এবার কি এনআইএ জেরার মুখে পড়বেন অনুব্রত মণ্ডল? কিন্তু কেন?
এবার কি এনআইএ তদন্তের আওতাতেও আনা হবে অনুব্রত মণ্ডলকে? সেই জল্পনা চলছে। বীরভূমে বিশাল পরিমাণ ডিটোনেটর উদ্ধার হয়েছিল। সেই তদন্তের ভার এনআইএ-র উপর পড়েছে। আর সেখানেই নতুন করে একাধিক সম্ভাবনার কথা উঠে আসছে।
জানা যাচ্ছে, এনআইএ অনুব্রত মণ্ডলের দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকে জেরা করতে চাইছে। এই ডিসেম্বর মাসেই এই জেরা হতে পারে৷ তিহার জেলে গিয়েই তদন্তকারীরা জিজ্ঞাসাবাদ করবেন। এরপর তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলকেও জেরা করার সম্ভাবনা থাকছে। ডিসেম্বর মাসেই এই জেরা হতে পারে বলে অনুমান।

২০২২ সালে বীরভূমে ২১ হাজার ডিটোনেটর পাওয়া যায়। পুলিশ ওই বিশাল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার করে৷ এরপর ওই মামলার তদন্তের ভার নেয় এনআইএ। একের পর এক তথ্য বার হতে থাকে। বেআইনি পাথরখাদানের ব্যবসা চলত বীরভূম জেলায়।
অবৈধ ওইসব পাথরখাদানে বিস্ফোরণের জন্য ওইসব ডিটোনেটর ব্যবহার করা হত। সেই ঘটনার সঙ্গেও কানাঘুষোয় শোনা গিয়েছে তৃণমূলের বীরভূমের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল ও দেহরক্ষী সায়গল হোসেনের নাম৷ তদন্তে একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
জেরায় একাধিক তথ্য উঠে এসেছে। জানা গিয়েছে, আদালতে এখনও পর্যন্ত ১২ হাজার পাতার চার্জশিট জমা পড়েছে। ৯ জনের বিরুদ্ধে ৩ টি চার্জশিট পেশ করা হয়েছে। এছাড়াও আরও দুটি সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট পেশ করা হয়েছে বলে খবর।
তাহলে কি এই মামলাতেও অনুব্রত মণ্ডলের নাম জড়িয়ে যাচ্ছে? গোরু, কয়লা পাচারের পর এবার বিস্ফোরক আনার মামলাতেও জড়িয়ে পড়বেন তৃণমূলের একদা এই দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা? সায়গল হোসেনকে আগে জেরা করতে চাইছে এনআইএ। তারপর অনুব্রত মণ্ডলকেও জেরা করা হবে। সূত্র মারফত এমনই কথা পাওয়া যাচ্ছে।
গতকাল সোমবার রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী রামপুরহাটে সভা করেছিলেন। সেখানেই ডিটোনেটর প্রসঙ্গ তোলেন তিনি৷ শুধু তাই নয়, ডিসেম্বর মাসে আবার কিছু হতে চলেছে। তারও ইঙ্গিত দিয়েছেন। তাহলে কি বীরভূম জেলাজুড়ে ফের ধরপাকড় শুরু হবে? ফের একাধিক তৃণমূল নেতা গ্রেফতার হওয়ার সম্ভাবনা আছে?












Click it and Unblock the Notifications