রামপুরহাটে মহম্মদ সেলিমকে বাধা, পুলিশের সঙ্গে বচসা, পরিজনকে হারিয়েছেন দাবি বাম নেতার
রামপুরহাটে মহম্মদ সেলিমকে বাধা, পুলিশের সঙ্গে বচসা, পরিজনকে হারিয়েছেন দাবি বাম নেতার
বুধবার সাত সকালেই রামপুরহাটে পৌঁছে গিয়েছিলেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। কিন্তু বগটুই গ্রামে পৌঁনোর আগেই পুলিশ তাঁকে আটকে দেয়। এই নিয়ে পুলিশের সঙ্গে দীর্ঘ বচসা হয় বাম নেতার। গতকাল এই নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র নিশানা করেছিলেন তিনি। মহম্মদ সেলিম দাবি করেছেন এই নারকীয় হত্যাকাণ্ডে তিনি তাঁর স্বজনকে হারিয়েছেন তাই তিনি দেখতে যেতেই পারেন সেখানে।

বগটুই গ্রামে সিপিএমের প্রতিনিধি দল
বগটুই গ্রামে নারকীয় গণহত্যা চালানো হয়েছে। গতকালই প্রকাশ্যে অভিযোগ করেছিলেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। গতকাল সাংবাদিক বৈঠক করে বগটুই গ্রামে যাওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন তাঁরা। বুধবার সকালেই রামচন্দ্র ডোমকে সঙ্গে নিয়ে রামপুরহাটে যান সেলিম। সেখানে সেলিমকে আটকায় পুলিশ। এই নিয়ে সেলিমের সঙ্গে পুলিশের দীর্ঘ বচসা হয়। শেষে পুলিশের সঙ্গে দীর্ঘ তর্ক বিতর্কের পরে সাংসদ রাম চন্দ্র ডোম এবং তিনি বগটুই গ্রামে পৌঁছন।

পরিজনকে হারিয়েছি দাবি সেলিমের
সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম দাবি করেছেন বগটুই গ্রামে মৃতদের মধ্যে একজন তাঁর আত্মীয় রয়েছেন। তাই সেখানে যাওয়ার অধিকার তাঁর রয়েছে। সিপিএম নেতা সাংবাদিকদের জানান কয়েকদিন আগেই নানুরে তাঁর এক বন্ধু ছেলের বিয়ে হয়েছিল এই গ্রামে। আগুনে পুড়ে মারা গিয়েছে সেই ছেলেটিও। তাই ঘটনাস্থল দেখতে এসেছেন তিনি। সেলিম বলেন, 'মাস দুয়েক আগে ওদের বিয়ে হয়েছিল। আমার জামাইটা কোন ঘরে মারা গিয়েছে দেখতে এসেছি। সেই অধিকার আমার আছে।'

প্রমাণ নষ্টের চেষ্টা
সিপিএমের পক্ষ থেকে গতকালই অভিযোগ করা হয়েছিল রামপুরহাটের এই নারকীয় হত্যাকাণ্ডের বিচারবিভাগীয় তদন্ত হওয়া জরুরি। সকলের সামনে এঁদের বিচার হোক। দোষীদের সাজা যেন সকলের সামনে দেওয়া হয় বলে দাবি করেেছন বাম নেতারা। ঘটনাস্থল থেকে হত্যালীলার প্রমাণ নষ্টের চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন মহম্মদ সেলিম। বাম নেতা দাবি করেছেন মৃত্যুর আগে বিপদ আশঙ্কা করে এসডিপিওকে ফোন করে পুলিশ পাঠাতে বলেছিলেন বাড়িতে। কিন্তু এসডিপিও পুলিশকে যেতে দেয়নি। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য ঘটনার পরেই রামপুরহাটের এসডিপিও এবং আইসিকে ক্লোজ করা হয়েছে।

গ্রেফতার ২০ জন
বগটুই গ্রামের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ২০ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের আজ রামপুরহাট আদালতে তোলার কথা। এদিকে আজই ঘটনাস্থলে যাচ্ছে ফরেন্সিক দল। তাঁরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নমুনা সংগ্রহ করবেন বলে জানা গিয়েছে। সেলিম অভিযোগ করেছেন মূল অপরাধীদের আড়াল করতেই সিট গঠন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। যদিও সিট প্রথামিক রিপোর্টে জানিয়েছ শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লাগে নি। আগুন দেওয়া হয়েছিল বাড়ি গুলিতে। এদিকে মতদের পরিবারের লোকেরা ঘটনার সিবিআই তদন্ত দাবি করেছেন।












Click it and Unblock the Notifications