'জিট্টি' ভাইয়ের পরে কারা ইডির সম্ভাব্য তালিকায়, ইঙ্গিত শুভেন্দু অধিকারীর! জাতীয় সঙ্গীত নিয়ে কটাক্ষ 'ভাইপো'কে
ফের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নিশানায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজনৈতিক সভায় না গিয়ে ঘরে বসে জাতীয় সঙ্গীত পড়তে পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
বীরভূমের মাটিতে দাঁড়িয়ে ফের একবার 'ভাইপো'র পাশাপাশি অমর্ত্য সেনকে নিশানা করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবারের ঘনিষ্ঠ জিট্টি ভাইকে ইডি তলব করেছে। তারপর একের পর এক বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবারের সদস্যদের ইডি তলব করবে বলে এদিন ইঙ্গিত করেছেন শুভেন্দু অধিকারী।

বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবারের যৌথ সম্পত্তি
সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী মনজিৎ সিং গ্রেওয়াল ওরফে জিট্টি ভাইয়ের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর ভাইয়ের স্ত্রীর যৌথ সম্পত্তি রয়েছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'শান্তিনিকেতনে'র আটটি বাড়ি পরেই রয়েছে সেই সম্পত্তি। এব্যাপারে এদিন প্রশ্ন করা হলে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, তিনিও সেই খবর মিডিয়ায় দেখেছেন। তিনি আরও বলেছেন, ইডির দিল্লি অফিস সোমবার জিট্টি ভাইকে ডেকেছে। তিনি বলেন, নিশ্চিতভাবে কান টানলে মাথা আসবে।

জিট্টি ভাইয়ের পরে কে
শুভেন্দু অধিকারী এদিন ময়ূরেশ্বরে বিজেপি নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের কথা উল্লেখ করেন। প্রসঙ্গত জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় সেখানে বলেছে, ছোট জালে পুটি, মৌরলা, ট্যাংরার মতো মাছ উঠছে। এরপর চট জাল দিলে পুরো অংশটাই ভিতরে চলে যাবে। তিনি কটাক্ষ করে বলেন, পিসি যাবে, ভাইপো যাবে, ভাইপোর বউ যাবে, ভাইপোর শ্যালিকা যাবে, ভাইপোর বাবা যাবে, ভাইপোর মা যাবে, পিসির ভাই যাবে, তাঁর সঙ্গে তাঁর স্ত্রী যাবে।

ত্রিপুরায় নোটার থেকে কম ভোট
শুভেন্দু অধিকারী এদিন ফের একমাত্র ত্রিপুরায় তৃণমূলের সম্ভাবনা নিয়ে কটাক্ষ করে বলেন, সেখানে তারা নোটার থেকে কম ভোট পাবে। এদিন বিরোধী দলনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া নিয়ে কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন, এদিন মাথাভাঙায় জাতীয় সঙ্গীত ভুল গেয়েছে। তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, ওকে বলুন আগামী একমাস জাতীয় সঙ্গীত পড়তে আর আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে তা বলতে। তারপরেই তিনি যেন রাজনৈতিক সভায় যান। কুণাল ঘোষকে নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি ফের একবার বলেন, চোরের কথার উত্তর তিনি দেন না। উনি (কুণাল ঘোষ) যেন সারদার টাকা ফেরত দেন।

নিশানায় অমর্ত্য সেন
বীরভূমের মাটিতে সভা অথচ অমর্ত্য সেন কে নিয়ে কোনও প্রশ্ন আসবে না, তা হতে পারে না। বীরভূমের ময়ূরেশ্বরে বিরোধী দলনেতার সামনে প্রশ্ন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রধানমন্ত্রী পদ নিয়ে অমর্ত্য সেনের মন্তব্য। যদিও এব্যাপারে অমর্ত্য সেন আগেই জানিয়েছেন, তিনি বলেছিলেন, অন্য যাঁরা বিরোধীদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী পদের দাবিদার তাঁদের মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও রয়েছেন, সেরকম মন্তব্যই করতে চেয়েছিলেন তিনি। এব্যাপারে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, তিনি সিনিয়র সিটিজেন। কোভিডের সময় দেখা যায়নি তাঁকে বীরভূমের গরিব মানুষ, জনজাতি মানুষজনের কাজ ছিল না। তিনি যদি সেই সময় ৫ কেজি চাল ২ কেজি গম বিতরণ করতেন, তাহলে মানুষ মনে রাখত। বিরোধী দলনেতা বলেন, উনি বিদেশে থাকুন এবং বিশ্রাম করুন। তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গের ব্যাপারে উনার নাক না গলানই ভাল। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা নেই। কেননা তিনি (শুভেন্দু) আগেই বলেছেন, স্যান্ডো গেঞ্জিতে সেদিন বুক পকেট হবে, সেদিন উনি প্রধানমন্ত্রী হবেন।












Click it and Unblock the Notifications