রাত নামতেই আতঙ্ক বকটুই গ্রামে! শেষ সম্বল নিয়েই গ্রাম ছেড়ে পালাচ্ছেন গ্রামবাসীরা
রাত নামতেই আতঙ্ক বগটুই গ্রামে! শেষ সম্বল নিয়েই গ্রাম ছেড়ে পালাচ্ছেন গ্রামবাসীরা
গোটা রাত জুড়ে দাপাদাপি! যেভাবেই হোক নিতে হবে তাঁদের নেতার প্রতিশোধ। আর সেই কারণে একেবারে একের পর এক বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ। শুধু তাই নয়, বাইরে থেকে দরজা আটকে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার মতোও মারাত্মক অভিযোগ সামনে এসেছে। আর যার ফলস্বরূপ একাধিক প্রাণ চলে গেল! যদিও ঘটনায় মৃতের সংখ্যা নিয়ে একটা ধোঁয়াশা রয়েছে। দমকলের তরফে সকালে ১০ জন বলা হলেও পরে পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে সংখ্যাটা ৮!

নারকীয় এই ঘটনায় তীব্র আতঙ্ক তৈরি হয়েছে
তবে কার্যত নারকীয় এই ঘটনায় তীব্র আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। রামপুরহাটের বগটুই গ্রামে যে এমন অন্ধকার নেমে আসতে পারে তা বুঝতেও পারেননি সেখানকার মানুষ! আর সেই কারণে এই ঘটনায় যেন হঠাত সেখানে থমকে গিয়েছে সবকিছু। হঠাত করেই শশ্মানের নিস্তব্ধতা নেমে এসেছে গোটা গ্রামে। তীব্র আতঙ্ক আর ভয় যেন সেখানকার মানুষগুলিকে হঠাত করেই চুপ করিয়ে দিয়েছে। আজ যেন কেউ ফিসফিস করে কথা বলতেও ভয় পাচ্ছেন।

ঘটনার পর থেকেই পুরুষ শূন্য গোটা গ্রাম
তবে ঘটনার পর থেকেই পুরুষ শূন্য গোটা গ্রাম। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার পরেই যে যেখানে পেরেছেন পালিয়েছেন। পুলিশের বুটের আওয়াজ আর সাংবাদিকদের আওয়াজ যেন স্পষ্ট শোনা যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, রাতের অন্ধকারে আগুন লাগিয়ে দেওয়া বাড়িগুলি থেকে দুপুর পর্যন্ত ধোঁয়া বের হতে দেখা গিয়েছে। চারপাশ শুধু ঘিরে রেখেছে পুলিশ। তবে জানা যাচ্ছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঘটনাস্থলে পৌঁছয় সিআইডির একটি দল। সরজমিনে পরিস্থিতি তদন্ত করছেন তাঁরা।

রাত নামতেই আরও পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠল!
তবে রাত নামতেই আরও পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠল! আবার হতে পারে হামলা। আর সেই আশঙ্কা থেকে বাড়ি ছাড়া শুরু। যে যেখানে যেভাবে পারছেন পালানোর চেষ্টা করছেন। যতটা নিতে পারছেন নিচ্ছেন আর নিয়েই গ্রাম ছাড়ছেন। কিন্তু কেন নিজের বাড়ি ছাড়ছেন তাঁরা? ভয় নিয়েই এক মহিলা জানালেন, আবার যদি রাতের অন্ধকারে হামলা হয়। আগুন লাগিয়ে দেয়। পুলিশের যে কোনও আস্থা নেই তা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন ওই গ্রামের মানুষ।

ছোট একটা গ্রাম বগটুই!
রামপুরহাটের ছোট গ্রাম বগটুই! গ্রামে শ-খানেক পরিবারের বসবাস। বেশিরভাগই গরীব মানুষের বসবাস। ধানের গোলা-টিনের চাপের বাড়ি। যদিও এর মধ্যে মাথা চাড়া দিচ্ছে বেশ কয়েকটি বড় বাড়ি। কিন্তু সেই গ্রামের ছবিটা বদলে গিয়েছে। চারপাশ জুড়ে শুধুই চাপা আতঙ্ক। সোমবার রাতের কথা জিজ্ঞেস করলেই খিল উঠছে দরজায়।












Click it and Unblock the Notifications