ICC World Cup 2023: আফগানিস্তানের সাফল্যে অবদান আছে ভারতেরও, বিসিসিআই কীভাবে সাহায্য করেছিল রশিদদের?
আফগানিস্তান মানেই সন্ত্রাসের কালো ছায়া, তালিবানি ফতোয়া আর যুদ্ধ। কিন্তু বিগত কয়েক বছরে আফগানিস্তানের ভাবমূর্তি অনেকটা পাল্টেছে, সৌজন্যে ক্রিকেট। রশিদ খান, মুজিব-উর-রহমানদের বিশ্ব ক্রিকেটে চমকপ্রদ উদয় হয়েছে। সীমিত ওভারের ক্রিকেটের পাশাপাশি টেস্ট ক্রিকেট খেলারও যোগ্যতা অর্জন করেছে আফগানরা। কিন্তু কাবুলিওয়ালার দেশের ক্রিকেটীয় নবজাগরণে অবদান রয়েছে ভারতেরও।
দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে গোটা বিশ্বকে চমকে দিয়ে ২০১৯ সালের চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৬৯ রানে জয় ছিনিয়ে নেয় আফগানরা। এই জয়ের ফলে সেমিফাইনালে আশা বাঁচিয়ে রাখলো আফগানিস্তান। ব্যাটিং এবং বোলিংয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে ম্যাচের সেরা মুজিব-উর-রহমান। আফগানিস্তান ক্রিকেটের এমন সাফল্য সম্ভব হত না বিসিসিআইয়ের সাহায্য ছাড়া।

আফগানিস্তানের জাতীয় দল একটা সময় মাসের পর মাস থাকত ভারতে। ভারতীয় ক্রিকেটের পরিকাঠামো ব্যবহার করে অনুশীলন করতেন রশিদ খানরা। ভারতীয় কোচেরা তাঁদের সাহায্য করতেন। স্থানীয় দলগুলির সঙ্গে নিয়মিত প্রস্তুতি ম্যাচও খেলত আফগানিস্তান। লালচাঁদ রাজপুত, মনোজ প্রভাকরের মতো প্রাক্তন ক্রিকেটাররা আফগান দলের কোচের ভূমিকা পালন করতেন। এমনকি আফগানিস্তান আন্তর্জাতিক পর্যায়ের হোম ভেন্যুও ছিল ভারত। দেরাদুনে তাঁরা হোম সিরিজের ম্যাচ খেলত।

শুধু পরিকাঠামোগত সাহায্যই নয়, ভারত থেকে আফগানিস্তান ক্রিকেট দল পেয়েছে আর্থিক সহযোগিতাও। ২০১৫ সালে প্রথমবার একদিনের বিশ্বকাপ খেলার ছাড়পত্র পায় আফগানিস্তান। এরপর ২০১৯ সালেও তাঁরা বিশ্বকাপে ,সুযোগ পায়। সেই সময় আফগান দলকে স্পনসর করে একটি ভারতীয় কোম্পানি।
এখানেই শেষ নয়, আইপিএলে আফগান ক্রিকেটারদের জন্য দরজা খুলে দেয় বিসিসিআই। অনেকেই আইপিএল খেলার সুযোগ পান। সাফল্য পাওয়ার পর বিসিসিআইয়ের সহযোগিতার কথা ভোলেননি আফগান ক্রিকেট কর্তারা। তাঁরা ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিসিসিআইকে। আফগানদের অঘটনে তাই অবদান আছে ভারতেরও।












Click it and Unblock the Notifications