সবাই পাতা খাচ্ছে, নেশাখোরে ভরে গিয়েছে বিশ্বভারতী! রবীন্দ্রনাথ বেঁচে থাকলে সুইসাইড করতেন বলে মত কেষ্টার

বীরভুমের বোলপুরে রাজ্যের কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের একটি সম্মেলন ছিল আজ মঙ্গলবার। আর সেখানেই যোগ দেন অনুব্রত মন্ডল। আর সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে উঠেই বিতর্কিত মন্তব্য করে বসলেন তিনি। তাঁর মতে, বিশ্বভারতীর ছেলেমেয়ের

বিতর্কিত মন্তব্য করে বসলেন বীরভূমের বেতাজ বাদশা। আর এরপরেই জেলাজুড়ে বিতর্ক তুঙ্গে। তবে বিতর্ক হলেও তা নিয়ে বিশেষ মাথা ঘামাতে নারাজ অনুব্রত মন্ডল।

রবীন্দ্রনাথ বেঁচে থাকলে সুইসাইড করতেন বলে মত কেষ্টার

বীরভুমের বোলপুরে রাজ্যের কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের একটি সম্মেলন ছিল আজ মঙ্গলবার। আর সেখানেই যোগ দেন অনুব্রত মন্ডল। আর সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে উঠেই বিতর্কিত মন্তব্য করে বসলেন তিনি। তাঁর মতে, বিশ্বভারতীর ছেলেমেয়েরা 'পাতা' খাচ্ছে। আর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জীবিত থাকলে এ সব দেখে আত্মহত্যা করতেন।

তাঁর এই মন্তব্যের পরেই সমালোচনার ঝড় রাজ্যজুড়ে। কেন এমন মন্তব্য তাঁর? যদিও এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি তৃণমূল জেলা সভাপতির। যদিও বিষয়টি নিয়ে গুরুত্ব দিতে নারাজ শাসকদল তৃণমূল।

এদিন কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের সম্মেলনে যোগ দিতে অনুব্রত মন্ডল বলেন, সকালে দুটি অভিযোগ পেয়েছি। বিশ্বভারতীতে নাকি নেশাখোরে ভরে গিয়েছে। বিস্ফোরক দাবি তাঁর। এখানেই শেষ নয়, অনুব্রত আরও বলেন, পাতা না কি সেটা ছেলেরা খাচ্ছে। এমনকি মেয়েরাও খাচ্ছে বলে চাঞ্চল্যকর দাবি তাঁর।

আর এখানেই অনুব্রত মন্ডলের মতে, হায় রে দুর্ভাগ্য! রবীন্দ্রনাথ বেঁচে থাকলে বোধ হয় সুইসাইড করতেন। তবে এই বিষয়টিকে প্রশাসনিক স্তরে দেখার কথাও বলেন তিনি। শুধু বিতর্কিত মন্তব্য করা নয়, রীতিমত আক্ষেপও এদিন ধরা পড়ে অনুব্রত মন্ডলের গলাতে। তিনি বলেন, নিজের মেয়েকে বিশ্বভারতীতে পড়াতে পারেননি।

আর সেই প্রসঙ্গ তুলে ধরেই বীরভূমের বেতাজ বাদশা বলেন, ''এক দিন কথায় কথায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলেছিলাম, আমার বড় একটা দুঃখ আছে। উনি বললেন, 'কিসের দুঃখ? তুই আমার সঙ্গে বিশ্বভারতী চল।' আমি বলেছিলাম, 'ওই জন্যই তো আমি যাব না।' উনি বললেন, 'কেন?'

আমি বললাম, 'আমার মেয়েকে আমি ভর্তি করতে পারিনি।' উনি বললেন, 'এত তোর দুঃখ?' উনি বললেন, 'আমি যদি বিশ্বভারতীর মতো একটা বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে দিই?' বললাম, 'তা হলে আমার আর দুঃখ থাকবে না।' তার পাশাপাশি বোলপুরেও মেডিক্যাল কলেজ চেয়েছিলাম। সেটাও করতে পেরেছি। আর সেই কারনে আর কোনও দুঃখ নেই বলে ওই অনুষ্ঠানে জানান অনুব্রত মন্ডল।

অন্যদিকে শিক্ষকদেরও তিনি বেশ কিছু পরামর্শ দেন। অনুব্রত বলেন, শিক্ষকদের হাতেই থাকে সব চাবিকাঠি। আর তা থাকলেই মানুষ হবে পড়ুয়ারা। তবে এখন স্কুল, কলেজে কোনও শাসন নেই বলে দাবি তাঁর। তবু ভালবাসা দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে বলে দাবি তাঁর। উল্লেখ্য, বারবার বিতর্কের মধ্যে জড়িয়ে পড়েন অনুব্রত মন্ডল। বিতর্ক আর কেষ্টা জড়িয়ে গিয়েছেন। কিন্তু এরপরেও অনুব্রত আছেন তাঁর মতোনই।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+