BCCI: বিসিসিআইয়ের আয়ের অঙ্কে বিপুল বৃদ্ধি, কাল বড় পদক্ষেপের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক

BCCI: বিসিসিআইয়ের আয়ের পরিমাণ বাড়ল উল্লেখযোগ্য। গত অর্থবর্ষের তুলনায় এবার বোর্ডের কোষাগারে আয় বেড়েছে ৪২০০ কোটি টাকা।

যার ফলে, ২০২৪ অর্থবর্ষে বোর্ডের আয়ের পরিমাণ দাঁড়াল ২০,৬৮৬ কোটি টাকা। জানা গিয়েছে, বোর্ডের আয়ের বেশিরভাগটাই আসে আইপিএল মিডিয়া স্বত্ত্ব ও দেশের মাটিতে দ্বিপাক্ষিক সিরিজের স্বত্ত্ব থেকে।

BCCI

বিশ্বে সবচেয়ে ধনী ক্রিকেট বোর্ডের তকমা আগেই পেয়েছে বিসিসিআই। ক্রিকেটের অন্যতম শক্তিধর দেশ হিসেবে আইসিসির রাজস্বের বিপুল ভাগ আসে বিসিসিআইয়ের ঝুলিতে। বোর্ডের এবার আয় বৃদ্ধির পিছনে অবদান রয়েছে জয় শাহর।

জয় বিসিসিআইয়ের সচিব হিসেবে নানা উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ করেছেন। বিসিসিআইয়ের সচিব পদ ছেড়ে তিনি চলতি মাসের গোড়া থেকে আইসিসির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিয়েছেন। উল্লেখ্য, জয় সচিব থাকাকালীন আইপিএল মিডিয়া স্বত্ত্ব পাঁচ বছরের জন্য ৪৮,৩৯০ কোটি টাকায় বিক্রি হয়েছিল।

সংবাদসংস্থা পিটিআইয়ের দাবি, ২০২৩ অর্থবর্ষে বিসিসিআইয়ের ক্যাশ ও ব্যাঙ্ক ব্যালান্স ছিল ১৬,৪৯৩ কোটি টাকা। সেটাই ২০২৪ অর্থবর্ষে বেড়ে হয়েছে ২০,৬৮৬ কোটি টাকা। প্রায় ৪২০০ কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে বোর্ডের আয়।

জানা গিয়েছে, ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে বোর্ডের আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭,৪৭৬ কোটি টাকা। শেষ অবধি তা গিয়ে দাঁড়ায় ৮,৯৯৫ কোটি টাকায়। জেনারেল ফান্ড ৬,৩৬৫ কোটি টাকা থেকে বেড়ে হয়েছিল ৭,৯৮৮ কোটি টাকা।

২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে বিসিসিআই ১০,০৫৪ কোটি টাকা আয়ের লক্ষ্যমাত্রা রেখেছে। মোট বাজেট বরাদ্দ ২,৩৪৮ কোটি টাকা। বিসিসিআইয়ের অনুমোদিত ৩৮টি রাজ্য সংস্থা বোর্ডের অনুদানের উপর অনেকটাই নির্ভর করে। তারা সবমিলিয়ে প্রায় ৪৯৯ কোটি টাকা পাবে।

জয় শাহ বিসিসিআই সচিব হিসেবে পদত্যাগের পর যুগ্ম সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া অন্তর্বর্তী সচিবের দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁকে নিযুক্ত করেছেন বোর্ড সভাপতি রজার বিনি। মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী হওয়ায় বোর্ডের কোষাধ্যক্ষের পদ ছেড়েছেন আশিস শেলার। এই পদে এখনও কেউ বসেননি। তবে দুই পদেই নির্বাচন করাবে বিসিসিআই।

কাল বোর্ডের অ্যাপেক্স কাউন্সিলের সভা ডাকা হয়েছে। সেই বৈঠকে প্রাক্তন নির্বাচন কমিশনার অচল কুমার জ্যোতিকে সচিব ও কোষাধ্যক্ষ পদের নির্বাচন করানোর নির্বাচনী অফিসার হিসেবে নিয়োগের বিষয়টি চূড়ান্ত হবে। বোর্ডের সংবিধান অনুযায়ী, কোনও পদাধিকারী পদত্যাগ করলে ৪৫ দিনের মধ্যে বিশেষ সাধারণ সভা ডেকে উত্তরসূরি চূড়ান্ত করতে হয়।

নির্বাচনের চার সপ্তাহ আগে নিয়োগ করতে হয় ইলেক্টরাল অফিসার। সেটাই এবার করা হচ্ছে। জানা যাচ্ছে, বছর একাত্তরের অচল কুমার জ্যোতি ১৯৭২ সালের গুজরাত ক্যাডারের প্রাক্তন আইএএস অফিসার। তিনি ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ছিলেন ২০১৭ সালের জুলাই থেকে ২০১৮-র জানুয়ারি অবধি।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+