Exclusive: অনুব্রত মণ্ডল নয়, দুর্নীতিই ফ্যাক্টর! বোলপুরে মানুষের সংগঠিত হওয়ার চেষ্টায় ভরসা শ্যামলী প্রধানের
Exclusive: মানুষ তৃণমূলের আক্রমণের বিরুদ্ধে সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করছে। এমনটাই প্রতিক্রিয়া বোলপুরের সিপিআইএম প্রার্থী শ্যামলী প্রধানের। অন্যদিকে বিজেপি যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তা তারা পূরণ করতে পারেনি। অনুব্রত মণ্ডল না থাকায় সেরকম কোনও সুবিধা হবে কিনা তা তিনি বলতে চাননি।
পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় বাড়িতে বাড়িতে হুমকি দিয়েছিল, ভোট কেন্দ্রে যেতে বাধা দিয়েছিল। পুলিশের একটা অংশ সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পরিবর্তনে তৃণমূলকে মদত দিয়েছে। তবে এবার এখনও পর্যন্ত বড় কিছু না হলেও দেওয়াল দখল করেছে তৃণমূল, অভিযোগ করেছেন বোলপুরের সিপিআইএম প্রার্থী।

ব্যক্তি ফ্যাক্টর নয়
এবার বোলপুর লোকসভায় অনুব্রত মণ্ডল কিংবা কাজল শেখ কিংবা কোনও ব্যক্তিই ফ্যাক্টর নয়। তিনি বলছেন, বছরে দু কোটি বেকারের চাকরি থেকে শুরু করে ফসলের দামের মতো প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে পারেনি বিজেপি। বন্ধ একশো দিনের কাজ। এগুলোই নির্বাচনে ফ্যাক্টর বলে জানিয়েছেন শ্যামলী প্রধান। তিনি বলেছেন, রাজ্যে শিক্ষায় নিয়োগ-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুর্নীতির যে অভিযোগ উঠেছে, তা সাধারণ মানুষের মধ্যে বড় প্রভাব ফেলেছে।
তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ
২০১১-তে ক্ষমতায় আসার পর থেকে তৃণমূল বোলপুর এলাকার সাধারণ মানুষের ওপরে সন্ত্রাস নামিয়ে এনেছে বলে অভিযোগ করেছেন বাম প্রার্থী। মানুষকে ভয় দেখানো থেকে শুরু করে ভোট দিতে না দেওয়া, এলাকায় সিপিআইএমের পিছিয়ে যাওয়ার বড় কারণ বলে মনে করেন শ্যামলী প্রধান। তিনি অভিযোগ করেছেন ২০২১-এ নানুর বিধানসভায় ৪১ টি বুথে এজেন্ট দিতে দেওয়া হয়নি। এছাড়াও এলাকার সিপিআইএম কর্মীদের বাড়িতে অগ্নি সংযোগ, ঘরছাড়া করার মতো ঘটনাও ঘটেছে। সঙ্গে ছিল অনুব্রত মণ্ডলের প্রবাদ বাক্য গুড় বাতাসা, চড়াম চড়াম ঢাক। যেগুলো গ্রামেগঞ্জে প্রয়োগ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।
লড়াই কঠিন কিছু নয়
শ্যামলী প্রধান দাবি করেছেন, বোলপুর কেন্দ্রে সিপিআইএম-এর মিছিল-মিটিং-এ লোক হচ্ছে। তাই এবারের লড়াইকে কঠিন বলে মনে করছেন না তিনি। এখনও পর্যন্ত প্রচারে বাধা কিছু পাননি বলে জানিয়েছেন তিনি। উল্লেখ করা প্রয়োজন বোলপুর কেন্দ্রের অন্তর্গত কেতুগ্রাম, মঙ্গলকোট, আউসগ্রাম, বোলপুর, নানুর, লাভপুর, ময়ুরেশ্বর কেন্দ্র সিপিআইএম কিংবা অন্য বাম শরিকদের দখলে থাকলেও এখন সবকটিই তৃণমূলের দখলে রয়েছে।
বোলপুর কেন্দ্রের ইতিহাস
বোলপুর কেন্দ্র গঠনের পরে ১৯৬৭ সালে সেখানে এক়বার মাত্র জিতেছিল কংগ্রেস। তারপর সেখান থেকে টানা জিতে এসেছে সিপিআইএম। এর মধ্যে ১৯৮৫ সালের উপনির্বাচনে সেখানে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়। তারপর থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত তিনি সেখানকার সাংসদ থেকেছেন। এলাকা পুনর্বিন্যাসে কেন্দ্রটি সংরক্ষিত হয়ে যাওয়ায় পরেও ২০০৯ সালে সেখান থেকে জয়ী হয়েছিলেন রামচন্দ্র ডোম। তবে ২০১৪ থেকে কেন্দ্রটি হাতছাড়া হয় সিপিআইএমের। প্রথমে অনুপম হাজরা, তারপর অসিত মাল সেখান থেকে সাংসদ হয়েছেন। এবারও অসিত মালই সেখান থেকে তৃণমূলের প্রার্থী। আর বিজেপির প্রার্থী পিয়া সাহা।
-
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন -
ভোটের আবহে জলপাইগুড়িতে চাঞ্চল্য, এক্সপ্রেস ট্রেনে জাল নথি সহ ১৪ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার, তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা -
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট -
৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ, ৪ মহাকাশচারী নিয়ে নাসার 'আর্টেমিস ২'-এ ইতিহাসের নতুন অধ্যায় -
'মালদহ কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার, পালানোর সময় বাগডোগরা থেকে ধৃত












Click it and Unblock the Notifications