জলমগ্ন বীরভূমের কঙ্কালীতলা মন্দির, দ্বারকার জলে ভেসেছে চারপাশ
দ্বারকার জলে ভেসে গিয়েছে চারপাশ। গভীর নিম্নচাপের বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত বীরভূমের বহু এলাকা। বোলপুরের কঙ্কালীতলা মন্দিরে পরিস্থিতি যথেষ্ট উদ্বিগ্নের। কারণ, মন্দির ও আশপাশ এলাকা জলে ডুবে রয়েছে। পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হবে? তাই নিয়ে প্রশ্ন ঘুরছে।
সোমবার মন্দির প্রাঙ্গণে গলা পর্যন্ত জল ছিল। রীতিমতো সেই জল ভেঙে মন্দির যাওয়া অসম্ভব ছিল। কোনও রকমে পুজো করা হয় মা কঙ্কালীর। সোমবার রাত থেকে কিছুটা পরিস্থিতির উন্নতি হয়। মঙ্গলবার জল আরও কিছুটা নেমেছে। তবে এখনও কোমরের বেশি সমান জলের নীচে এই সতীপীঠ।

কোপাই নদীর জল আশেপাশের গোটা এলাকা ভাসিয়ে দিয়েছে। এখনও রাস্তার উপর দিয়ে জল বইছে। গোয়ালপাড়া সেতুর উপরেও নদীর জল রয়েছে। ফলে সেই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত সম্পূর্ণ বন্ধ। বোলপুর থেকে পাড়ুই যাওয়ার রাস্তা বন্ধ করা হয়েছে।
কঙ্কালীতলা মন্দিরে যাওয়ার অবস্থা এই মুহূর্তে নেই। সাধারণ দর্শনার্থীরা সেই জল ভেঙে যেতে পারবেন না। কেবল নিত্য পুজোর কাজের জন্য যেতে হয়েছে সেখানে। জানা গিয়েছে, মন্দিরের গর্ভগৃহের দরজা বন্ধ রয়েছে। মূল মন্দির চত্বরে অনেক জল। সেই জলের কারণে মূল মন্দিরে সকালে পুজো করা যায়নি। দেবী কঙ্কালীর পুজো পাশের শিব মন্দিরে ব্যবস্থা করা হয়েছে। জল না নামলে কঙ্কালীতলার মূল মন্দিরে পুজোর কাজ শুরু করা যাবে না। এই কথা জানানো হয়েছে।
জানা গিয়েছে, কোপাই নদীর নদীর জলে অন্তত ১২ টি গ্রাম ডুবে গিয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতির দিকে নজর রেখেছে। রবিবার থেকে বীরভূমে যথেষ্ট বৃষ্টি হয়েছে। নিম্নচাপের বৃষ্টির কারণে দ্বারকা ও কোপাই নদীর জল ফুলেফেঁপে ওঠে। রবিবার রাত থেকেই জলমগ্ন হয়ে যায় বিস্তীর্ণ এলাকা।
সোমবার বিকেলের পর থেকে বৃষ্টি পরিমাণ কমেছে। বীরভূম জেলায় নতুন করে কোনও জায়গা প্লাবিত হওয়ার খবর আসেনি। প্লাবিত হওয়া এলাকার জল নামতে শুরু করেছে। এই কথাও জানা যাচ্ছে। তারাপীঠ মন্দির অঞ্চল জলমগ্ন ছিল সোমবার। তবে সেই জল এদিন নেমেছে বলে খবর। প্রশাসন পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছে। বীরভূম জেলার পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন নবান্ন। গতকাল সোমবার রাতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বীরভূমের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেছিলেন। বন্যার আশঙ্কা করেছিলেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications