ম্যারাথন জেরা মণীশ কোঠারিকে, উদ্ধার কেষ্টর ৭টি সম্পত্তির নথি
ম্যারাথন জেরা মণীশ কোঠারিকে, উদ্ধার কেষ্টর ৭টি সম্পত্তির নথি
কেষ্টর আরও সম্পত্তির হদিশ। বোলপুরে অনুব্রত মণ্ডলের হিসাব রক্ষক মণীশ কোঠারির বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ৭টি সম্পত্তির নথি হাতে পেয়েছে সিবিআই। প্রায় ৫ ঘণ্টা ধরে মণীশ কোঠারিকে জেরা করছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। মণীশ কোঠারি কেষ্ট কালো টাকার হিসেব রাখত বলে জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। এদিকে আবার কেষ্টর কোটি কোিট টাকার সম্পত্তির হদিশ মিলেছে। নামে বেনামে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি করেছিলেন তিনি।

কোটি কোটি সম্পত্তির হদিশ
কেষ্ট মণ্ডলের বিপুল সম্পত্তির হদিশ পেয়েছে সিবিআই। বীরভূমের একাধিক জায়গায় অনুব্রত মণ্ডল এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ একাধিক ব্যক্তির নামে বিপুল সম্পত্তির হদিশ মিলেছ। শুধু অনুব্রতর নামে রয়েছে ২৪টি সম্পত্তি। অনুব্রতর মেয়ের নামে রয়েছে ২৬টি। স্ত্রীর নামে রয়েছে আঠেরোটি। ওদিকে বিদ্যুৎ গায়েনের নামে রয়েছে ১৬টি এবং কমলকান্তি ঘোষের নামে রয়েছে ১৮টি সম্পত্তি। এই বিপুল সম্পত্তি সব কেষ্ট কালো টাকা থেকেই হয়েছে বলে দাবি সিবিআইয়ের।

কেষ্টর হিসাব রক্ষককে জেরা
বোলপুরে হঠাৎই সকাল থেকে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। বোলপুরে অনুব্রত মণ্ডলের হিসেব রক্ষকের বাড়িতে সকাল থেকে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। কেষ্টর একাধিক সম্পত্তির হিসেব রাখতেন এই কেষ্ট। প্রায় ৫ ঘণ্টা ধরে কেষ্টর হিসাব রক্ষককে জেরা করে চলেেছ সিবিআই। গোটা বাড়ি ঘিরে রেখেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। ইতিমধ্যেই মণীশ কোঠারির বাড়ি থেকে ৭টি সম্পত্তির নথি উদ্ধার হয়েছে। এই মণীশ কোঠারির কেষ্টর সব কালো টাকার হিসাব রাখতেন বলে জানা গিয়েছে। কেষ্টর প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন মণীশ কোঠারি।

আটক কেষ্ট ঘনিষ্ঠ কাউন্সিলর
সাত সকালে বোলপুর টিএমসি ঘনিষ্ঠ কাউন্সিলর বিশ্বজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়কে আটক করেছে সিবিআই। সকালেই কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে তাঁর বাড়িতে হানা দিয়েছিলেন তদন্তকারীরা। তার আয়ব্যায়ের হিসেব জানত চান তাঁরা। তাঁকে নিয়ে তাঁর হিসেব রক্ষকের বাড়িতে হানা দিয়েছিল সিবিআই। সেখানেদীর্ঘক্ষণ জেরা করা হয়েছে। তারপরে আবার কাউন্সিলরকে নিেয় বোলপুরের এসডিও অফিসেও পৌঁছে গিয়েছিলেন তদন্তকারীরা।

কালো টাকা কোথায়
গরুপাচার কাণ্ডের বিপুল টাকা বীরভূমে ঘোরাফেরা করত। আর সেই সবের মূল উৎস্য ছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। কিন্তু এই নিয়ে একটি শব্দও খরচ করতে চাইছেন না কেষ্ট। তাঁকে গতকাল জেরা করে সিবিআই । আসানসোল জেলে গিয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু কেষ্ট একটি শব্দও খরচ করেননি। এমনকী কেষ্টর দেহরক্ষী সায়গল হোসেনও একটি শব্দ খরচ করেনি। তাঁদের জেরা করে কোনও তথ্য হাতে না পেয়েই কার্যত মরিয়া হয়ে অনুব্রত ঘনিষ্ঠদের বাড়িতে হানা দিতে শুরু করেছে সিবিআই। কেষ্টকে আদালতে পেশের আগে পোক্ত তত্য হােত পেতে চাইছেন তদন্তকারীরা।












Click it and Unblock the Notifications