বাড়ির ছাদে মহাযজ্ঞ আর করা হল না কেষ্টর, ১৫ অগাস্ট কার কল্যাণ কামনা অধরা রইল অনুব্রতর

বাড়ির ছাদে মহাযজ্ঞ আর করা হল না কেষ্টর, ১৫ অগাস্ট কার কল্যাণ কামনা অধরা রইল অনুব্রতর

কোনও কিছু ঘটতে পারে আঁচ করতে পেরেই যজ্ঞ করতেন কেষ্ট। একুশের ভোটের আগে একাধিক বার যজ্ঞ করেছিলেন তিনি। কখনো তারাপীঠ, কখনো কঙ্গালীতলা। এবার একবারে নিজের বাড়ির ছাদেই ১৫ অগাস্ট মহাযজ্ঞের আয়োজন করেছিলেন তিনি। কিন্তু সেটা আর করা হল না।তার আগেই সিবিআই হেফাজতে চলে গেলেন কেষ্ট। কিন্তু এবার কার জন্য যজ্ঞের আয়োজন করেছিলেন কেষ্ট?

করা হল না মহাযজ্ঞ

করা হল না মহাযজ্ঞ

নিজের বাড়ির ছাদে মহাযজ্ঞের আয়োজন করেছিলেন বীরভূমের দোর্দণ্ড প্রতাপ টিএমসি জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। ১৫ অগাস্টের শুভ দিনে এই যজ্ঞের আয়োজন করা হয়েছিল। কালী ভক্ত অনুব্রত। প্রায়ই তাঁকে তারাপীঠ কঙ্কালীতলায় দেখা যেত পুজো দিতে। নিজের বাড়িতেও কালী পুজো করতেন তিনি। কঠিন পরিস্থিতি তৈরি হলেই তারাপীঠ-কঙ্কালীতলায় গিয়ে যজ্ঞ করতেন। কিন্তু এবার কার জন্য যজ্ঞ করছিলেন তিনি? নিজের সংকট মোচনেই কি এই যজ্ঞের আয়োজন করেছিলেন কেষ্ট?

একাধিক বার যজ্ঞ

একাধিক বার যজ্ঞ

এর আগেও একাধিকবার যজ্ঞ করেছেন কেষ্ট। দোর্দণ্ড প্রতাপ হলেও ধর্মভিরু ছিলেন তিিন। সেটা তাঁর কালী ভক্তি দেখেও বোঝা যেত। কালীপুেজায় বিপুল সোনার হার গড়িয়ে দিয়েছিলেন মা কালীকে। একুশের ভোটের আকে কঙ্কালী তলায় বিশাল যজ্ঞের আয়োজন করেছিলেন তিনি। তার পরে আবার ভোটের রেজাল্ট বেরোনোর আগে তারাপীঠের মন্দিরে যজ্ঞ করেছিলেন অনুব্রত। সেট ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যের জয়ের জন্য যজ্ঞ। এবারট হয়তো নিজের জন্যই আয়োজন করেছিলেন তিনি। গত এক মাস ধরে যে সিবিআই সংকট তঁর উপরে ভর করেছিল তার থেকে রেহাই পেতেই হয়তো যজ্ঞের আয়োজন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর সেটা হল না তার আগেই সিবিআই তাঁকে তুলে নিয়ে গেল। সেই ঠকুর ঘর থেকেই তাঁকে বের করে নিয়ে যায় সিবিআই।

ফাঁকা শুনশান নীচু পট্টির বাড়ি

ফাঁকা শুনশান নীচু পট্টির বাড়ি

সকাল থেকে যে বড়ির চারপাশে ভিড় করতেন অসংখ্য মানুষ। কেউ আসতেন দাদার সঙ্গে দেখ করতে। কেউ আসতেন দরকারে। কেউ আসতেন সমস্যা নিয়ে। আবার কেউ আসতেন অভিযোগ জানাতে। পাড়ার গণ্ডগোল থেকে গ্রামের গণ্ডগোল সবটার জন্য এক কথায় দরজা খোলা থাকত কেষ্টর। সোজা নেত্রী তাঁকে নামে চেনেন। কালীঘােটর বাড়িতে পর্যন্ত পৌঁছে যেতে পারতেন। বিধায়ক সাংসদ না হয়ে এতটাই ছিল কেষ্টর ক্ষমতা। বাঘে গরুতে এক ঘাটে জল খেত যেখানে সেই কেষ্টকে অনায়াসেই তুলে নিয়ে গেল সিবিআই। কেউ বিক্ষোভ পর্যন্ত দেখাল না। এখন খাঁ খা করছে নীচুপট্টির বাড়ি। দরজা জানলা সব বন্ধ।

২০ দিনের সিবিআই হেফাজত

২০ দিনের সিবিআই হেফাজত

নাটকীয় গ্রেফতারির পর সোজা আসানসোলে বিশেষ আদালতে পেশ করা হয়েছিল অনুব্রত মণ্ডলকে। সারাদিন গ্রেফতার না দেখালে শেষ বেলায় গিয়ে অনুব্রত মণ্ডলকে গ্রেফতার করে সিবিআই। তারপরেই আদালতে পেশ। ততক্ষণে অনুব্রত চোর। আদালতে জুতো হাতে প্রতিবাদ অনেক কিছু দেখে ফেলেছেন কেষ্ট। আদালতে জামিনের আবেদন জানাননি অনুব্রতর আইনজীবী। অনুব্রত বিচারকের কাছে আবেদন করেছিলেন আমি অসুস্থ সেই বিবেচনা করে যেন রায় দেন। শেষ পর্যন্ত ২০ অগাস্ট পর্যন্ত সিবিআই হেফাজতে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+