্যানেজার বদলালেও, পরিস্থিতির বদল নেই।

IPL 2025 Exclusive

স্বেচ্ছাচারিতা আর স্বজনপোষণ চালিয়ে যাচ্ছেন সিএবির 'ট্রেনি' মিডিয়া ম্যানেজার অরিত্র চৌধুরী। সংবাদমাধ্যম থেকে চাকরি হারানো অরিত্রকে সিএবিতে কাজে ঢুকিয়েছিলেন প্রাক্তন মিডিয়া ম্যানেজার। বিভিন্ন কারণে সেই মিডিয়া ম্যানেজারকে সরতে হয়।

তারপর তাঁরই অধীনস্থ অরিত্র বসে পড়েন সিএবি মিডিয়া ম্যানেজারের চেয়ারে। অভিযোগ, আগের মিডিয়া ম্যানেজারকে সরানোর পথ সুগম করতে নাকি অরিত্র কলকাঠি নেড়েছিলেন। যদিও এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কেউ কিছু বলেননি। তবে মিডিয়া ম্যানেজ করতে গিয়ে অরিত্র মিসম্যানেজমেন্ট চালিয়ে যাচ্ছেন।

অরিত্রর কাজকর্ম নিয়ে প্রশ্ন তোলা সাংবাদিকদের ফোন তিনি ব্লক করে রেখেছেন। কিংবা ফোন করলে বা মেসেজের উত্তর দেন না। সিএবির কর্তাদের নির্দেশ পুরোপুরি উপেক্ষা করেই। অভিযোগ, কিছু দুর্নীতিগ্রস্তদের পরামর্শেই সিএবির নাম বদনাম করার খেলায় নেমেছেন অরিত্র।

আইপিএলের মিডিয়া অ্যাক্রিডিটেশন এবার হচ্ছে ধাপে ধাপে। ইডেনে গুজরাত টাইটান্স ও পাঞ্জাব কিংস ম্যাচের জন্য আবেদন করতে পারেননি অনেক সাংবাদিক। তাঁদের কয়েকজন আর্জি জানান সিএবির কাছে। সাংবাদিকদের সম্মান দেন এমন কর্তারা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতেও বলেন। কিন্তু কোন ঔদ্ধত্যে অরিত্র তা অগ্রাহ্য করছেন তা অনুমেয় নয়।

বিসিসিআইয়ের সঙ্গেও কেউ কেউ যোগাযোগ করেন। বলেন, প্রথম ধাপেও সাময়িক উইন্ডো খোলানো হয়েছিল। তেমন কিছু এবারও করতে যাতে জেনুইন সাংবাদিকরা ম্যাচ কভার করতে পারেন। এটা ঠিক, সময়সীমার মধ্যে আবেদন করতে না পারলে নিয়ম অনুযায়ী কিছু করার নেই। কিন্তু এবারের আইপিএলেই উইন্ডো খোলানোর উদাহরণ রয়েছে। তাছাড়া এই প্রথম কয়েকটি ম্যাচ অন্তর অন্তর আবেদন করতে হচ্ছে। ফলে প্রথমবার অনেকেই সমস্যায় পড়ছেন।

সাংবাদিকদের এমন আবেদনে আন্তরিক সিএবির একাংশ। সূত্রের খবর, সিএবি বিসিসিআইয়ের দিকে বিষয়টি ঘোরাচ্ছে। চ্যানেল টেনের শম্ভুনাথ ভৌমিক বলেন, বিসিসিআইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করি। ওখান থেকে বলা হয়, বিসিসিআই কার্ড দিয়ে দিয়েছে। বাকি ম্যাচ কভারের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট রাজ্য ক্রিকেট সংস্থাই ঠিক করে।

যথাসময়ে আবেদন না করা হলে যদি ম্যাচ কভারের অনুমতির আবেদন পুনর্বিবেচনা না করা হয় তাতে দোষের কিছু নেই। কিন্তু জানা যাচ্ছে, দ্বিতীয় দফায় আবেদনের মেল অনেকে পাননি। এমনকী সিএবির মিডিয়া গ্রুপেও তা দেওয়া হয়নি। এতেই উঠছে অসহযোগিতার অভিযোগ।

অরিত্রর কাজকর্মে অসঙ্গতির কথা সিএবি কর্তাদের কাছে তুলে ধরায় অনেক সাংবাদিক অরিত্রর বিষনজরে। মিডিয়া ম্যানেজার কারও ফোন নম্বর ব্লক করতে পারেন না। তাঁদের নানা বিষয়ে তথ্য সরবরাহ করা মিডিয়া ম্যানেজারের কাজের মধ্যেই পড়ে।

ভারত-ইংল্যান্ড টি২০ আন্তর্জাতিকে প্রেস বক্স মাছের বাজারে পরিণত হয়েছিল। সিএবি কর্তাদের উদ্যোগে এবার পরিস্থিতি বদলেছে অনেকটাই। কিন্তু অরিত্রদের বদান্যতাতেই পুরো পরিস্থিতি শোধরানো যাচ্ছে না বলে অভিযোগ।

বিসিসিআইয়ের গাইডলাইনে বলা আছে, প্রোডাকশন হাউসকে অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড দেওয়া হবে না। কিন্তু অরিত্রর সজ্ঞানেই সিএবিতে কেউ কেউ তেমন কার্ড পেয়ে দিব্যি ম্যাচ কভার করছেন। এমনকী পছন্দের পাত্রদের সঙ্গে ঘোঁট তৈরি করে এই অরিত্র আমরা-ওরা বিভাজন করে সিএবিতে বিষাক্ত বাতাবরণ তৈরি করছেন।

আরএনআই থাকলেও সংবাদপত্র বা ম্যাগাজিন নিয়মিত বেরোয় না। এমন অনেকেই ডিজিটাল প্রিন্ট করিয়ে জমা দিয়ে অরিত্রর আশীর্বাদ পেয়ে গিয়েছেন। প্রশ্ন হলো, বিসিসিআইয়ের গাইডলাইন অমান্য করা সত্ত্বেও অরিত্রর বিরুদ্ধে কেন সিএবি কোনও পদক্ষেপ করছে না। সিএবির অনেকেই বলছেন, আখেরে সিএবির বদনাম হচ্ছে, তাতেও কেন স্বচ্ছতা আনার চেষ্টা হবে না। সাবোতাজ চলছে না তো? কারণ, আগের মিডিয়া ম্যানেজারেরই সহকারী ছিলেন এই অরিত্র।

ভারত-ইংল্যান্ড টি২০ আন্তর্জাতিকের সময় ভিনরাজ্য তথা ভিনদেশি সাংবাদিকরাও সিএবির মিডিয়া ম্যানেজারের উপর অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন। বিভিন্ন অনিয়মের কথা জেনে সিএবি সভাপতি স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায় এবারের আইপিএলে কার্ড চেকিং-সহ নানা কড়াকড়ি চালু করেছেন।

গোটা পরিকাঠামোয় পরিবর্তন যে হয়েছে দিনের আলোর মতো পরিষ্কার। কারা সেটা নিশ্চিত করেছেন সেটাও পরবর্তীকালে তুলে ধরবে ওয়ানইন্ডিয়া। কিন্তু অরিত্রর বিচিত্র কাণ্ডকারখানা দেখে সিএবির ভালো চাওয়া অনেকেই হতাশ। এবার এই স্বচ্ছতা প্রক্রিয়ার থেকে তাঁরা নিজেদের সরিয়ে নিতেও চাইছেন।

সকলেরই সাফ কথা, নিয়ম মানা হলে তা সকলের জন্য সমান হওয়াটা বাঞ্ছনীয়। ভুয়োদের প্রতি সিএবি মিডিয়া ম্যানেজারের এমন উথলে ওঠা প্রেমের নেপথ্যে কি অন্য সমীকরণ আছে? তবে সৎ, মাথা উঁচু করা সাংবাদিকরা অরিত্র তথা সিএবির দোষ খুঁজে পেলে তা একশো বার নয়, হাজার বার সামনে আনবেন। সেটাই দায়িত্বশীল সংবাদমাধ্যমের কাজ।

ভারত-ইংল্যান্ড ম্যাচ কভার যাঁরা করেছিলেন সেই লিস্টও চেপে রেখেছেন অরিত্র। আরটিআই হলে তা প্রকাশ করতে বাধ্য হবে সিএবি। এমনকী ইডেনে কেকেআর-লখনউ সুপার জায়ান্টস ম্যাচে বৈধ সাংবাদিকদের তালিকার বাইরেও অনেকে প্রেস বক্সে ছিলেন। ছাপানো তালিকার নীচে পেন দিয়ে সইও রয়েছে।

তাতে সম্প্রচারকারী চ্যানেলের প্রতিনিধিরা থাকতেই পারেন। কিন্তু বাকি কারা, সেই উত্তর অরিত্র দেননি। লিস্টও প্রকাশ করেননি। এমনকী মিডিয়া বক্সেও অবৈধ অনুপ্রবেশকারীর দেখা মিলেছে বলে অভিযোগ। সেই ছবি ভাইরালও হয়েছে। তাহলে অরিত্র কি সঠিকভাবে নিজের দায়িত্ব পালন করছেন? না করলে কেন কোনও পদক্ষেপ করতে হাত কাঁপছে সিএবির?

সিএবির জনৈক কর্তা বলছেন, অরিত্রর নামে যা অভিযোগের বহর তাতে ওঁর চাকরি চলে যেতেই পারে। কিন্তু আরেকটু সময় দিচ্ছি। কেউ কারও কর্মহীন হওয়া চান না। এই বক্তব্য ঠিক। তবে প্রশ্ন থাকছে, এমন কাজ কেন কেউ করবেন যাতে তাঁর চাকরি চলে যেতে পারে? বারবার বলার পরেও অরিত্রর বিচিত্র কাণ্ডকারখানা কেন চলছে?

এখানেই শেষ নয়। বাংলা দল বাইরে খেলতে গেলে নিয়মিত ছবি বা খবর সিএবি গ্রুপে দেওয়া হয় না। দেওয়া হলেও অনেক দেরিতে। সিএবির বিভিন্ন টুর্নামেন্টের খবর ও ছবি অনেক রাতে পোস্ট করা হয় সিএবি মিডিয়া গ্রুপে। তাও ইংরেজিতে বড় কপি। যা অল্প সময়ে ধরাতে পারে না অনেক সংবাদমাধ্যম। প্রশ্ন হলো, বিকেলে শেষ হওয়া ম্যাচ কপি কেন রাত সাড়ে ৮টা, ৯টায় দেওয়া হবে। এটাই কি সিএবির কর্মসংস্কৃতি? অবস্থার বদল আর কবে?

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+