FIFA World Cup 2022: ফিফা বিশ্বকাপ আর্জেন্তিনা তৃতীয়বার জিতলেই গড়ে ফেলবে কোন কোন নজির?
ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে রবিবার লুসাইল স্টেডিয়ামে আর্জেন্তিনা খেলতে নামছে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে। যে দলই জিতবে তারা তৃতীয়বার বিশ্বকাপ জয় নিশ্চিত করে ফেলবে। লিওনেল মেসি বনাম কিলিয়ান এমবাপের দ্বৈরথের আগে একনজরে দেখে নেওয়া যাক চ্যাম্পিয়ন হলে আর্জেন্তিনা কোন কোন নজির গড়বে।

৩৬ বছরের প্রতীক্ষা
১৯৮৬ সালে শেষবার বিশ্বকাপ জিতেছিল আর্জেন্তিনা। ফলে এবার চ্যাম্পিয়ন হলে কাপ জয়ের ৩৬ বছরের খরা মিটবে। ২০১৪ সালে শেষবার বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলেছিল আর্জেন্তিনা, তবে মেসির বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন অপূর্ণই থেকে গিয়েছে। ড্যানিয়েল পাসারেলা ও দিয়েগো মারাদোনার পর তৃতীয় অধিনায়ক হিসেবে বিশ্বকাপ জিততে বদ্ধপরিকর এলএম টেন। এখনও অবধি তিনটি বা তার বেশি বিশ্বকাপ জেতার নজির রয়েছে ব্রাজিল (৫ বার), জার্মানি ও ইতালি (৪ বার করে)-র।

ইউরোপের দাপট খর্ব
আর্জেন্তিনা যদি এবার বিশ্বকাপ জিততে পারে তাহলে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার নিরিখে ইউরোপের দলগুলির টানা জয়ের ধারা থমকে যাবে। ২০০২ সালে ব্রাজিল শেষবার লাতিন আমেরিকার দেশ হিসেবে বিশ্বকাপ জিতেছিল। ২০০৬ থেকে বিশ্বকাপ টানা জিতে আসছে ইউরোপের দেশগুলি। ২০০৬ সালে জেতে ইতালি, ২০১০ সালে স্পেন, ২০১৪ সালে জার্মানি ও ২০১৮ সালে ফ্রান্স।

তৃতীয়বার বিশ্বকাপ জয়ের হাতছানি
আর্জেন্তিনা এবার নিয়ে ষষ্ঠ বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলছে। জিতেছে ২ বার, হেরেছে ৩ বার। ১৯৭৮ ও ১৯৮৬ সালে বিশ্বকাপ জেতে আর্জেন্তিনা। ১৯৩০, ১৯৯০ ও ২০১৪ সালে ফাইনাল খেলেও অধরাই থেকে গিয়েছে বিশ্বকাপ। এটাই শেষ বিশ্বকাপ লিওনেল মেসির। এরপর দেশের হয়ে খেলবেন কিনা তা নিয়েও জল্পনা তৈরি হয়েছে মেসির সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকার ঘিরে। কেরিয়ারে বিশ্বকাপ অভিযান কাপ জিতেই স্মরণীয় করে রাখতে চাইবেন মেসি। ২০০২ সালের ফাইনালে জার্মানিকে ২-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতেছিল ব্রাজিল। তারপর আর্জেন্তিনার সামনেই ইউরোপের কোনও দেশকে ফাইনালে হারিয়ে কাপ জয়ের হাতছানি।

প্রথম ম্যাচে হেরেও কাপ জয়
আর্জেন্তিনা চ্যাম্পিয়ন হলে আরও একটি নজির গড়ে ফেলবে। স্পেন ২০১০ সালের বিশ্বকাপ জিতেছিল গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে পরাস্ত হয়েও। সেবার স্পেনকে ১-০ গোলে হারিয়েছিল সুইৎজারল্যান্ড। এবার আর্জেন্তিনা এক গোলে এগিয়ে থেকেও প্রথম ম্যাচে সৌদি আরবের কাছে ১-২ গোলে পরাস্ত হয়। পরিসংখ্যান বলছে, আর্জেন্তিনার আগে চারটি দল বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ হেরে ফাইনাল খেলেছে। বিশ্বকাপের ইতিহাসে ফ্রান্সকে দ্বিতীয়বার রানার-আপ হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হবে। ২০০৬ সালের বিশ্বকাপে ফাইনালে ইতালির বিরুদ্ধে ম্যাচ নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ে ১-১ থাকায় ফলাফল নির্ধারিত হয়েছিল পেনাল্টি শ্যুটআউটে। ৫-৩ গোলে ইতালি জয়লাভ করেছিল।












Click it and Unblock the Notifications