Anubrata Mondal: লোকসভা ভোটের আগে কেষ্টকে নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত তৃণমূলের
কালীপুজো মিটতেই বীরভূম নিয়ে বড় পদক্ষেপ তৃণমূলের। বীরভূম জেলা সভাপতি পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল অনুব্রত মণ্ডলকে। গরু পাচার কাণ্ডে গ্রেফতারির ২ বছর পরে অবশেষে কেষ্টকে নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল দল।
যদিও তালিকায় বীরভূম জেলা সভাপতি পদে কারোর নাম প্রকাশ করা হয়নি। তালিকায় লেখা হয়েছে, কোর কমিটি টু কমিটি। অর্থাৎ কেষ্টর মতো দোর্দণ্ড প্রতাপ নেতা যে এখনও বীরভূমে তৈরি হয়ে উঠতে পারেনি এটা তারই প্রমাণ। যদিও অনুব্রতর অবর্তমানে কাজল শেখের গুরুত্ব বেড়েছে জেলা সংগঠনে। কেষ্ট থাকতে কাজল শেখ তেমন ভাবে সংগঠনে সক্রিয়ভাবে থাকেননি।

কিন্তু কেষ্টর গ্রেফতারির পর থেকে কাজল শেখকে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বেশ বিস্ফোরক সব মন্তব্য করতে দেখা গিয়েছিল। এমনকী বিধানসভা ভোটের আগেও কাজল শেখতে বেশ সক্রিয়ভাবে ভূমিকা নিতে দেখা গিয়েছিল। অনুব্রতর গ্রেফতারির পর তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন স্বয়ং দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছিলেন কেষ্টকে জোর করে গ্রেফতার করা হয়েছে। বীরভূমের দািয়ত্ব নিেজর হাতেই রেখেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার সঙ্গে রেখেছিলেন ফিরহাদ হাকিমকে।
গ্রেফতারির প্রায় আড়াই বছর কেষ্টকে জেলা সভাপতি পদে রেখেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। সামনেই লোকসভা ভোট। একাধিক জেলায় সাংগঠনিক রদবদল করা হচ্ছে। তার মধ্যে বীরভূমের মতো গুরুত্বপূর্ণ জেলা নিয়ে তেমন কোনও পদক্ষেপ করতে দেখা যায়নি তৃণমূল কংগ্রেসকে। শেষ পর্যন্ত কেষ্টকে নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে কি বাধ্য হলেন মমতা। কেষ্টকে সরানো হলেও সেখানে নতুন কাউকে আনা হল না কেন তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
কেষ্টর বিকল্প যে এখনও বীরভূমে কেউ তৈরি হয়নি সেটা তারই প্রমাণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। কেষ্টকে হঠাৎ করে সরিয়ে দিলে তাঁর অনুগামীরা যদি বেঁকে বসে সেকারণে সভাপতি পদ থেকে সরালেও নতুন কাউকে সেই পদে বসানোর সাহস দেখাতে চাইছেন না মমতা বা অভিষেক।












Click it and Unblock the Notifications