'ফুড কর্পোরেশনে চালে খুদ মেশানো হত', CBI হানার মাঝেই কুকীর্তি ফাঁস শিবশম্ভু রাইস মিলের কর্মীর
'ফুড কর্পোরেশনে চালে খুদ মেশানো হত', CBI হানার মাঝেই কুকীর্তি ফাঁস শিবশম্ভু রাইস মিলের কর্মীর
ভোলে ব্যোম রাইসমিলের পর বোলপুরের শিবশম্ভু রাইসমিলে সিবিআই হানা। ফুড কর্পোরেশনের কর্মীদে িনয়েই সেখােন তল্লাশি চালাচ্ছে সিবিআই। তার মাঝেই প্রকাশ্যে এল রাইসমিলের কুকীর্তি। কারখানার এক গাড়ির চালক প্রকাশ্যে একাধিক সংবাদ মাধ্যমে অভিযোগ করেছেন একাধিক দুর্নীতি হত এই রাইসমিলে। ফুড কর্পোরেশেন চালে খুদ মিশিয়ে পাঠানো হল। ভাল চালের বস্তা রাইস মিলে রেখে খারাপ চালের বস্তা ভরে দেয় হত ফুড কর্পোরেশনের ট্রাকে।

রাইসমিলে জালিয়াতি
রাইস মিলে বিপুল জািলয়াতি চলত। সিবিআই অভিযােনর মাঝেই সংবাদ মাধ্যমের ক্যামেরার সামনে একের পর এক কুকীর্তি ফাঁস করলেন চাল কলের কর্মী। গত দেড় ঘণ্টা ধরে বোলপুরের শিব শম্ভু রাইসমিল তল্লাশি চালাচ্ছে সিবিআই। গরুপাচারের টাকা দিয়েই এই রাইসমিলটি বেনামে কিনেছিলেন অনুব্রত এমনই দাবি করছে সিবিআই। রাইসমিলটি অনুব্রত মণ্ডলের ভগ্নিপতি কমলকান্তি ঘোষের। এদিকে তিনি দাবি করেছে তাঁর নামে কোনো রাইসমিল রয়েছে সেটা তিনি জানেন না।

চালে জালিয়াতি
সিবিআই অভিযান চলাকালীন রাইসমিলের এক কর্মী প্রকাশ্যে বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন। তিনি দাবি করেছেন একাধিক কুকীর্তি হত এই শিব শম্ভু রাইস মিল। ফুড কর্পোরেশনের ট্রাক এসে থামত এখানে। রাতের অন্ধকারে অর্ধেক বস্তা চাল খালি হয়ে যেত। তার জায়গায় যেত ভাঙা চালের বস্তা। খুদ মেশানো চাল। সিবিআই অভিযােনর পর সব ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন সেই কর্মী। কর্মীর এই অভিযোগে প্রশ্নের মুখ্য বীরভূমে খাদ্য নিয়ামকের দফতর। তাহলে সেখানে অনুব্রত জাল বিস্তার করেছিলেন এই নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

রাইস মিল কার
শিব শম্ভু রাইস মিলের মালিক কে এই নিয়ে এখন জটিলতা তৈরি হয়েছে। কাগজে এই রাইস মিলের মািলক অনুব্রত মণ্ডলের ভগ্নিপতি কমলকান্তি ঘোষ। কিন্তু তিনি সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। কমলকান্তি দাবি করেছেন তিিন এই সম্পর্কে কিছু জানেন না। তিিন নিজে বিশ্বভারতীয় সামান্য অবসর প্রাপ্ত কর্মী। পেনসনের টাকাতেই চলে তাঁর সংসার। তাঁর স্ত্রী অনুব্রত মণ্ডলের বোন এবং তঁার স্ত্রী অনেক দিন ধরেই অসুস্থ কাজেই কেষ্টর সঙ্গে তাঁদের তেমন যোগাযোগ েনই।

কী বললেন রাজা ঘোষ
অনুব্রত মণ্ডলের ভাগ্নে রাজা ঘোষ দাবি করেছেন তাঁর বাবার নামে যে কোন রাইস মিল রয়েছে সেটা তিিন জানেন না। ২ বছর ধরে তিনি বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করেন না। কাজেই এই সম্পর্কে তাঁর কোন তথ্য তিিন জানেন না। তবে মহানন্দী রাইস মিল তাঁর এবং তাঁর স্ত্রীর নামে বলে জািনয়েছেন রাজা ঘোষ। অনুব্রত মণ্ডলের সঙ্গে তাঁর কোনো যোগাযোগ নেই। মোটের উপরে রাইস মিলের মালিকানা নিয়ে দায় ঠেলাঠেলি চলছে। এরকম একাধিক আত্মীয় পরিজনের নামে বেআইনি সম্পত্তি কিনেছিলেন কেষ্ট। সেই সম্পত্তির সন্ধােন এখন সিবিআই।












Click it and Unblock the Notifications