Gautam Gambhir: ব্যক্তির ঊর্ধ্বে দল! শহরে এসে দর্শন খোলসা করলেন গম্ভীর, ভারতের হেড কোচ হচ্ছেন?
Gautam Gambhir: গৌতম গম্ভীর ঝটিকা সফরে কলকাতায়। মঙ্গলবারই ভারতের হেড কোচ হতে চেয়ে ইন্টারভিউ দিয়েছেন। তারপরই শহরে আসায় গম্ভীরের দিকে ধেয়ে এলো ভারতের হেড কোচ সংক্রান্ত প্রশ্ন।
গম্ভীর জানিয়ে দিলেন, এই সংক্রান্ত ঘোষণা বেশি দূরে নয়। ফলে এই মুহূর্তে তাঁর বলাও সম্ভব নয়। যদিও স্পষ্ট করে দিলেন তাঁর কোচিং-দর্শন।

কলকাতায় এক সেমিনারে সাংবাদিকদের কঠিন প্রশ্ন সযত্নে এড়িয়েছেন গম্ভীর। মেন্টর হয়ে ফিরেই কলকাতা নাইট রাইডার্সকে আইপিএল খেতাব জিতিয়েছেন। তারপর এদিনই প্রথম কলকাতায় আগমন গম্ভীরের। তিনি বলেন, এখানে এসে ভালো লাগছে। সম্প্রতি দারুণ সফর শেষ করেছি। সেটা উপভোগ করতে চাই। মানসিকভাবে খুবই ভালো জায়গায় রয়েছি।
তবে গম্ভীর ভারতের হেড কোচ হলে যে ব্যক্তির বদলে দলকেই অগ্রাধিকার দেবেন, সেটাও স্পষ্ট করে দিলেন। তিনি বলেন, যদি দলকে ব্যক্তির চেয়ে এগিয়ে রাখার ইচ্ছাশক্তি থাকে, তাহলে সব কিছু ঠিকঠাক চলবে। আজ না হলে কাল, কাল না হলে তার পর, হবেই!
গম্ভীরের কথায়, আমার গুরু-মন্ত্র হলো টিম ফার্স্ট ফিলোজফি! এই দর্শন বা আদর্শ সব ধরনের খেলার ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু যদি কেউ যদি ভাবেন দু-একজন ব্যক্তিকেই পারফর্ম করাতে লেগে থাকবেন, তাহলে দলের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে বাধ্য। আমার কাজ কোনও ব্যক্তিকে পারফর্ম করানো নয়। মেন্টর হিসেবে আমার কাজ কেকেআরকে চ্যাম্পিয়ন করানো।
গম্ভীর বলেন, আমি কেকেআরে লিডার ছিলাম। কিন্তু পরিবর্তনটা এনেছেন ড্রেসিংরুমের সবাই মিলে। কলকাতাকে গর্বিত করা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আমার দায়িত্ব ছিল কলকাতাকে কিছু ফিরিয়ে দেওয়া। দলগত খেলায় দল সব কিছুর আগে। ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে কেউ অবদান রাখতে পারেন, ভূমিকা নিতে পারেন, কিন্তু ১১ জনের সঙ্গেই সব কিছু যেন সমান হয়। যদি ১১ জন সমান সম্মান পান, তাঁদের সমান চোখে দেখা হয়, সমান দায়িত্ব দেওয়া হয়, তাহলে অবিশ্বাস্য সাফল্য আসবে।
কোথাও কোনও বৈষম্য রাখা উচিত নয় বলেও মন্তব্য গম্ভীরের। তিনি বলেন, আমি এটাই ভেবে এসেছি যে ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য পারফর্ম করতে হবে। দেশকে যে ৬টি ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়েছি তাতেও সেরাটা দিয়েছি। যখন সাধারণ ক্রিকেটার হিসেবে খেলেছি তখনও দেশকে জেতানোর কর্তব্য পালন করেছি। যে দলের হয়ে খেলি না কেন তাদের জেতানোর লক্ষ্যে সেরাটা দিয়েছি।
২০১১ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে ভারতকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়তে না পারার আক্ষেপ আজও তাড়া করে বেড়ায় গম্ভীরকে। তিনি বলেন, ম্যাচ ফিনিশ করা আমার কাজ ছিল। অন্যের উপর না ছেড়ে। যদি ফিরতে পারতাম, তাহলে কত রান করেছি, সেটা নয়, শেষ রানটি নেওয়ারই চেষ্টা করতাম। উল্লেখ্য, মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়েতে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ফাইনালে গম্ভীর ৯৭ রান করেছিলেন। যদিও তার চেয়ে ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে গেঁথে রয়েছে মহেন্দ্র সিং ধোনির সেই ঐতিহাসিক ছক্কাটিই।












Click it and Unblock the Notifications