বাংলায় সব থেকে বড় গণহত্যা! মুখ্যমন্ত্রী আসছেন প্রমাণ লোপাট করতে, বগটুই গ্রামে গিয়ে বিস্ফোরক শুভেন্দু
পুলিশি বাধায় রামপুরহাটে (Rampurhat) বগটুই গ্রামের ঘটনাস্থলে পৌঁছতে পারলেন না বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) । এদিন তিনি এবং বিজেপি (BJP) বিধায়করা সিউড়ি হয়ে বগটুই গ্রামে যান। সেখানে তিনি বলেন, বাংলার
পুলিশি বাধায় রামপুরহাটে (Rampurhat) বগটুই গ্রামের ঘটনাস্থলে পৌঁছতে পারলেন না বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) । এদিন তিনি এবং বিজেপি (BJP) বিধায়করা সিউড়ি হয়ে বগটুই গ্রামে যান। সেখানে তিনি বলেন, বাংলার সব থেকে বড় গণহত্যার (largest genocide) ঘটনা ঘটেছে রবিবার রাতে। ঘটনাস্থলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (mamata banerjee) যাওয়া নিয়ে কটাক্ষ করে শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, তিনি আসছেন প্রমাণ লোপাট করতে।

লার্জেস্ট জেনোসাইড ইন বেঙ্গল
বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এদিন বলেন, নানুরের সুজপুর হয়েছে, ছোট আঙারিয়াও হয়েছে, কিন্তু রামপুরহাটের বগটুইগ্রামে যা হয়েছে, তা বাংলার সব থেকে গণহত্যা। তিনি বলেন, রাত আটটায় তৃণমূল নেতা খুন হন। আর তার দেড় ঘন্টা পরেই বদলা নেওযার জন্য গ্রামে হামলা চালানো হয়। এনআইএ এবং সিবিআইকে দিয়ে এই ঘটনার তদন্তের দাবি ফের করেছেন তিনি। শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন যেহেতু বোমা বিস্ফোরণ হয়েছে এবং সেখানে তৃণমূলের উপপ্রধান মারা গিয়েছে, সেখানে এনআইএ তদন্ত করতেই হবে। এব্যাপারে তিনি চিঠি লিখেছেন বলে জানিয়েছেন।

খুন করেছে তৃণমূলই
শুভেন্দু অধিকারী এদিন অভিযোগ করেছেন, রবিবার রাতের ঘটনার পিছনে রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসই। তিনি আরও অভিযোগ করেন, গ্রামের এইসব গরিব মুসলিমদের নিয়েই তৃণমূল পুরনির্বাচনে ভোট লুট করেছে। তারপর তাদের এই প্রতিদান দিচ্ছে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা
এদিন সকালে প্রথমে বামফ্রন্টের প্রতিনিধি দল এবং পরে বিজেপির প্রতিনিধিদলকে ঘটনাস্থলে যেতে দেয়নি পুলিশ। রাস্তা ঘেরা ছিল গার্ডরেল দিয়ে। সেখানে পদস্থ পুলিশ আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। তারা জানিয়েছেন, ফরেনসিক আধিকারিকরা তদন্ত চালাচ্ছেন তাই ঘটনাস্থলে যাওয়া সম্ভবপর নয়। তবে বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রীর বগটুই গ্রামে যাওয়া প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, তিনি সেখানে যাচ্ছেন তথ্যপ্রমাণ লোপাট করতে।

ফিনাইল দিয়ে মুখ পরিষ্কার করতে হবে
বগটুই যাওয়ার আগে বিজেপির পরিষদীয় দলের গাড়ি শক্তিগড়ে থামে। সেখানে তাঁরা খাওয়া দাওয়া করেন। যা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী কটাক্ষ করে বলেছিলেন, ল্যাংচা খেতে খেতে ল্যাংচাতে ল্যাংচাতে রামপুরহাটে যাচ্ছেন। যা নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, এই হল এক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর মুখের ভাষা। এই মুখটা আগে ফিনাইল-ব্লিচিং দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। তিনি বলেন, যে পাথরের গাড়ি রাতে ছাড়া হয়, বিজেপির প্রতিনিধিদলের যাতে এলাকায় যেতে দেরি হয়, তার জন্য এদিন দিনের বেলাতেই হাজার হাজার গাড়ি ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। সেই কারণে এলাকায় পৌঁছতে তাঁদের ২ ঘন্টা দেরি হয়েছে। কটাক্ষ করে শুভএন্দু অধিকারী বলেছেন, পিসি-ভাইপোর হেলিকপ্টার আছে। তারা তো রাস্তায় আসবেন না। রাস্তার অবস্থাটা কী তা তাঁরা জানেন না। আর ল্যাংচা খাওয়া প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, সকাল সাতটায় রওনা দিয়ে বিকেল তিনটেয় পৌঁছতে গেলে রাস্তায় কি কোথায় খাওয়া যাবে না।

আতঙ্কগ্রস্তদের পাশে থাকার আশ্বাস
রবিবারের গণহত্যার ঘটনায় মৃতদের আত্মীয়রা এদিন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর হাত ধরে কেঁদে ফেলেন। পুলিশি আতঙ্কের কথাও জানান। শুভেন্দু অধিকারী সেই সময় তাঁদের আশ্বস্ত করেন। তিনি বলেন, এলাকায় এসেছেন বলে, এঁদের কাউকেই বিজেপি করতে বলবেন না। এছাড়াও ঘটনার এক প্রত্যক্ষদর্শী সাঁইথিয়ার বাতাসপুরে রয়েছেন। তাঁর সঙ্গেও শুভেন্দু অধিকারী হোয়াটসঅ্যাপ কলে কথা বলে আশ্বস্ত করার চেষ্টা করেন।












Click it and Unblock the Notifications