Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

ICC World Cup 2023: ব্রাত্য মোহালি-ইন্দোর, বিসিসিআইয়ের সিদ্ধান্তে হতাশ রাজ্য সংস্থার কর্তারা

বিশ্বকাপের ৪৮টি ম্যাচের জন্য দেশের ১০টি স্টেডিয়ামকে বেছে নিয়েছে বিসিসিআই। বিশ্বকাপের সূচি ঘোষণার পর থেকেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে। মোহালি, ইন্দোর, তিরুবনন্তপুর সহ একাধিক মাঠকে বিশ্বকাপের ম্যাচ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। আর এখানেই তৈরি হয়েছে বিতর্ক। বঞ্চিত একাধিক রাজ্য ক্রিকেট সংস্থাই মানতে পারছে না বোর্ডের এই সিদ্ধান্ত। বিসিসিআইয়ের সিদ্ধান্তে হতাশ তাঁরা।

দেশের প্রতিষ্ঠিত ক্রিকেট স্টেডিয়াম গুলি রয়েছে মোহালি, নাগপুর, রাজকোট, ইন্দোর, রাঁচি, তিরুবনন্তপুরম শহরে। কিন্তু এই মাঠগুলি একটিও বিশ্বকাপের মূল ম্যাচ পায়নি, এমনকি প্রস্তুতি ম্যাচও জোটেনি অনেক স্টেডিয়ামে। এই পরিস্থিতিতে বোর্ডের সিদ্ধান্ত নিয়ে সরাসরি প্রতিবাদের রাস্তায় না গেলেও সংশিষ্ট রাজ্য সংস্থাগুলি কিন্তু রীতিমতো হতাশা প্রকাশ করছেন।

বিশ্বকাপ

মধ্যপ্রদেশ ক্রিকেট সংস্থার সভাপতি অভিলাস খাণ্ডেকার সংবাদা সংস্থা পিটিআইকে জানিয়েছে‌, '১৯৮৭ সালে বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডের মধ্যে ম্যাচ আয়োজন করেছিল ইন্দোর।আমরা অত্যন্ত হতাশ আমাদের মাঠ বাদ পড়ায়। আমি জানি না বিসিসিআই কোন পরিপ্রক্ষিতে মাঠ নির্বাচন করেছে। ইন্দোরের ক্রিকেটীয় ঐতিহ্য রয়েছে, তাতে আমরা বিশ্বকাপের ম্যাচ পাওয়ার প্রত্যাশা করেছিলাম।'

২০১১ সালে মোহালিতে বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল হয়েছিল, সেই ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল ভারত পাকিস্তান। কিন্তু এবারের বিশ্বকাপে পুরোপুরি ব্রাত্য পাঞ্জাবের এই ক্রিকেট স্টেডিয়াম। এই ক্রিকেট সংস্থার এক কর্তা জানিয়েছেন, 'বিশ্বকাপের একটি ম্যাচও না পাওয়া মেনে নেওয়া কঠিন আমাদের জন্য। এমনকি একটি প্রস্তুতি ম্যাচ না পাওয়াও আমাদের জন্য হতাশাজনক।' ১৯৯৬ সাল থেকেই বিশ্বকাপের ম্যাচ আয়োজন করছে মোহালি। একটা সময় ইডেনের পর এই মাঠই ছিল দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্টেডিয়াম।

জয় শাহ

শুধু ক্রিকেট সংস্থার কর্তারাই নয় বোর্ডের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন পাঞ্জাবের ক্রীড়ামন্ত্রী গুরমিত সিং মিত হেয়ার। মোহালিকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ করেছেন আপ সরকারের ক্রীড়ামন্ত্রী।গুরমিত সিং মিত হেয়ার বলেন, রাজনৈতিক কারণেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান এই বৈষম্য ও অবিচারের বিষয়টি নিয়ে সরব হবেন। বিসিসিআইয়ের সঙ্গেও তাঁরা এই বিষয়ে কথা বলবেন।

সরব হয়েছেন তিরুবনন্তপুরমের কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুও। এই মাঠে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচ শুধু দেওয়া হয়েছে। মূলপর্বের কোনও খেলাই হবে না। এই সিদ্ধান্তে হতাশ কংগ্রেস সাংসদ ।

ইন্দোর

সমাজ মাধ্যমে তিনি লিখেছেন, তিরুবনন্তপুরম স্পোর্টস হাব। দেশের অন্যতম সেরা স্টেডিয়াম রয়েছে এখানে। কিন্তু বিশ্বকাপের ম্যাচ এখানে না দেওয়া হতাশাজনক। আমেদাবাদ এখন দেশের ক্রিকেট রাজধানী হয়ে উঠেছে। কিন্তু কেরলে কি একটি বা দুটি ম্যাচ দেওয়া যেত না?

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+