লজ্জা! ডাইনি অপবাদে দম্পতিকে পিটিয়ে হত্যা কেষ্টর বীরভূমে, প্রমাণ লোপাটে লুকিয়ে দেহ পোড়ানোর চেষ্টা
এখনও সেই মধ্যযুগীয় বর্বরতা। ডাইনি অপবাদে বীরভূমে দম্পতিতে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ। শুধু হত্যাই করা হয়নি প্রমাণ লোপাটে লুকিয়ে দেহ পোড়ানোর চেষ্টা করা হয়। গ্রামবাসীরা বাধা দিতে েগলে তাদের উপরেও হামলা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের আমোদপুরে।

বীরভূমে নারকীয় হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। যেখনে একের পর এক উপগ্রহ পাঠাচ্ছে ভারত। সেখানে সেইদেশের গ্রামবাংলীই মুক্ত হতে পারছে ন কুসংস্কারের অন্ধকার থেকে। ডাইনি অপবাদে পিটিয়ে হত্যা করা হচ্ছে। বীরভূমের আমোদপুরে এমনই নারকীয় হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ গ্রামের মোড়ল দলবল নিয়ে আদিবাসী গ্রামে পাণ্ডু-র বাড়িতে যান। মোড়ল দাবি করেন পাণ্ডু এবং তাঁর স্ত্রী পার্বতী ডাইনি। তারা ডাইনি বিদ্যা জানে।
দমবল নিয়ে ন'পাড়া গ্রামের মোড়ল রুবাই বেসরা তাঁদের বাড়িতে চড়াও হয়। এবং বেধড়ক মারধর করে। মারের চোটে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিলেন পাণ্ডু হেমব্রম (৬২) এবং তাঁর স্ত্রী পার্বতী হেমব্রম (৫২)। রক্তাক্ত অবস্থায় তাদের সেখানে ফেলে রেখেই চলে যায় মোড়ল। পরের দিন তাঁদের এক আত্মীয় সেখানে গিয়ে দেখতে পান ঘরের মেঝেতে অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে রয়েছেন পাণ্ডু এবং তাঁর স্ত্রী। গ্রামবাসীদের সাহায্য নিয়ে তাদের কোনও মতে বোলপুর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। কিন্তু চিকিৎসা পেতে অনেকটাই দেরি হয়ে গিয়েছিল তাঁদের। আর বাঁচানো যায়নি পাণ্ডু এবং পার্বতীকে।
সেখানে তাদের ময়নাতদন্ত হয়। পরিবারের লোকেদের জন্য মর্গে একদিন দেহ রাখা হয়েছিল কিন্তু মোড়ল জোর করে দেহ সৎকারের তৎপরতা শুরু করে দিয়েছিলেন। তাদের দেহ ট্রাক্টরে চাপিয়ে বোলপুরের কাছেই বেেনডাঙ্গা গ্রামে সৎকারের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু শেষপর্যন্ত আর তারা সেটা করে উঠতে পারেনি। গ্রামবাসীরা বাধাদেন। অবশেষে পুলিশ গিয়ে অভিযুক্ত মোড়লকে গ্রেফতার করে। তাকে ১৪ দিনের পুিলশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে সিউড়ি আদালত। তবে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেেছ এখনও কীভাবে ডাইনি অপবাদে মারধরের ঘটনা ঘটছে।












Click it and Unblock the Notifications