Neeraj Kumar:টিম ইন্ডিয়ায় প্রকৃত ভদ্রলোক কে? কীভাবে স্পট ফিক্সিং থেকে শ্রীসন্থের মুক্তি? মুখ খুললেন নীরজ কুমার
নীরজ কুমার দিল্লির পুলিশের প্রাক্তন শীর্ষকর্তা ২০১৫ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে বিসিসিআইয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের দুর্নীতি দমনশাখা ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ক পরামর্শদাতা ছিলেন নীরজ। প্রাক্তন এই আইপিএস অফিসারকে কাজের জন্য তাঁকে নিয়মিত ক্রিকেটারদের সাথে যোগাযোগ রাখতে হত। ফলে ক্রিকেটারদের চরিত্র এবং খুটিনাঁটি তাঁর নখদর্পনে। কোন ক্রিকেটার কেমন চরিত্রের? কেমন ব্যবহার করতেন সবার সঙ্গে? এই বিষয়ে মুখ খুলেছেন নীরজ কুমার।
সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে নীরজ কুমনার বলেছেন, তাদের অনেক ছিল. একজন তাদের সত্যিই গর্বিত করা উচিত. তারা সবাই আমাকে অনেক সম্মান দিয়েছে। কিন্তু দু'জন যাদের সম্পর্কে বেশি কথা বলা হয় না তারা হলেন ভুবনেশ্বর কুমার এবং অজিঙ্কা রাহানে, অসামান্য মানুষ, পুঙ্খানুপুঙ্খ ভদ্রলোক।'

তবে কয়েকজনের মুখের ভাষা যে সঠিক ছিল না তাঁর সময়ে ভারতীয় দলে, সেকথাও উল্লেখ করেছেন নীরজ কুমার। তাঁর বক্তব্য। কয়েকজন ক্রিকেটারের হিন্দিতে মুখের ভাষা হয়তো খারাপ। তবে আমার মনে হয়েছে, ওঁরা ওভাবেই কথা বলেন। তবে সকলেই প্রচুর সম্মান করেছেন আমাকে।
নীরজ কুমার, একজন বিখ্যাত আইপিএস অফিসার যিনি ৩৭ বছর ধরে দায়িত্ব পালন করেছিলেন, তিনি যখন দিল্লি পুলিশের দায়িত্বে ছিলেন তাঁর নির্দেশনায় আইপিএলের স্পট ফিক্সিং কাণ্ডে তদন্ত হয়েছিল। প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার এস শ্রীসন্থ এবং রাজস্থান রয়্যালসের সতীর্থ ক্রিকেটার অজিত চান্দিলা এবং অঙ্কিত চৌহানকে স্পট ফিক্সিংয়ের অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছিল।
শ্রীসন্থ প্রসঙ্গে নীরজ কুমার বলেছেন, আইনের অভাবে স্পট ফিক্সিং কাণ্ড থেকে পরিত্রাণ পেতে সক্ষম হয়েছেন শ্রীসন্থ। মামলাটি আপাতদৃষ্টিতে কোথাও যায়নি। দুর্ভাগ্যবশত, ক্রিকেটে দুর্নীতি বা সাধারণভাবে খেলাধুলায় দুর্নীতি মোকাবেলা করার জন্য (ভারতে) কোনো আইন নেই,এমনকি জিম্বাবোয়ের মতো দেশেও সুনির্দিষ্ট আইন আছে। অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ডে আছে। ইউরোপে আইন আছে কারণ দুর্নীতি শুধু ক্রিকেটে নয়, ফুটবল, টেনিস, গলফেও আছে।'ডায়াল ডি ফর ডন', 'আ কপ ইন ক্রিকেট' সহ একাধিক বইও লিখেছেন নীরজ কুমার।












Click it and Unblock the Notifications