এফআইআর কপি সিটের কাছ থেকে চাইল সিবিআই! আনারুলকে মূল চক্রী বলছে পুলিশ
আর এই নির্দেশ সামনে আসার পরেই জরুরি বৈঠকে বসলেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিকরা। শুধু তাই নয়, সিটের সঙ্গেও কথা সিবিআইয়ের। ঘটনার পরেই রাজ্য পুলিশের দক্ষ অফিসারদের নিয়ে সিট গঠনের নির্দেশ দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
রামপুরহাট-কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে। আর এই নির্দেশ সামনে আসার পরেই জরুরি বৈঠকে বসলেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিকরা। শুধু তাই নয়, সিটের সঙ্গেও কথা সিবিআইয়ের। ঘটনার পরেই রাজ্য পুলিশের দক্ষ অফিসারদের নিয়ে সিট গঠনের নির্দেশ দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
তাঁরাই কয়েকদিন ধরে তদন্ত করছিলেন। আর তাঁদের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য জানতেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিকের ফোন বলে জানা যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, এফআইআরের কপিও চাওয়া হয়েছে।

ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই বৈঠক হয়
জানা যাচ্ছে, হাইকোর্টের নির্দেশ সামনে আসার পরেই একটি বৈঠক হয়। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই বৈঠক হয়। যেখানে দিল্লির অফিসারদের সঙ্গে কলকাতার আধিকারিকদের ঘটনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। জানা যাচ্ছে, এই বৈঠকের পরেই দক্ষ অফিসারদের নিয়ে টিম গঠন হবে। আর এরপরেই মামলা রুজু করা হবে সিবিআইয়ের তরফে। একই সঙ্গে ঘটনার কেস ডায়েরিও সিবিআই-য়ের হাতে তুলে দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।

সিবিআইয়ের তরফে এহেন ফোন
অন্যদিকে ঘটনার আইওকে সিবিআইয়ের তরফে এহেন ফোন করা হয়। যেখানে সিট সিবিআইকে সবরকম ভাবে সাহায্য করা হবে বলে জানানো হয়। ইতিমধ্যে আজ শুক্রবার সেন্ট্রাল ফরেন্সিক সায়েন্স ল্যাবের বিশেষজ্ঞ দল বগটুই গ্রামে যান। পুরো এলাকা ঘুরে দেখান তাঁরা। আর এরপর শনিবার থেকেই একেবারে পুরোদমে তদন্ত শুরু করে দেবে সিবিআইয়ের আধিকারিকরা। এমনটাই জানা যাচ্ছে, সিবিআই সুত্রে খবর, প্রায় ১০ জনকে নিয়ে একটি সম্ভবত এই মামলার তদন্তের তৈরি করা হতে পারে।

১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ
অন্যদিকে এই ঘটনার অন্যতম অভিযুক্ত আনারুল ইসলামের আজ ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যদিও আনারুলের তরফে আজ শুক্রবার শুনানিতে জামিনের আবেদন জানানো হয়। আইনজীবী বলেন, ঘটনার পর থেকেই এলাকাতেই রয়েছেন আনারুল। কোথাও পালাননি। হোঠাত করে ২৪ তারিখ উনি দোষী হয়ে গেলেন। এর আগে তাঁকে ধরাই হল না। পুরো তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলেনে আনারুলের আইনজীবী। একই সঙ্গে জামিনেরও আবেদন জানানো হয়। যদিও তা খারিজ করে দেওয়া হয়।

অন্যতম মূল চক্রী!
অন্যদিকে আনারুলকে ঘটনার অন্যতম মূল চক্রী হিসাবে এদিন আদালতে দাবি করেন সরকারি আইনজীবী। সওয়াল-জবাবে তিনি বলেন, ওনাকে জেরা করলে আরও নাম সামনে আসবে। আর সেই কারণে আইনজীবী আনারুলের পুলিশ হেফাজতের দাবি জানান। আর তা মঞ্জুর করে রামপুরহাট আদালত।












Click it and Unblock the Notifications