মেলা থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে নাবালিকাকে গণধর্ষণ! হাঁসখালির পর শান্তিনিকেতনে উত্তেজনা
মেলা থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে নাবালিকাকে গণধর্ষণ! হাঁসখালির পর শান্তিনিকেতনে উত্তেজনা
হাঁসখালির পর এবার শান্তিনিকেতন। এবার শান্তিনিকেতনে নাবালিকাকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠল। মেলা থেকে ফেরার পথে নাবালিকাকে তুলে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে নির্যাতিতাকে। চড়কের মেলা থেকে তুলে নিয়ে ফাঁকা মাঠে গণধর্ষণ করা হয়।

নাবালিকা তার বন্ধুর সঙ্গে মেলায় গিয়েছিল। তখন আচমকাই কয়েকজন মাস্ক পরা যুবক তাকে মুখ বেঁধে তুলে নিয়ে যায়। শুক্রবার সকালে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয় পরিবারের পক্ষ থেকে। পুলিশ এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। নাবালিকার সঙ্গে থাকা তার বন্ধুকে জেরা করছে পুলিশ।
শান্তিনিকতনের যে চড়ক মেলার আসর বসেছিল। সেখানে বন্ধুর সঙ্গে মেলা দেখতে গিয়েছিল নাবালিকা। চার-পাঁচজন তাঁকে জোর করে তুলে নিয়ে যায়। নাবালিকার সঙ্গে থাকা বন্ধুটিকে জিজ্ঞাসা করে পুলিশ জানার চেষ্টা চালাচ্ছে, কারা এই ঘটনায় জড়িত। মাঠের মাঝখান থেকে নাবালিকাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় বলে জানা গিয়েছে।
বীরভূমের শান্তিনিকেতন থানার বড়োডাঙা গ্রামে এক আদিবাসী নাবালিকাকে গণধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। হাঁসখালির ঘটনা নিয়ে রাজ্য রাজনীতি তোলপাড়। আবার এক নাবিলিকা গণধর্ষিতা হলেন। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই আদিবাসী কিশোরী বৃহস্পতিবার রাতে মায়ের সঙ্গে চড়কের মেলায় গিয়েছিল। মেলায় এক বন্ধুর সঙ্গে দেখা হলে তারা দু'জনে গল্প করছিল মাঠের একটি দিকে বসে।
তখনই হঠাৎ জনা চারেক যুবক এসে ছেলেটিকে মারধর করে তাকে তুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ। এরপর ফাঁকা মাঠ পেরিয়ে নদীর নির্জন চড়ে নিয়ে গিয়ে তারা নাবালিকার উপর যৌন নিপীড়িন চালায় বলে অভিযোগ। তারপর নদীর চড়ে তাঁকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় বলে জানা গিয়েছে পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে।
নাবালিকার বন্ধুটি স্থানীয় লোকজনকে জানায় নাবালিকাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার কথা। তারপর স্থানীয়রা গিয়ে মেয়েটিকে উদ্ধার করে। তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত তিনজনকে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। এদিন সকালে ঘটনাস্থলে যান পুলিশ সুপার নগেন্দ্র ত্রিপাঠী। তিনি এই ঘটনায় অবিলম্বে দোষীদের ধরা হবে এবং উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে বলে আশ্বস্ত করেন।
পুলিশ সুপার বলেন, আমরা একটা অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত হচ্ছে। মেলা থেকে ফেরার পথে চার-পাঁচজন ওই নাবালিকাকে তুলে নিয়ে গিয়ে অত্যাচার চালায় বলে অভিযোগ। ওই নাবলিকার মেডিকেল টেস্ট করা হয়েছে। আমরা তদন্ত করছি। কতজন ছিল তা স্পষ্ট করে বলতে পারেনি সে, তবে চার-পাঁচ জন ছিল বলে জানিয়েছে। প্রত্যেকের মুখেই মাস্ত ছিল। ফলে চিনতেও পারেনি।












Click it and Unblock the Notifications