পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পর অনুব্রত মণ্ডলের খামারবাড়ির হদিশ বোলপুরে, কী রয়েছে সেখানে
পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পর অনুব্রত মণ্ডলের খামারবাড়ির হদিশ বোলপুরে, কী রয়েছে সেখানে
পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পর অনুব্রত মণ্ডলের খামারবাড়ির হদিশ মিলল বোলপুরে। তাহলে কি নামে-বেনামে আরও সম্পত্তি রয়েছেন বীরভূমের বেতাজ বাদশা তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের। তার মধ্যে রবিবার বোলপুরে খামারবাড়ির কেয়ারটেকার চাঞ্চল্যকর দাবি করে বসেন। প্রায় ৫০ বিঘা জমি রয়েছে, তার মধ্যেই রয়েছে ওই খামারবাড়ি।

অনুব্রত মণ্ডলের খামারবাড়ির সঙ্গে ৫০ বিঘা জমি!
অনুব্রত মণ্ডলের খামারবাড়িটি বিরাট এলাকাজুড়ে। বাড়ির সঙ্গে বেশ বড় ধানজমি, বাগান ও পুকুর রয়েছে। ওই জমিতে ধান চাষ হয়। রয়েছে অন্যান্য সবজি চাষও। আবার পুকুরে রয়েছে মাছের চাষও। প্রায় ৫০ বিঘাজুড়ে ওই খামার বাড়ি, বাগান ও চাষযোগ্য জমি রয়েছে। সেখানে রয়েছে কেয়ারটেকার। কেয়ারটেকারের পরিবার থাকে সেখানে। রয়েছে একটি শিবমন্দিরও।

২০ বছর আগে ওই সম্পত্তি অনুব্রত মণ্ডল কেনেন!
প্রায় ২০ বছর আগে ওই সম্পত্তি অনুব্রত মণ্ডল কেনেন বলে দাবি। খামারবাড়িটিতে থাকেন কেয়ার টেকার পরিবার। চাষাবাদ থেকে শুরু করে মন্দিরের দেখাশোনা করেন তাঁরা। এখানে গিয়ে দেখা গেল বিরাট অংশের জমিতে ধানচাষ হয়েছে। রোপন করা হয়েছে ধান গাছ। সবুজ হয়ে আছে বিরাট মাঠ। এছাড়া পুকুরটির চারধারে সবজি চাষও রয়েছে।

অনুব্রতের গ্রেফতারিতে কেয়ারটেকার পরিবার বিপাকে
অনুব্রত মণ্ডল গ্রেফতার হওয়ার পর এই কেয়ারটেকার পরিবার পড়েছে বিপাকে। বিশাল এলাকাজুড়ে চাষ হচ্ছে। তা কী করে হবে এরপর। সেটা একটা বিরাট সমস্যা। কেয়ারটেকার পরিবারের পক্ষে ওই বিশাল এলাকার চাষের খরচ জোগানো সম্ভব নয়। অনুব্রত মণ্ডলের গ্রেফতারিতে তাঁরা বলছেন খারাপ লাগছে খুব। এখন কী করে সবকিছু চলবে, কিছুই বুঝে উঠতে পারছি না।

শিবরাত্রির সময় শিবমন্দিরে পুজোয় আসতেন অনুব্রত
কেয়ারটেকার পরিবারের কাছে প্রশ্ন করা হয়েছিল, অনুব্রত মণ্ডল কি এখানে আসতেন? তার উত্তরে ওই পরিবার জানায়, তিনি বছরে একবার আসতেন। প্রতি বছর শিবরাত্রির সময় শিব মন্দিরে পুজো হত। সেই পুজোয় আসতেন অনুব্রতবাবু। থাকতেন বেশ কিছুক্ষণ। বাকি সময় এই বাড়িতে থাকতেন তাঁরাই। অন্যান্য সময় আর অনুব্রত মণ্ডল এই বাড়িতে আসতেন না।

অনুব্রত মণ্ডলের ৪৫টি সম্পত্তি রয়েছে, চার্জশিটে সিবিআই
এদিকে সিবিআই চার্জশিটে অনুব্রত মণ্ডলের সম্পত্তির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ৪৫টি সম্পত্তি অনুব্রত মণ্ডলের রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। কোনওটা তাঁর নিজের নামে, আর কোনওটা তাঁর স্ত্রী-কন্যার নামে রয়েছে। অন্যান্য বেনামেও রয়েছে বলে মনে করছে সিবিআই আধিকারিকরা। তার খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে। সেইসঙ্গে জানার চেষ্টা চালানো হচ্ছে, অনুব্রত মণ্ডলরে আয়ের উৎস কী, যেখান থেকে তিনি এত সম্পত্তি করেছেন।

পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাগানবাড়ির হদিশ মিলেছিল বোলপুরে
এখানে উল্লেখ্য, পার্থ চট্টোপাধ্যায়েরও একটি বাগানবাড়ি উদ্ধার হয়েছিল বোলপুরে। 'অপা' নামের সেই বাড়িটির মিউটেশন ছিল অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের নাম। তবে ওই বাড়ি পার্থ চট্টোপাধ্যায় কিনেছিলেন বলে দলিলে উল্লেখ আছে বলে দাবি ইডি আধিকারিকদের। তা আরও ভালো করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ওই বাড়িতে মাঝেমধ্যেই পার্থ চট্টোপাধ্যায় যেতেন বলেও জানা গিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications