IND vs ENG: শামিকে ইডেনে না খেলিয়ে ঠিকই করেছে ভারত, কেন এমন উপলব্ধি ইরফান পাঠানের?
IND vs ENG: ভারত ও ইংল্যান্ড দ্বিতীয় টি২০ আন্তর্জাতিক খেলতে পৌঁছে গেল চেন্নাইয়ে। চিপকে স্পিন সহায়ক উইকেট হয়। ফলে সেখানেও মহম্মদ শামির একাদশে থাকার সম্ভাবনা কম।
ভারতীয় স্পিনাররা যেভাবে ইংল্যান্ডের ব্যাটারদের পর্যুদস্ত করেছেন তাতে সূর্যকুমার যাদবের দল উইনিং কম্বিনেশন ধরে রাখতে চাইবে। তবে তাতেও থামছে না শামিকে নিয়ে জল্পনা।

শামি নিজে ১৪ মাস পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরতে মরিয়া। ইডেনে খেলার বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী ছিলেন। ভারতীয় দলের তরফেও টসের আগে অবধি শামিকে না খেলানোর কথা বলা হয়নি। শামি পায়ে স্ট্র্যাপ জড়ানো অবস্থাতেই বোলিং করে গিয়েছেন।
যদিও ভারতীয় ক্রিকেটার অভিষেক শর্মার বক্তব্যে আভাস মিলেছে যে, কম্বিনেশনের কারণেই প্রথম একাদশে ঠাঁই হয়নি শামির। একইসঙ্গে এই প্রশ্নও আসছে যে, যেভাবে হাঁটুতে স্ট্র্যাপ বেঁধে বোলিং করছেন শামি, তাতে তিনি কি আদৌ ম্যাচ খেলার মতো ফিট?
ইরফান পাঠান অবশ্য মনে করছেন শামিকে না খেলিয়ে ভারত ঠিকই করেছে। পাঠান বলেন, শামি ভারতের সেরা ১০ পেসারের একজন। ফলে নিজের শরীর সম্পর্কে তিনিই সবচেয়ে ভালো বোঝার জায়গায়। তার ভিত্তিতেই তিনি দলকে সঠিক তথ্য দিয়ে থাকেন। পারস্পরিক কথাবার্তার মাধ্যমেই এই সিদ্ধান্ত হয়েছে।
পাঠান আরও বলেন, সকলে চান কোনও ক্রিকেটার একইভাবে খেলুন। তবে চোট সারিয়ে মাঠে ফেরার পর সেই ছন্দ ফিরে পাওয়াটা সহজ নয়। আমার ধারণা, খেলার ব্যাপারে শামি ও টিম ম্যানেজমেন্ট সঠিক সময়েই সঠিক সিদ্ধান্ত জানাবেন।
জসপ্রীত বুমরাহ ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওডিআই ও চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির দলে থাকলেও খেলার সম্ভাবনা এখনও অনিশ্চয়তার পর্যায়েই রয়েছে। তবে শামি ও বুমরাহ পুরো ফিট অবস্থায় থাকলে তা যে প্রতিপক্ষের চিন্তা বাড়ানোর পক্ষে যথেষ্ট তা নিয়ে সংশয় নেই পাঠানের।
পাঠান মনে করেন, মহম্মদ সিরাজ যেভাবে বল করছেন তাতে তাঁকে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির দলে রাখা যেতেই পারতো। ভারতীয় দলে ব্যাক আপ পেসার দরকার। সিরাজ এ ক্ষেত্রে ভালো বিকল্প। দুবাইয়ে যা কন্ডিশন থাকবে তাতে ভারত চার স্পিনারে খেলবে না। বুমরাহ, শামি চোট সারিয়ে ফিরছেন, তাঁরাও যে শুরু থেকেই দারুণ ছন্দে থাকবেন তেমনটা নাও হতে পারে।
যদিও ভারত চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভালো করবে বলেই ধারণা পাঠানের। টেস্টে রোহিত শর্মার অফ-ফর্ম কিংবা বিরাট কোহলির অফ-স্টাম্পের বাইরের বলের দুর্বলতা কাটাতে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে বলে মন্তব্য পাঠানের। যদিও সাদা বলের ক্রিকেটে রোহিত ও বিরাটকে চেনা ছন্দে পাওয়া যাবে বলেই আশা তাঁর।
ভারতের টি২০ দলের ক্রিকেটাররা যেভাবে ব্যক্তিগত স্বার্থের কথা মাথায় না রেখে নির্ভীক ও আগ্রাসীভাবে খেলছেন তার প্রশংসা করেছেন পাঠান। দু-বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের কাছ থেকে এমনটা প্রত্যাশিত বলেও মনে করেন তিনি। পাঠান বলেন, ড্রেসিংরুমের পরিবেশ ভালো থাকার সুফল মেলে দলের পারফরম্যান্সে।
ভারতের তারকা ক্রিকেটাররা ঘরোয়া ক্রিকেট খেলছেন। বিরাট কোহলিও ১৩ বছর পর রঞ্জি খেলবেন। তবে পাঠানের কথায়, লোক দেখানোর জন্য দায়সারাভাবে ঘরোয়া ক্রিকেট খেললে হবে না। ফাঁকা থাকলে সব ক্রিকেটারকেই নিয়মিত ঘরোয়া ক্রিকেট খেলতে হবে। কেন না, ক্রিকেটারদের কাজই হলো খেলা।












Click it and Unblock the Notifications