চাপ বাড়ল কেষ্টর, হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে খারিজ অনুব্রতর রক্ষাকবচের আবেদন
চাপ বাড়ল কেষ্টর, হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে খারিজ অনুব্রতর রক্ষাকবচের আবেদন
চাপ বাড়ল বীরভূমের তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের। হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে খারিজ হয়ে গেল তাঁর রক্ষা কবচের আবেদন। সিবিআই জেরা থেকে বাঁচা হল না বীরভূমের দোর্দণ্ড প্রতাপ তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের। গরু পাচার মামলায় সিবিআই হাজিরা এড়াতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ মঙ্গলবার মামলার শুনানিতে জানিয়ে দেয় এবার সিবিআই তলব করলে হাজিরা দিতে হবে তৃণমূল কংগ্রেস নেতাকে। রামপুরহাট কাণ্ডের পর অনুব্রত মণ্ডলের উপর যে সিবিআই আরও চাপ বাড়াবে তাতে কোনও সন্দেহ নেই। কারণ ইতিমধ্যেই রামপুরহাট কাণ্ডেও অনুব্রত মণ্ডলের নাম উঠতে শুরু করে দিয়েছে।

খারিজ অনুব্রতর আবেদন
প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব এবং বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চে ছিল মামলার শুনানি। এপ আগে সিঙ্গল বেঞ্চে খারিজ হয়ে গিয়েছিল অনুব্রত মণ্ডলের রক্ষাকবচের আবেদন। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন জানানো হয়। তাতে সিঙ্গিলবেঞ্চের রায়কেই বহাল রেখেছে ডিভিশন বেঞ্চ। অর্থাৎ আর হাজিরা এড়াতে পারবেন না অনুব্রত মণ্ডল। গরুপাচার কাণ্ডে তাঁকে গ্রেফতার করা হতে পারে আশঙ্কা প্রকাশ করেই রক্ষা কবচের আবেদন করেছিলেন তিনি।

চারবার হাজিরা এড়িয়েছেন অনুব্রত
গরুপাচার কান্ডে মূল অভিযুক্ত এনামুলকে জেরা করে অনুব্রত মণ্ডলের নাম প্রকাশ্যে এসেছে। এসেছিল অভিনেতা এবং সাংসদ দেবের নামও। দেবকে জেরা করেছে সিবিআই। কিন্তু অনুব্রত মণ্ডল প্রায় ৪ বার হাজিরা এড়িয়েছেন। গত ১৫ মার্চ তাঁকে নিজাম প্যালেসে হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু আইনজীবী মারফত চিঠি পাঠিয়ে অনুব্রত মণ্ডল জানান তিনি অসুস্থ। বীরভূম থেকে কলকাতায় এসে হাজিরা দেওয়া সম্ভব নয়।

অনুব্রতকে কড়া চিঠি
অনুব্রত মণ্ডল বারবার হাজিরা এড়ানোয় তাঁকে কড়া চিঠি পাঠিয়েছিল সিবিআই। তাতে বলা হয়েছিল এবার হাজিরা এড়ালে তৃণমূল কংগ্রেস নেতার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে। এমনকী আইনের সাহায্য নেওয়ার কথাও বলেছিল সিবিআই। সিবিআইয়ের এই চিঠিতে এক প্রকার প্রচ্ছন্ন হুমকি ছিল। সিবিআইয়ের এই চিঠির পরেই গ্রেফতারির ভয় পেয়েছিলেন তার পরেই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি।

রামপুরহাট কাণ্ডে নাম জড়াল অনুব্রত
রামপুরহাট কাণ্ডে নাম জড়িয়েছে অনুব্রত মণ্ডলের। মৃত নাজমা বিবির স্বামী দাবি করেছেন বীরভূমে তোলাবাজিরভাগ নিয়ে অশান্তি চলতই। তার ভাগ পেতেন তৃণমূল কংগ্রেস জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলও। এই ঘটনায় গ্রেফতার তৃণমূল কংগ্রেস ব্লক সভাপনি আনারুল হোসেনও দাবি করেছিলেন যে অনুব্রত মণ্ডল তাঁতে ফাঁসিয়েছে। কাজেই বারবার অনুব্রত মণ্ডলের নাম উঠে আসছে এই ঘটনায়।












Click it and Unblock the Notifications