অনুব্রত যোগে বোলপুরের সিবিআই হানা, কেষ্ট ঘনিষ্ঠ কাউন্সিলর সহ ৬ জনের বাড়িতে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে তল্লাশি
অনুব্রত যোগে বোলপুরের সিবিআই হানা, কেষ্ট ঘনিষ্ঠ কাউন্সিলর সহ ৬ জনের বাড়িতে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে তল্লাশি
বোলপুরে ফের সিবিআই তৎপরতা। সাত সকালে অনুব্রত ঘনিষ্ঠ ৬ জনের বাড়িতে সিবিআই তল্লাশি। বোলপুর পুরসভার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে সিবিআই তল্লাশি। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নিয়ে চলছে তল্লাশি। অনুব্রত মণ্ডলের পাশের পাড়া সুজিত দে-র বাড়িতেও তল্লাশি চালাচ্ছে সিবিআই।

এগিয়ে আসছে অনুব্রত মণ্ডলের আদালতে হাজিরার দিন। তার আগে কেষ্টর বিরুদ্ধে তথ্য প্রমাণ সংগ্রহে তৎপর সিবিআই। গরুপাচার কাণ্ডে তৎপরতা শুরু করেছে সিবিআই। ইতিমধ্যেই বোলপুরের ৬ জায়গায় তল্লাশি শুরু করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। সাত সকালে বোলপুরে কেন্দ্রীয় বািহনী নিয়ে অভিযান শুরু করেছে সিবিআই। সূত্রের খবর অনুব্রত ঘনিষ্ঠদের বাড়িতেই চলছে তল্লািশ।
বোলপুরে ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের টিএমসি কাউন্সিলর বিশ্বজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে তল্লাশি চালাচ্ছে সিবিআই। গোটা বাড়ি ঘিরে ফেলেেছ কেন্দ্রীয় বাহিনী। ভেতরে তল্লাশি শুরু করেছে সিবিআই। এলাকায় মুন নামে পরিচিত তিনি। ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হলেও তাঁর বাড়ি কিন্তু ২০ নম্বর ওয়ার্ডে। এই বিশ্বজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায় কেষ্টর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বলে জানতে পেরেছেন তদন্ত কারীরা।অনুব্রত মণ্ডলের পাশের পাড়ায় সুজিত দে নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে তল্লাশি শুরু করেছে সিবিআই। তাঁর সঙ্গেও কেষ্টর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। এমনকী কেষ্টর বাড়িতেই অধিকাংশ সময় থাকতেন তিিন জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই এই তল্লাশি অভিযান বলে মনে করা হচ্ছে। গরুপাচারের কমিশন থেকে বিপুল সম্পত্তি করেছেন কেষ্ট। স্ত্রী-মেয়ে ছাড়াও একাধিক ঘনিষ্ঠের নামে প্রচুর বেনামি সম্পত্তি তৈরি করেছিলেন কেষ্ট। বোলপুর এবং বর্ধমানের একাধিক রাইসমিলে তল্লাশি চালিয়ে একাধিক তথ্য হাতে এসেছে সিবিআইয়ের। ভোলে ব্যোম রাইস মিলের মালিক কে তার জট এখনো ছাড়াতে পারেনি সিবিআই।
বোলপুর এবং সংলগ্ন জায়গায় একাধিক সম্পত্তি তৈরি করেছেন কেষ্ট। একাধিক জায়গায় বেনামি জমি এবং রাইসমিল কিনেছেন কেষ্ট। তাঁর একাধিক বেনামি সম্পত্তির খোঁজে চলেছে তল্লাশি। সেই সম্পত্তির খোঁজেই এই তল্লাশি বলে মনে করা হচ্ছে। আর এক সপ্তাহ পরেই অনুব্রত মণ্ডলকে আদালতে পেশ করা হবে। সেকারণেই তৎপরতা শুরু হয়েছে।
গতকাল আসানসোল সংশোধনাগারে অনুূব্রত মণ্ডলকে জেরা করতে গিয়েছিল সিবিআই। কিন্ত তদন্তে অসহযোগিতা করেছেন কেষ্ট। একটি কথা বলতে চাননি তিনি। সেই একই পন্থা নিয়েছিলেন তাঁর দেহরক্ষী সায়গল হোসেনও। সায়গল হোসেনও সিবিআইয়ের সামনে মুখ খুলতে চাননি। তারপরের দিনই বোলপুরে পর পর ৬টি জায়গায় সিবিআই হানার ঘটনা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। কয়েকদিন আগে বোলপুরের কালিকাপুরে বিদ্যুৎবরণের বাড়িতে কয়েকদিন আগে হানা দিয়েছিল সিবিআই। প্রায় দেড়ঘণ্টা ধরে বিদ্যুতের স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন সিবিআই অফিসাররা। বোলপুর পুরসভার গাড়ির খালাসি তিিন। তারপরে কীভাবে এই বিপুল সম্পত্তি তিিন পেলেন তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। অনুব্রতর দৌলতেই এই তৎপরতা বলে মনে করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications