অনুব্রত মণ্ডল তৃণমূলের যে পার্টি অফিসে বসতেন সেখানে ইডির হানা! আশপাশের দোকানদারদের নানা প্রশ্ন
রবিবার সিউড়িতে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকে তিনি আধার কার্ড বাতিলের নোটিস নিয়ে কেন্দ্রকে নিশানা করার পাশাপাশি দুই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিবিআই-এর সক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন করেছিলেন। আর তার পরের দিনই বোলপুরে তৃণমূল কার্যালয়ে ইডি হানা দিল। প্রসঙ্গত এই কার্যালয়ে বসতেন জেলবন্দি বীরভূম তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, এদিন বোলপুরের নিচুপট্টির তৃণমূল কার্যালয়ে যান ইডির তিন আধিকারিক। গরু পাচার মামলার তদন্তেই ইডির এই অভিযান বলে জানা গিয়েছে। তবে ইডির এদিনের অভিযান নিয়ে এলাকায় শোরগোল ছড়ায়।

জানা গিয়েছে, এদিন বিকেলে তৃণমূল পার্টি অফিসের সামনে গাড়ি গিয়ে দাঁড়ায়। সেই গাড়িতে লেখা ছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাহারায় যাওয়া ইডির আধিকারিকরা গাড়ি থেকে নেমেই তৃণমূল পার্টি অফিসের আশপাশের দোকানদারদের সঙ্গে কথা বলা শুরু করেন।
প্রসঙ্গত বোলপুর নিচুপট্টির তৃণমূলের পার্টি অফিস যে বিল্ডিংয়ে রয়েছে, সেখানে কয়েকটি দোকানঘর ভাড়া রয়েছে। সেই ভাড়া কে দিয়েছিলেন, ভাড়া কাকে দিতে হয়, সেইসব প্রশ্ন করেন ইডির আধিকারিকরা। জানা গিয়েছে, তৃণমূল পার্টি অফিসে যাওয়ার আগে ইডির আধিকারিকরা বোলপুর মহকুমা ভূমি সংস্কার দফতরে গিয়েছিলেন। সেখানে তাঁরা বিএলআরও-র সঙ্গে কথা বলেন বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর. তৃণমূলের পার্টি অফিস যে জমির ওপরে রয়েছে, সেই সংক্রান্ত কাগজ দেখেন ইডির আধিকারিকরা।
উল্লেখ করা প্রয়োজন বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল গ্রেফতার হওয়ার আগে তাঁর বাড়ির কাছের এই পার্টি অফিস তৈরিতে খরচ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল বিজেপি-সহ অন্য বিরোধীরা। এছাড়াও পার্টি অফিসে হওয়া কালী পুজোয় মূর্তির সোনার গয়না নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল সেই সময়।












Click it and Unblock the Notifications