একজন দারুণ মানুষ! দীর্ঘ বৈঠক সেরে বেরিয়ে এসে কেষ্টাদার প্রশংসায় পঞ্চমুখ অভিনেতা পরমব্রত
অনেকে বলেন রাজনীতিতে নাকি অসম্ভব বলে কিছু হয় না! বর্তমান পরিস্থিতিতে যদিও সবটাই সম্ভব। আর এই তর্কের মধ্যেই অনুব্রত মন্ডলের মুখোমুখি অভিনেতা পরমব্রত! মূলত বামপন্থী হিসাবেই রাজনৈতিকমহলে পরিচিত এই অভিনেতা।
অনেকে বলেন রাজনীতিতে নাকি অসম্ভব বলে কিছু হয় না! বর্তমান পরিস্থিতিতে যদিও সবটাই সম্ভব। আর এই তর্কের মধ্যেই অনুব্রত মন্ডলের মুখোমুখি অভিনেতা পরমব্রত! মূলত বামপন্থী হিসাবেই রাজনৈতিকমহলে পরিচিত এই অভিনেতা।

শুধু তাই নয়, স্পষ্ট বক্তা হিসাবেও পরমব্রতের বেশ পরিচিত হয়েছে। আর সেই অভিনেতার সঙ্গে বীরভূমের বেতাজ বাদসার বৈঠক ঘিরে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক চর্চা। জানা গিয়েছে, আজ শুক্রবার বোলপুরের সার্কিট হাউসে পরমের সঙ্গে অনুব্রতের প্রায় ঘন্টা দুয়েক এই বৈঠক চলে।
শুধু বৈঠক নয়, দুপুরে এক টেবিলে বসে কেষ্টাদার সঙ্গে খাওয়াদাওয়াও সেরেছেন অভিনেতা। আর এই সাক্ষাৎ ঘিরেই রাজনৈতিকমহলে শুরু হয়েছে একাধিক জল্পনা। উল্লেখ্য, ভোটের আগে একাধিক অভিনেতা-অভিনেত্রী যোগ দিয়েছিলেন তৃণমূল আবার বিজেপিতেও কেউ নাম লিখিয়েছেন।
তাঁদের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে তৃণমূল এবং বিজেপি দুই দলই আলাদা ভাবে প্রার্থীও করেন। ভোটের মুখে বিজেপি কিংবা তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন এমন একাধিক নেতার নাম শোনা যায়। শোনা গিয়েছিল পরমব্রতের নামও।
কিন্তু কখনও সরাসরি রাজনীতিতে আসতে চাননি তিনি। ফলে তাঁর নাম সামনে আসায় বেশ অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন পরমব্রত। কিন্তু আজ হঠাত করে তৃণমূলের স্বঘোষিত সেনাপতি অনুব্রত মন্ডলের সঙে অভিনেতার বৈঠক ঘিরে নানা গুঞ্জন চলছে। কেউ বলছেন হয়তো তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন বাম মনোভাবা পন্ন এই নেতা! যদিও সেই সমস্ত জল্পনাকে উড়িয়ে দিয়েছেন পরম।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকের মুখোমুখি হন পরমব্রত। আর সেখানেই সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে অভিনেতা জানিয়েছেন, নিজস্ব রাজনৈতিক চিন্তা ভাবনা থাকলেও দলীয় রাজনীতি নিয়ে অনীহা রয়েছে। তবে তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে অনুব্রত মন্ডলের প্রশংসাতে পঞ্চমুখ পরম! তাঁর দাবি, অনুব্রত মন্ডল একজন দারুন মানুষ!
যদিও পরে এক সংবাদমাধ্যমকে পরম জানিয়েছেন, অনুব্রত মন্ডলের সঙ্গে এই সাক্ষাৎ শুধুমাত্র সৌজন্য ছিল। মাঝে মধ্যেই বীরভূমে যাওয়া হয়। তবে এক বন্ধুর সমস্যা নিয়েই অনুব্রত মন্ডলের সঙে তাঁর যোগাযোগ বলে ওই সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন পরম। আর যোগাযোগের পরেই অনুব্রত তাঁকে দুপুরে খাওয়াদাওয়র জন্যে আমন্ত্রণ জানান। এর মধ্যে অন্য কিছু নেই বলেই দাবি তাঁর।
তবে এদিনের এই বৈঠকে অনুব্রত মন্ডল ছাড়াও চিলেন বীরভূমের জেলাশাসক বিধান রায় এবং পুলিশ সুপার নগেন্দ্র ত্রিপাঠি। শুধু তাই নয়, ছিলেন লাভপুরের তৃণমূল বিধায়ক অভিজিৎ মন্ডলও।
ফলে জেলা প্রশাসনের একেবারে উচ্চ পদস্থ আধিকারিকদের সঙে নিয়ে পরমের সঙে অনুব্রত বৈঠক যথেষ্ট খটকা দিচ্ছে রাজনৈতিকমহলের কারবারিদের।












Click it and Unblock the Notifications