বগটুই-কাণ্ডে বড় সাফল্য: অগ্নিকাণ্ডে জড়িত চার অভিযুক্তকে মুম্বই থেকে ধরল সিবিআই
রামপুরহাট-কাণ্ডে বড় সাফল্য সিবিআইয়ের। মুম্বই থেকে ঘটনার অন্যতম চার অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। মুম্বই থেকে গোপন সূত্রে হানা দিয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে চার অভিযুক্তকে।
রামপুরহাট-কাণ্ডে বড় সাফল্য সিবিআইয়ের। মুম্বই থেকে ঘটনার অন্যতম চার অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। মুম্বই থেকে গোপন সূত্রে হানা দিয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে ওই চার অভিযুক্তকে। জানা যাচ্ছে, আগামীকাল শুক্রবারই ধৃতদের রামপুরহাটে নিয়ে আসা হচ্ছে।

ঘটনার তদন্তে নেমে ইতিমধ্যে একাধিক অভিযুক্তকে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছেন সিবিআইয়ের আধিকারিকরা। যদিও সবাইকে রাজ্যপুলিশের তরফে গ্রেফতার করা হয়। কিন্তু তদন্তভার হাতে নেওয়ার পর এই প্রথম ঘটনায় গ্রেফতারি কেন্দ্রীয় সংস্থার। যা অবশ্যই বড়সড় সাফল্য বলে মনে করা হচ্ছে।
গত কয়েকদিন ধরেই বগটুই সহ বিভিন্ন জায়গাতে তল্লাশি চালাচ্ছিলেন সিবিআইয়ের আধিকারিকরা। আর এরপরেই মোবাইল টাওয়ার ট্র্যাক করে তদন্তকারীরা জানতে পারেন ঘটনায় অভিযুক্ত চারজন মুম্বইতে লুকিয়ে রয়েছে। যারা ঘটনার দিন আগুন লাগানোর ঘটনায় সরাসরি যুক্ত ছিল বলে মনে করছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা। শুধু তাই নয়, এফআইআরেও এদের নাম ছিল। ফলে ধৃত চারজনকে জেরা করে বগটুইয়ের ঘটনার একেবারে সুত্রে পৌঁছানো সম্ভব বলে মনে করা হচ্ছে।
জানা গিয়েছে, মুম্বই থেকে ধৃতদের চারজনের মধ্যে রয়েছে বাপ্পা শেখ ও সাবু শেখ নামে দুজন। যারা ঘটনার অন্যতম মূল অভিযুক্ত লালন শেখের ডানহাত বলে পরিচিত। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার দিন বগটুই গ্রামে তাণ্ডব চালিয়েছিল বাপ্পা শেখ ও সাবু শেখ। এমনকি ঘটনার পরেই তড়িঘড়ি মুম্বইতে এরা পালিয়ে যায় বলে জানা গিয়েছে। সিবিআই আধিকারিকরা জানতে পারেন, ওই গ্রামে বেশ কয়েকজন মুম্বইতে কাজ করেন।
মূলত তাঁদের সাহায্যেই ধৃত চারজন এলাকা ছাড়েন বলেও জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। এবার এদের জেরা করে ঘটনার মূল অভিযুক্ত লালন শেখ ধরতে চেষ্টা চালাবেন সিবিআই আধিকারিকরা। এমনটাই জানা যাচ্ছে। ইতিমধ্যে আজ বৃহস্পতিবার ধৃতদের মুম্বইয়ের আদালতে তোলা হয়। সেখান থেকে ট্রানজিন্ড রিমান্ডে কলকাতায় নিয়ে আসা হচ্ছে ধৃত চারজনকে।
অন্যদিকে রামপুরহাটের বগটুই হত্যাকাণ্ডের প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট হাইকোর্টে জমা দিল সিবিআই। সাত তারিখেই সিবিআইকে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছিল। সেই নির্দেশ মেনেই সিবিআউ আজ রিপোর্ট পেশ করে। বগটুই কাণ্ডের রিপোর্টে সিবিআই আদালতকে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় বিশেষ তথ্য দিয়েছে।
অন্যদিকে ভাদু শেখের খুনের তদন্ত প্রসঙ্গে সিবিআই জানায়, 'তদন্তভার নেওয়ার পরে বেশ কয়েকদিন কেটে গিয়েছে। ভাদু শেখের বাড়ি এবং বাড়ির আশপাশে মানুষ হাঁটাচলা করেছে, তথ্য প্রমাণ বেশিরভাগ নষ্ট হয়ে গিয়েছে।' এই মামলার তদন্তে টাওয়ার ডাম্পিং প্রযুক্তির ব্যবহার করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।












Click it and Unblock the Notifications