মহিলাদের বিশ্বকাপেও ভারতের কাছে ধরাশায়ী পাকিস্তান, হরমনপ্রীতরা এড়িয়ে গেলেন করমর্দন
মহিলাদের বিশ্বকাপেও পাকিস্তান ধরাশায়ী হলো ভারতের কাছে। হরমনপ্রীত কৌররা চলতি বিশ্বকাপে টানা দ্বিতীয় জয় ছিনিয়ে নিয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষস্থানের দখল নিলেন।
কলম্বোর আর প্রেমদাসা স্টেডিয়ামে পাকিস্তানকে ৮৮ রানে চূর্ণ করল ভারত। ম্যাচের সেরা ক্রান্তি গৌড়। এই নিয়ে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের জয়ের পরিসংখ্যান আরও উন্নত হয়ে দাঁড়াল ১২-০।

আজ টস জিতে পাকিস্তান ফিল্ডিং নেয়। টসের সময় পাক অধিনায়ক ফতিমা সানা টেল বললেও পড়ে হেড। কিন্তু ম্যাচ রেফারি ও সঞ্চালিকার ভুলে পাকিস্তানকেই টসে বিজয়ী বলে ঘোষণা করা হয়। সূর্যকুমার যাদবের পদাঙ্ক অনুসরণ করে ফতিমার সঙ্গে করমর্দন করেননি হরমনপ্রীত কৌর।
ভারত ৫০ ওভারে তোলে ২৪৭ রান। হারলিন দেওল করেন সর্বাধিক ৪৬। রিচা ঘোষ ২০ বলে ৩৫ রান করে অপরাজিত থাকেন। জেমাইমা রডরিগেজ ৩২, প্রতীকা রাওয়াল ৩১, স্মৃতি মান্ধানা ২৩, হরমনপ্রীত কৌর ১৯, দীপ্তি শর্মা ২৫ ও স্নেহ রানা ২০ রান করেন। শ্রী চরণী ১ ও ক্রান্তি গৌড় ৮ রান করেন। ডায়ানা বেগ চারটি, সাদিয়া ইকবাল ও ফতিমা সানা ২টি করে উইকেট নেন। রামিন শামিম ও নাশরা সান্ধু পান ১টি করে উইকেট।
সূর্য ডোবার সময় স্টেডিয়ামে ফ্লাডলাইটের আলো উজ্জ্বল হতেই প্রচুর পোকা উড়তে থাকে। বার দুয়েক খেলা বন্ধ রাখতে হয়। ব্যাটারদের যেমন অসুবিধা হচ্ছিল, তেমনই শামিমের চোখেও পোকা ঢুকে যায়। শেষ অবধি খেলা মিনিট ১৫ থামিয়ে ফগিং মেশিন দিয়ে স্প্রে করে পোকা তাড়ানোর পর খেলা শুরু হয়। তার আগেও স্প্রে করা হয়েছিল, ক্রিকেটাররা পোশাকেও পতঙ্গরোধী স্প্রে করেন। কিন্তু তাতে খুব একটা লাভ হয়নি।
২৪৮ রানের লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে নেমে পাকিস্তান ৪৩ ওভারে ১৫৯ রানেই গুটিয়ে যায়। সিদরা আমিন করেন ৮১। নাতালিয়া পারভেজ ৩৩ ও সিদরা নওয়াজ ১৪ রান করেন। বাকিরা কেউ দুই অঙ্কের ঘরে নিজেদের রান নিয়ে যেতে পারেননি। ওুপেনার মুনিবা আলি আশ্চর্যজনকভাবে আউট হন। তাঁর বিরুদ্ধে এলবিডব্লিউয়ের আবেদন নাকচ হয়। ওই বলটি খেলে ক্রিজের বাইরে ছিলেন মুনিবা। পরে ব্যাট ক্রিজের লাইনের ভিতরে রাখেন। কিন্তু যে মুহূর্তে ব্যাটটি সামান্য তুলেছিলেন ঠিক তখনই দীপ্তি শর্মার থ্রো উইকেট ভেঙে দেয়। ফলে রান আউট হতে হয় মুনিবাকে। যদিও তিনি মাঠ ছাড়তে চাইছিলেন না। এমনকী বাউন্ডারি লাইনের ধারে ম্যাচ অফিসিয়ালের সঙ্গে তর্ক করতে দেখা যায় ফতিমা সানাকে।
পাকিস্তানের শেষ পাঁচটি উইকেট পড়ে ১৬ রানের ব্যবধানে। ক্রান্তি গৌড় তিনটি মেডেন-সহ ১০ ওভারে ২০ রান দিয়ে তিন উইকেট নেন। দীপ্তি শর্মা ৯ ওভারে ৪৫ রান খরচ করে তিনটি উইকেট ঝুলিতে পুরেছেন। ৮ ওভারে ৩৮ রানের বিনিময়ে ২ উইকেট নেন স্নেহ রানা। রেণুকা সিং ১টি মেডেন-সহ ১০ ওভারে ২৯ ও শ্রী চরণী ১টি মেডেন-সহ ৬ ওভারে ২৬ রান দেন, উইকেট পাননি।












Click it and Unblock the Notifications