ICC World Cup 2023: বিশ্বকাপের ভেন্যু নিয়ে বিতর্ক অব্যাহত, বিসিসিআইকে চিঠি পাঞ্জাব সরকারের
বিশ্বকাপের সূচি ঘোষণার পর থেকেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। মোহালি, তিরুবনন্তপুরমে ম্যাচ না দেওয়ায় লেগেছে রাজনীতির রঙ। এবার সেই বিতর্কের মাত্রা আরও কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেল। মোহালিকে বঞ্চিত করায় বিসিসিআইকে সরাসরি চিঠি পাঠাল পাঞ্জাব সরকার।
বিশ্বকাপের ম্যাচ না পাওয়া নিয়ে পাঞ্জাবের ক্রীড়ামন্ত্রী গুরমিত সিং মিত হেয়ার ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে কড়া চিঠি পাঠিয়েছেন, সেখানে বিশ্বকাপের ভেন্যু বিন্যাসে সচ্ছতা নিয়েই প্রশ্ন তোলা হয়েছে। মোহালিকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে চিঠিতে সরর হলেন আপ সরকারের ক্রীড়ামন্ত্রী। একইসঙ্গে বিশ্বকাপের কিছু ম্যাচ দেওয়ারও আবেদন করেছেন।

বিসিসিআই সভাপতি রজার বিনিকে দেওয়া চিঠিতে পাঞ্জাবের ক্রীড়ামন্ত্রী উল্লেখ করেছেন, 'পাঞ্জাব রাজ্য ঐতিহ্য, পরম্পরা, ধর্মনিরপেক্ষতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এই মাটিতে বহু মনীষী, মহাপুরুষদের জন্মভূমি। এরআগেও পাঞ্জাব বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ গুলি আয়োজন করেছে। এই রাজ্য দেশকে প্রতিনিধিত্ব করেছেন বিষেণ সিং বেদী, মহিন্দর অমরনাথ, সিধু, যুবরাজ সিং, হরভজন সিংয়ের মতো তারকারা। কিন্তু এই রাজ্যকেই বিশ্বকাপের ম্যাচ থেকে বঞ্চিত করা হল।'
পাঞ্জাবের ক্রীড়ামন্ত্রী তাঁর চিঠিতে উল্লেখ করেছেন রাজীব শুক্লার বক্তব্যের কথাও। সূচি ঘোষণার পর বোর্ডের শীর্ষ কর্তা বলেছিলেন যে, 'মোহালি স্টেডিয়াম আইসিসি-র মানদণ্ড স্পর্শ করতে পারেনি। ফলে ম্যাচ পায়নি। গতবছর বিরাট কোহলির শততম টেস্ট মোহালিতে করা হয়েছি। মোহালির মুলানপুরে নতুন স্টেডিয়াম তৈরি হচ্ছে। যদি সেই স্টেডিয়াম সম্পূর্ণ হয়ে যেত, তাহলে সেখানে বিশ্বকাপের ম্যাচ করা হত।'

গুরমিত তাঁর চিঠিতে জানতে চেয়েছেন যে, 'বিশ্বকাপের ম্যাচ আয়োজন করতে হলে মোহালিতে আর কী প্রয়োজন ছিল। আইসিসি-র একটি দল এসে মোহালির মাঠ দেখে গিয়েছিল।' গুরমিত বোর্ডের কাছে জানতে চেয়েছেন কী লাগবে মোহালিতে।
২০১১ সালে মোহালিতে বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল হয়েছিল, সেই ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল ভারত পাকিস্তান। কিন্তু এবারের বিশ্বকাপে পুরোপুরি ব্রাত্য পাঞ্জাবের এই ক্রিকেট স্টেডিয়াম।১৯৯৬ সাল থেকেই বিশ্বকাপের ম্যাচ আয়োজন করছে মোহালি। একটা সময় ইডেনের পর এই মাঠই ছিল দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্টেডিয়াম।
এরআগে মূল পর্বের ম্যাচ না পাওয়ায় সরব হয়েছিলেন তিরুবনন্তপুরমের কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুও।

কেরলের মাঠে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচ শুধু দেওয়া হয়েছে। মূলপর্বের কোনও খেলাই দেওয়া হয়নি। এই সিদ্ধান্তে হতাশ কংগ্রেস সাংসদ । সমাজ মাধ্যমে তিনি লিখেছিলেন, ' তিরুবনন্তপুরম স্পোর্টস হাব। দেশের অন্যতম সেরা স্টেডিয়াম রয়েছে এখানে। কিন্তু বিশ্বকাপের ম্যাচ এখানে না দেওয়া হতাশাজনক। আমেদাবাদ এখন দেশের ক্রিকেট রাজধানী হয়ে উঠেছে। কিন্তু কেরলে কি একটি বা দুটি ম্যাচ দেওয়া যেত না?












Click it and Unblock the Notifications