১০০ দিনের কাজে দুর্নীতির অভিযোগ, তৃণমূলের 'গোষ্ঠী সংঘর্ষে' রণক্ষেত্র অনুব্রত মণ্ডলের গড়
১০০ দিনের কাজে (100 days Work) দুর্নীতির (corruption) অভিযোগে রণক্ষেত্র দুবরাজপুর (Dubrajpur)। দফায় দফায় সংঘর্ষ। তাতে যথেচ্ছভাবে বোমা-গুলির ব্যবহার করা হয়। একাধিক ব্যক্তি এই সংঘর্ষে আহত হয়েছে। তাঁরাই দাবি করেছেন, যে
১০০ দিনের কাজে (100 days Work) দুর্নীতির (corruption) অভিযোগে রণক্ষেত্র দুবরাজপুর (Dubrajpur)। দফায় দফায় সংঘর্ষ। তাতে যথেচ্ছভাবে বোমা-গুলির ব্যবহার করা হয়। একাধিক ব্যক্তি এই সংঘর্ষে আহত হয়েছে। তাঁরাই দাবি করেছেন, যে দুপক্ষের সংঘর্ষ, সবাই তৃণমূলের (Trinamool Congress) সঙ্গেই যুক্ত। পুলিশ এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত আটজনকে গ্রেফতার করেছে। উদ্ধার করা হয়েছে দুটি আগ্নেয়াস্ত্র এবং ৬ টি কার্তুজ। যদিও তৃণমূলের তরফে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কথা অস্বীকার করা হয়েছে।

দুর্নীতির অভিযোগের পর্যবেক্ষণে উত্তেজনা
বেশ কিছুদিন ধরেই দুবরাজপুরে ১০০ দিনের কাজ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। এদিন তার পর্যবেক্ষণে যায় দুবরাজপুর ব্লকের একটি প্রতিনিধিদল। মুহূর্তে উত্তেজনা তৈরি হয় এলাকা জুড়ে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে শাসকদলের নেতা, বুথ সভাপতি গফ্ফর খানের বাড়ির পাশে সমীক্ষার শুরু করতে গিয়েই গণ্ডগোল শুরু হয়ে যায়।

দুই তৃণমূল নেতার বিবাদ থেকে সংঘর্ষ
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, এলাকায় তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি মুকুল মণ্ডলের সঙ্গে কার্যকরী সভাপতি তরুণ গড়াই বিবাদ দীর্ঘদিনের। বুথ সভাপতি গফ্ফর খান মুকুল মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। এদিন গফ্ফর খানের বাড়ির পাশে সমীক্ষার কাজ শুরু হওয়ার পরে কার্যকর্মী সভাপতি তরুণ গড়াইয়ের অনুগামীরা দাবি করেন, তাঁদের এলাকাতেও সমীক্ষা করানোর। যা নিয়ে দুপক্ষের বচসা।

ইটবৃষ্টি থেকে গুলি-বোমা ছিল সবই
দুপক্ষের বচসা থেকেই সংঘর্ষ শুরু হয়ে যায়। প্রথমে দুপক্ষের মধ্যে ইটবৃষ্টি চলে। তারপর যথেচ্ছ বোমা-বৃষ্টি করা হয়। এরই মধ্যে চলে গুলিও। গুলি ও বোমার আঘাতে আহত হয়েছেন কমপক্ষে ছয়জন। তাঁদেরকে দুবরাজপুর গ্রামী হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। খবর পেয়েই এলাকায় যায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। আটজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পুলিশ সুপার নগেন্দ্র ত্রিপাঠী এলাকায় পুলিশ পিকেট বসানোর কথা জানিয়েছেন। পাশাপাশি কীভাবে এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্র ও বোমা মজুত হল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি। নির্দিষ্ট কয়েকজনের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

বিধানসভায় পরাজিত হয়েছে তৃণমূল
দুবরাজপুর বিধানসভা এলাকা দীর্ঘদিন বাম শরিক ফরওয়ার্ড ব্লকের দখলে ছিল। এই আসন থেকে জয়ী হওয়া ভক্তিপদ ঘোষ এবং ভক্তিভূষণ মণ্ডলের মতো জনপ্রতিনিধিরকা রাজ্য মন্ত্রিসভায় মন্ত্রীও হয়েছিলেন। ২০১১-র পালা বদলের বছরেও এই আসন থেকে জয়ী হয়েছিলেন ফরওয়ার্ড ব্লকে প্রার্থী। ২০১৬-তে এই আসন থেকে জয়ী হন তৃণমূলের নরেশচন্দ্র বাউরি। ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে আসনটি বিজেপির কাছে হারায় তৃণমূল কংগ্রেস। বিজেপির অনুপ কুমার সাহা এই আসন থেকে জয়ী হন।












Click it and Unblock the Notifications