কামব্যাকের হার্দিক দুরন্ত, আইপিএল থেকে বিশ্বকাপ ব্যাটে বলে মাঠ কাঁপাচ্ছেন পান্ডিয়া
ার্দিক পান্ডিয়া। গত টি-২০ বিশ্বকাপে তিনি ব্যাপকভাবে সমালোচিত হয়েছিলেন। চোট ছিল। খেলতে পারছিলেন না। তারপর ভারত বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতেই হার্দিককে নিয়ে বিশ্ৰীভাবে সমালোচনা হয়। কামব্যাকের পর থেকে তিনি একের পর এক ম্যাচ ভারত
ার্দিক পান্ডিয়া। গত টি-২০ বিশ্বকাপে তিনি ব্যাপকভাবে সমালোচিত হয়েছিলেন। চোট ছিল। খেলতে পারছিলেন না। তারপর ভারত বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতেই হার্দিককে নিয়ে বিশ্ৰীভাবে সমালোচনা হয়। কামব্যাকের পর থেকে তিনি একের পর এক ম্যাচ ভারতকে জেতাচ্ছেন। একেবারে ব্যাটে বলে।

ওয়ান ডে হোক কিংবা টি-২০ ব্যাটিং, বোলিং হোক কিংবা ফিল্ডিং। কামব্যাক করা হার্দিক অন্যভাবে ফিরে এসেছেন। প্রথমে ফিরেই তিনি অধিনায়ক হন আইপিএলে নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি গুজরাট লায়নসের। তারপরেই তিনি ব্যাটে বলে সফল হয়ে দুরন্ত অধিনায়কত্ব করে কাপ জেতান দলকে। এরপরে ইংল্যান্ডের ওয়ান ডে সিরিজ হোক কিংবা টি -২০। দুরন্ত সফল তিনি। একের পর এক ম্যাচ জেতান ভারতকে। এশিয়া কাপে ভারত ভালো না খেললেও দুরন্ত হার্দিককে আবারও দেখা যায় একই মুডে। এরপরে ঘরের মাঠে সিরিজেও ভালো ফর্মে ছিলেন হার্দিক।
দেখার ছিল অস্ট্রেলিয়াতে তিনি ভারত পাক মহারণে কী করেন। দেখা গেল আজ বল হাতে তিন উইকেট নিলেনই তিনি। তারপর কম রানে ভারতের তিন উইকেট চলে যাওয়ার পর কোহলির সঙ্গে পার্টনারশিপ করলেন ১১৩ রানের। করলেন ৪০ রান। ম্যাচ জিতিয়ে না ফিরতে পারলেও তিনি যে কোহলিকে প্রেসার রিলিফ করতে সাহায্য করেছেন। তিনি একদিকটা ধরে রেখে ভারতকে সুরক্ষিত জায়গায় পৌঁছে দেন। শেষটা করে আসেন দুরন্ত বিরাট। আর ফিরে তাকাতে হয়নি ভারতকে।

রোহিত শর্মাও হার্দিকের প্রশংসা করেছেন। হার্দিক নিজে আবার এই পারফরম্যান্স করে বেশ খুশি। খুঁতখুঁতুনি থেকে গিয়েছে ম্যাচ শেষ করে আসতে না পেরে। তবে এই ম্যাচ জেতার পরেই তাঁর চোখ দিয়ে বেরিয়ে আসে জল। হার্দিক কিছুদিন আগেই হারিয়েছেন বাবাকে। তিনি তাই এই জয় উৎসর্গ করেছেন তাঁর বাবাকে।
এদিকে চেনা বিরাটকে আবার পাওয়া যাচ্ছে। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে এশিয়া কাপে শতরান পাওয়ার আগে পর্যন্ত কম কথা হয়নি বিরাট কোহলিকে নিয়ে। বারবার তাঁর দিকে ধেয়ে আসছিল একের পর এক প্রশ্ন। ৫০, ৬০ কিংবা ৭০ রান করেও শুনতে হচ্ছিল রান নেই বিরাটের ব্যাটে। বিশেষজ্ঞ এবং সমর্থকদের কাছে এমন ভাবে বিদ্ধ হতে হয়েছে তাঁকে যে ভিতর থেকে নড়ে গিয়েছিলেন। প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক স্বয়ং জানিয়েছিলেন যে এক মাস ব্যাটে তিনি হাত দেননি।কিন্তু দিনের শেষে একটা কথা তো রয়েছেনই! ফর্ম সাময়িক সময়ের জন্য কিন্তু ক্লাস পার্মানেন্ট। সেটারই প্রমাণ দিলেন বিরাট কোহলি।
রোহিত শর্মাও হার্দিকের প্রশংসা করেছেন। হার্দিক নিজে আবার এই পারফরম্যান্স করে বেশ খুশি। খুঁতখুঁতুনি থেকে গিয়েছে ম্যাচ শেষ করে আসতে না পেরে। তবে এই ম্যাচ জেতার পরেই তাঁর চোখ দিয়ে বেরিয়ে আসে জল। হার্দিক কিছুদিন আগেই হারিয়েছেন বাবাকে। তিনি তাই এই জয় উৎসর্গ করেছেন তাঁর বাবাকে।












Click it and Unblock the Notifications