ইংল্যান্ডের দখলে এখন জোড়া বিশ্বকাপ! সাদা বলে ধারাবাহিক সাফল্যের প্রধান ফ্যাক্টর কী?

২০১০ সালে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে টি ২০ বিশ্বকাপ জিতেছিল ইংল্যান্ড। এবার অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে পাকিস্তানকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের জন্য টি ২০ বিশ্বজয়। শুধু তাই নয়, ২০১৬ সাল থেকে ধরলে সাদা বলের ক্রিকেটে বিশ্বকাপে তিনবার ফাইনাল খেলেছে ইংল্যান্ড। গত বছর টি ২০ বিশ্বকাপে সেমিফাইনাল। ২০১৬ সালে টি ২০ বিশ্বকাপে রানার-আপ। ২০১৯ সালে ৫০ ওভারের বিশ্বকাপ জয়ের পর এবার টি ২০ বিশ্বকাপও থ্রি লায়ন্সের দখলে।

ধারাবাহিকভাবে সফল

এবারের টি ২০ বিশ্বকাপে সুপার টুয়েলভের ২ নম্বর দল হিসেবে সেমিফাইনালে উঠেছিল ইংল্যান্ড। আয়ারল্যান্ডের কাছে হেরে যাওয়ার পর দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় জস বাটলারের দল। গত টি ২০ বিশ্বকাপে ইয়ন মর্গ্যানের নেতৃত্বাধীন ইংল্যান্ড সেমিফাইনালে পরাস্ত হয়েছিল নিউজিল্যান্ডের কাছে। নিজের জায়গা আঁকড়ে ধরে না রেখে মর্গ্যান আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিদায় নিতে দেরি করেননি। তাতে ভালোভাবে এবারের জন্য বিশ্বকাপের প্রস্তুতিও নিতে পেরেছে ইংল্যান্ড। দেশের মাটিতে ভারতের কাছে টি ২০ সিরিজ হারার কয়েক মাসের মধ্যেই ইংল্যান্ড টি ২০ বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। সবচেয়ে বড় কথা ৬ বছরের ব্যবধানে তিনটি বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলে দুবার চ্যাম্পিয়ন হওয়া ধারাবাহিকতারই প্রমাণ রাখে।

স্প্লিট কোচিং, স্প্লিট ক্যাপ্টেন্সিতেও সাফল্য

ইংল্যান্ডে এখন টেস্ট এবং সাদা বলের ক্রিকেটে কোচ ও অধিনায়ক আলাদা। সাদা বলের দুটি বিশ্বকাপ জয়ের পিছনেই অবশ্য অবদান রইল টেস্ট দলের অধিনায়ক বেন স্টোকসের। বাটলার সীমিত ওভারের দলের অধিনায়ক। হেড কোচ ম্য়াথু মট। টেস্টের হেড কোচ ব্রেন্ডন ম্যাকালাম। ফলে স্প্লিট কোচিং বা স্প্লিট ক্যাপ্টেন্সি নিয়ে যাঁরা গেল গেল রব তোলেন, তাঁদের ভুল প্রমাণ করে ছাড়তেই পারে ইংল্যান্ডের সাফল্য। ইংল্যান্ডের ক্রিকেটাররা বিভিন্ন দেশে টি ২০ লিগ খেলেন। আবার দেশকে গুরুত্ব না দিয়ে আইপিএল খেলতে লালায়িতও থাকেন না। টি ২০ বিশ্বকাপ ফাইনাল ও টুর্নামেন্টের সেরা স্যাম কারান তার বড় প্রমাণ।

অনবদ্য গভীরতা

ইংল্যান্ডের ব্যাটিং গভীরতাও অনবদ্য। সেইসঙ্গে রয়েছেন একঝাঁক এমন প্লেয়ার যাঁরা ব্যাটে-বলে দলের জয়ে অবদান রাখতে পারদর্শী। বেন স্টোকস, ক্রিস ওকস, স্যাম কারান থেকে আদিল রশিদ, ক্রিস জর্ডন, লিয়াম লিভিংস্টোন রয়েছেন। মঈন আলিকে তো হাতই ঘোরাতে হচ্ছে না আজকাল। ব্যাটার হিসেবেই খেলছেন। স্যাম কারান চলতি টি ২০ বিশ্বকাপে সর্বাধিক উইকেটশিকারীদের মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে রইলেন ১৩ উইকেট নিয়ে। কয়েক বছর বাদে দলে ফিরে অ্যালেক্স হেলস যেমন ইংল্যান্ডের সাফল্যে অবদান রাখছেন, তেমনই ফিল সল্ট, হ্যারি ব্রুকের মতো তরুণরাও ভরসা দিচ্ছেন।

দল নির্বাচন ফ্যাক্টর

ইংল্যান্ডের দল নির্বাচন যে বড় ফ্যাক্টর তা মানছেন সুনীল গাভাসকরও। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে তিনি বলেন, ইংল্যান্ডের দল বাছাইয়ের নীতিই ফারাক গড়ে দিচ্ছে। জো রুট টেস্ট ক্রিকেটের কিংবদন্তি, বিশ্বের চার সেরা ব্যাটারের অন্যতম। কিন্তু ইংল্যান্ডের টি ২০ খেলার ধরনের সঙ্গে মানানসই না হওয়ায় রুটের মতো ক্রিকেটাররা টি ২০ দলে সুযোগ পান না। তাঁকে দলে নেওয়াই হয় না। ইংল্যান্ড ফিল সল্ট, হ্যারি ব্রুকের মতো ক্রিকেটারদের দলে নিয়েছে, তাঁরা ফারাকও গড়়ছেন। গাভাসকরের এই বক্তব্যের নিশানা ভারতীয় নির্বাচকরাই, উপলব্ধি ক্রিকেটপ্রেমীদের।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+