তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে ফের উত্তপ্ত ভাঙড়! দলীয় অফিস ভাঙচুর, ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী
ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠল ভাঙড়। পিছনে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। পুলিশ সূত্রে খবর, কাশীপুর থানার পাকাপোল এলাকায় মূলত জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তৃণমূল নেতা ফিরোজ উদ্দিন সাপুই ও খাইরুল ইসলামের গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এই ঘ
ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠল ভাঙড়। পিছনে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। পুলিশ সূত্রে খবর, কাশীপুর থানার পাকাপোল এলাকায় মূলত জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তৃণমূল নেতা ফিরোজ উদ্দিন সাপুই ও খাইরুল ইসলামের গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এই ঘটনায় ফিরোজ উদ্দিন সাপুই-এর পার্টি অফিস ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠেছে খয়রুল ইসলাম গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় উভয়পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। খবর পেয়ে এলাকায় যায় কাশীপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। উত্তেজনা থাকলেও আপাতত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বলে আনা গিয়েছে।

এক গোষ্ঠীর অভিযোগ হামলার
ফিরোজ উদ্দিন সাপুইয়ের নেতৃত্বধীন গোষ্ঠীর অভিযোগ, খাইরুল ইসলামের গোষ্ঠীর লোকজন তাদের কর্মী-সমর্থকদের ওপরে হামলা চালায়। এমন কী তিনি যে পার্টি অফিসে বসেন, তাও ভাঙচুর করা হয়। এই নেতা আরও দাবি করেছেন, খাইরুল ইসলামের গোষ্ঠীর এক কর্মীই তাঁদের এক কর্মীকে প্রথমে হামলার কথা জানায়। এরপর তারা খাইরুল ইসলামের লোকজনকে বিষয়টি নিয়ে জিজ্ঞাসা করতেই হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। ফিরোজ উদ্দিন সাপুই দাবি করেছেন, খাইরুল ইসলামের লোকজন প্রথমে গালাগালি দেওয়ার অভিযোগ করে। তবে তাদের মধ্যে হাতাহাতির কথা স্বীকার করে নিয়েছেন ফিরোজ উদ্দিন সাপুই।

পার্টি অফিস ভাঙা হয়নি
অন্যদিকে ভাঙড়ের যুব তৃণমূলের সহ সভাপতি খাইরুল ইসলামের দাবি তারা ফিরোজ উদ্দিন সাপুইয়ের কাছাকাছি যাননি। তাঁর কিংবা তাঁদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা মিথ্যা বলে দাবি করেছেন খাইরুল ইসলাম। ফিরোজ উদ্দিন সাপুইয়ের ভাই জাকির সাপুইকে জিজ্ঞাসা করলে সব জানা যাবে বলে জাবি করেছেন খাইরুল ইসলাম। রাতেই বিষয়টি নিয়ে থানার বড়বাবুকে জানিয়েছেন খাইরুল ইসলাম। বিষয়টি নিয়ে কারা ঠিক বলছে, তার তদন্তেরও দাবি করেন তিনি। ফিরোজ উদ্দিন সাপুইয়ের পার্টি অফিসের ওপর থেকে ইট ছোঁড়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন খাইরুল ইসলাম।

পুলিশের তদন্তেই ভরসা
তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর হাতাহাতি-মারামারি। যার জেরে দলেরই একটি পার্টি অফিস ভাঙচুর। অভিযুক্ত নেতা বলছেন, পার্টি অফিস ভাঙচুর করা হয়নি। তবে পুলিশি তদন্তের ওপরে আস্থা রেখেছেন দুই নেতাই। দুই নেতাই শুক্রবার রাতেই জানিয়েছিলেন, তাঁরা দুজনেই বড়বাবুর সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ করেছেন। আর বড়বাবুকে বলেছে, পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখথে।

তৃণমূলের গোষ্ঠী দ্বন্দ্বে আগেও উত্তপ্ত ভাঙড়
তৃণমূলের গোষ্ঠী দ্বন্দ্বে আগেও উত্তপ্ত হয়েছে ভাঙড়। এবছরের ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ভাঙড় দুনম্বর ব্লক অফিসের ভিতরে তৃণমূল নেতা আরাবুল ইসলামের সামনে আরেক তৃণমূল নেচা আব্দুল রহিমকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। আক্রান্ত নেতা অভিযোগ করেছিলে আরাবুল ইসলামের বিরুদ্ধেও। পরবর্তী সময়ে ভাঙড় ২ তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি মহসিন গাজির নেতৃত্বে তৃণমূলের কর্মীরা পথ অভরোধ করে বিক্ষোভ দেখান। সেই সময় সংবাদ মাধ্যমকে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ছবি তুলতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল।












Click it and Unblock the Notifications