ফ্লপ হিটম্যান, টানা সাত ম্যাচ হেরে নয়া আইপিএলে নয়া রেকর্ড মুম্বইয়ের

মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ইতিহাসে সবচেয়ে সফল ফ্র্যাঞ্চাইজি। পাঁচ বারের চ্যাম্পিয়ন। গত মরসুম থেকেই তাঁদের সময় খারাপ যাচ্ছে। গতবার খারাপ খেলে তাঁরা শেষ চারে পৌঁছাতে পারেনি।

রেকর্ড হার

রেকর্ড হার


এই সিজনের সপ্তম ম্যচ তাঁরা হারল চির প্রতিদ্বন্দ্বী চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে। ফ্লপ রো-হিট, ইশান কিষান ১৬ কোটির ভারে নুইয়ে পড়েছেন। বিশ্রী ভাবে বোল্ড হচ্ছেন। প্রাকটিসে অর্জুন তেন্ডুলকর , ম্যাচে মুকেশ চৌধুরী। আর কাটা ঘায়ে নুনের ছিটে দিয়ে গেলেন ৪০ এর বুড়ো ধোনির ক্লাসিক ফিনিশ। এক্কেবারে ল্যাজে গোবরে অবস্থা তাঁদের। সিএসকে ম্যাচে পরাজিত হয়ে ইতিহাসের সবচেয়ে খারাপ শুরুর জন্য একটি সন্দেহজনক রেকর্ড তৈরি করেছে। টুর্নামেন্টের।

কোন পথে হার ?

কোন পথে হার ?

চেন্নাই সুপার কিংস বৃহস্পতিবার নাভি মুম্বইয়ের ডিওয়াই পাটিল স্টেডিয়ামে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ৩ উইকেটে হারাতে শেষ পর্যন্ত নার্ভ ধরে রাখে। রবীন্দ্র জাদেজার নেতৃত্বাধীন দল আইপিএল ২০২২-এর দ্বিতীয় জয় নিশ্চিত করেছে। মুম্বইয়ের তরুণ তিলক ভার্মার সাহসী পঞ্চাশ বৃথা গিয়েছে। রোহিতের নেতৃত্বাধীন দল এই টুর্নামেন্টে দল একেবারে শেষে রয়েছে। ২০১৪ সালে তাদের আগের সর্বনিম্ন পাঁচটি পরাজয় ছিল, কিন্তু মুম্বাই প্লে-অফের জন্য সিজন ঘুরে দাঁড়ায়। এবারে সেই রাস্তা যেন ক্রমে সরু হয়ে যাচ্ছে।

আর যারা হেরেছে

আর যারা হেরেছে


সামগ্রিকভাবে, মুম্বই এক আইপিএল মরসুমে টানা ছয় বা তার বেশি ম্যাচ হেরে সপ্তম দল হয়েছে। এই অবাঞ্ছিত রেকর্ড অর্জনকারী অন্য দলগুলি হল ডেকান চার্জার্স (২০০৮ সালে সাত), পাঞ্জাব কিংস (২০১৫ সালে সাত), দিল্লি ক্যাপিটালস (২০১৩, ২০১৩ এবং ২০১৪ সালে ৬,৬,৯), আরসিবি (৬ -২০১৭ এবং ২০১৯), পুনে ওয়ারিয়র্স (৯ - ২০১২ এবং ২০১৩), এবং কেকেআর (২০০৯ সালে ৯)

পুনে ওয়ারিয়র্স পরাজয়ের ধারা ২০১২ সালে শুরু হয়েছিল (পরপর নয়টি পরাজয়) এবং ২০১৩ সালে অব্যাহত ছিল , পরের মরসুমের প্রথম দুটি ম্যাচ হেরে গিয়েছিল। দলটি ২০১৩ মরসুমের তৃতীয় খেলায় রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে জয়ের সাথে ভয়ঙ্কর দৌড় শেষ করেছিল।

যাদের রেকর্ডকে ছাপিয়েছে মুম্বই

যাদের রেকর্ডকে ছাপিয়েছে মুম্বই


দিল্লি ডেয়ারডেভিলসের ধারাটি ২০১৪ সালে শুরু হয়েছিল (পরের নয়টি পরাজয়) এবং ২০১৫ সালে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের বিপক্ষে দলটি তার তৃতীয় খেলায় জয়ের আগে পরের মৌসুমে প্রবেশ করে। ২০০৯ সালে পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে প্রথম খেলা জেতার পর, কলকাতা নাইট রাইডার্স পরবর্তী ১০টি ম্যাচের ৯টিতে জয়হীন ছিল (১ টি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়েছিল)। কেকেআর মরসুমের শেষ দুটি ম্যাচে জিতে স্লাইড শেষ করেছিল। দিল্লি ডেয়ারডেভিলস ২০১৩ সালে, ডেয়ারডেভিলস প্রথম ৬ ম্যাচে হেরেছিল। ২০১৯ সালে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের সবচেয়ে খারাপ মরসুম ছিল, পরপর ছয়টি হার ছিল তাঁদের তালিকায়।

পুনে ওয়ারিয়র্স ইন্ডিয়া তার অভিষেক মরসুমে (২০১১) প্রথম দুটি ম্যাচ জিতেছে, কিন্তু পরের সাতটিতে হেরেছে। ২০০৮ সালে আইপিএলের প্রথম সিজনে ডেকান চার্জার্স ১৪ টির মধ্যে মাত্র দুটি ম্যাচ জিতেছিল। এক সময়ে, এটি পরপর সাতটি ম্যাচ হেরেছিল।

ঘটনা হল এরা সবাই নয় মাঝে জিতেছে নয়তো বা মাঝে পথ হারিয়েছে। প্রথম ম্যাচ থেকে টানা সাতটি ম্যাচ কেউ হারেনি। সেটা মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ২০২২ মরসুমে করে দেখিয়েছে। কোনও আইপিএল দলের মরসুমের এটিই সবচেয়ে খারাপ শুরু।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+