১০০-য় ৩০০, নম্বর দেখে চক্ষু চড়কগাছ, ফের বিতর্কে বিশ্বভারতী
১০০-য় ৩০০, নম্বর দেখে চক্ষু চড়কগাছ, ফের বিতর্কে বিশ্বভারতী
ফের বিতর্কে বিশ্বভারতী। উপাচার্যের পর এবার নম্বর বিতর্ক জুড়ল বিশ্বভারতীতে। এমএডের নম্বরে ১০০ মধ্যে ৩০০ নম্বর পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে ছাত্র ছাত্রীদের। ওয়েবসাইটে নিজেদের নম্বর দেখে চমকে গিেয়ছেন ছাত্রছাত্রীরা। এমএডের নম্বর দেখে শোরগোল পড়ে গিয়েছে গোটা রাজ্যে। কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে কয়েকদিন আগেই
উপাচার্যকে নিয়ে তুমুল শোরগোল পড়েছিল। উপাচার্যের অপসারণের দাবিতে প্রধানমন্ত্রী মোদীর কাছে চিঠি পর্যন্ত পাঠানো হয়েছে।

নম্বর বিতর্ক বিশ্বভারতীতে
এমএডের নম্বর প্রকাশিক হয়েছে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে। ১০০ নম্বরের পরীক্ষা। তারমধ্যে কেউ পেয়েছেন ২০০, কেউ পেয়েছেন ১৫০, কেউ আবার পেয়েছেন ৩০০ নম্বর। ওয়েবসাইটে ফলাফল দেখে চমকে গিয়েছেন ছাত্রছাত্রীরা। কীভাবে ১০০-র মধ্যে ২০০ নম্বর পেলেন তাঁরা এই নিয়ে নিজেরাই চিন্তিত হয়ে পড়েছেন তাঁরা। খবর জানাজানি হতেই শোরগোল পড়ে িগয়েছে। বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ কিন্তু এই নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চায়নি। কীভাবে নম্বরে এই গাফিলতি হল তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই।

উপাচার্য বিতর্ক
গত কয়েক মাস ধরেই বিতর্কে রয়েছে বিশ্বভারতীতে। উপাচার্যের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ করা হয়েছে। যেখানে সেখানে পাঁচিল তুলে বিশ্বভারতীর আশ্রমের ঐতিহ্য নষ্ট করছেন উপাচার্য এমনই অভিযোগে সরব হয়েছিলেন ছাত্রছাত্রী থেকে শিক্ষকরা। এমনকী স্থানীয় ব্যবসায়ী সংগঠনের সঙ্গেও চরম বিরোধ তৈরি হয়েছিল। পাঁচিল ভাঙা পর্যন্ত হয়েছিল। বিশ্বভারতীর একাধিক উৎসব তিনি নিয়ম না মেনে করায় প্রবল সমালোচনা শুরু হয়েছিল।

উপাচার্যের অপসারণের দাবি
২ ছাত্রকে অপসারণের সিদ্ধান্তের পর বিক্ষোভ তুমুল হয়েছিল। উপাচার্যের বাড়ি ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছিলেন ছাত্রছাত্রীরা। তাতে সমর্থন জানিয়েছিলেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষকরাও। বেশ কিছুদিন ধরে চলেিছল সেই বিক্ষোভ। শেষ মেষ বিক্ষোভ মেটাতে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হতে হয়েছিল। হাউকোর্টের নির্দেশে বিশ্বভারতীতে উপাচার্যের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রত্যাহার করে ছাত্রছাত্রীরা। তারপরে স্বাভাবিক হয় পরিষেবা।

বিজেপির প্রতিনিধি উপাচার্য
বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য বদলের পরেই বিজেপির তৎপরতা বেড়েছিল। বিশ্বভারতীতে অমিত শাহের সফর ঘিরে জল্পনা শুরু হয়েছিল। িবজেপির প্রতিনিধি হয়ে বিশ্বভারতীতে কাজ করছেন উপাচার্য এমনই অভিযোগ করা হয়েছিল। তারপরেই উপাচার্যের বিরুদ্ধে শোরগোল পড়ে যায়। এই নিয়ে জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে। বিশ্বভারতীতে তুমুল উত্তেজনা শুরু হয়।












Click it and Unblock the Notifications