বীরভূমে সন্ত্রাসের আসল নায়ক কে, রামপুরহাট-কাণ্ডের পর ফেসবুক পেজে প্রশ্ন অধীরের
বীরভূমে সন্ত্রাসের আসল নায়ক কে, রামপুরহাট-কাণ্ডের পর ফেসবুক পেজে প্রশ্ন অধীরের
রামপুরহাটের গণহত্যার ঘটনায় তোলপাড় পড়ে গিয়েছে রাজ্যে। তৃণমূলের আমলের এণ প্রথম গণহত্যা ফের উসকে দিয়েছে ছোট আঙাড়িযা, সূচপুরকাণ্ডের স্মৃতি। বাম আমলে যে সমস্ত নারকীয় হত্যালীলা ঘটেছিল রামপুরের ঘটনা তার থেকে কম নয় বলে ব্যাখ্যা করেছেন প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি অধীর চৌধুরী। তিনি এই ঘটনার নেপথ্য নায়ক কে, তার ইঙ্গিত দিয়েছেন তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে।

মঙ্গলবার রামপুরহাটের বগটুই গ্রামে উপপ্রধান ভাদু শেখকে হত্যা করার পর কার্যত তাণ্ডব শুরু হয়। এলাকার প্রায় সাত-আটটি বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। এই ঘটনায় পুড়ে মারা যায় আটজন। সাতজনের অগ্নিদগ্ধ দেহ উদ্ধার করা হয় মঙ্গলবার। পরদিন অর্থাৎ বুধবার হাসপাতালে মৃত্যু হয় একজনের। তারপর পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সিট গঠন করে আইসি, এসডিপিওকে ক্লোজড করা হয়েছে। সরানো হয়েছে এসপিকেও। আর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্দেশ দেওয়ার পর গ্রেফতার করা হয় তৃণমূলর ব্লক সভাপতি আনারুল ইসলামকে।
আনারুলকে গ্রেফতারের পর এ প্রসঙ্গে বিস্ফোরক অভিযোগ আনেন অধীর চৌধুরী। তিনি তাঁর ফেলবুক পেজে গর্জে ওঠেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের বিরুদ্ধে। তিনি ফেসবুকে লিখেছেন, উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপিয়ে বলির বাখরা বানানোর রাজনীতি আমি বিশ্বাস করি না। তিনি প্রশ্ন তোলেন, আনারুলরা আজ আনারুল হয় কী করে! বাংলার মুখ্যমন্ত্রী কী এ কথা জানেন না?
এরপর প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিঁধে প্রশ্ন ছোঁড়ে, বীরভূমের সন্ত্রাসের নায়ক কে, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী কি জানেন না? মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে প্রমাণ করে দিয়েছেন পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার কথা। তিনি পুলিশের একাধিক আধিকারিককে ক্লোজ করেছেন। কিন্তু তিনি কি জানেন না, পুলিশমন্ত্রী তিনি নিজেই!
অধীর চৌধুরী নিজের ফেসবুক পেজে এই প্রশ্ন তোলার পর অনেকেই তাতে কমেন্ট করেছেন। অনেকে বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রী নিজেই তো পুলিশমন্ত্রী। আর পুলিশের ঘাড়ে যখন দোষ চাপাচ্ছেন, তখন দায় তো তারও। কারণ তিনি নিজে তো পুলিশমন্ত্রী। পুলিশকে দায়ী করছেন আর পুলিশমন্ত্রী অপদার্থতার কথা স্বীকার করবেন না! একজন তো কমেন্ট করেছেন এই রামপুরহাট গণহত্যার আসল নায়ক হল মুখ্যমন্ত্রী প্রিয় ভাই কেষ্টা অর্থাৎ অনুব্রত মণ্ডল। এভাবেই সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা মন্তব্য ভেসে এসেছে অধীর চৌধুরীর পোস্টকে কেন্দ্র করে। এই পেজেই প্রশ্ন তোলা হয়েছে, কেন বীরভূমের সন্ত্রাসের আসল নায়ককে গ্রেফতার করা হবে না।












Click it and Unblock the Notifications