এবার গোসাবায় খুন তৃণমূল বুথ সভাপতি, দলেরই একাংশ পিটিয়ে মেরেছে বলে অভিযোগ
ফের খুন। আরও এক তৃণমূল কর্মী খুনের খবর সামনে এল। দক্ষিণ ২৪ পরগনার গোসাবায় এই খুন হয়েছে বলে খবর। গত ১৫ দিনে রাজ্যে চার জন তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী খুন হলেন। দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগর, উত্তর ২৪ পরগনা আমডাঙা ও জগদ্দলে তিন তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী অতি সম্প্রতি খুন হয়েছেন। এবার গোসাবায় খুন হলেন আরও একজন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী মৃত ব্যক্তির নাম মুছাকলি মোল্লা। তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের বুথ সভাপতির পদে ছিলেন। তাকে পিটিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে। এমনই খবর প্রাথমিকভাবে পাওয়া গিয়েছে। কিন্তু কেন এই খুন? এই খবর লেখা পর্যন্ত পরিষ্কার কোনও তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। মোছাকলি মোল্লা রাধানগর তারানগর বুথের সভাপতি ছিলেন।

তৃণমূল কংগ্রেসের একটি অংশ এই খুনের সঙ্গে জড়িয়ে। তারাই নৃশংসভাবে পিটিয়ে এই খুন করেছে। প্রাথমিকভাবে এই খবর পাওয়া যাচ্ছে। পথশ্রী প্রকল্পে রাস্তা তৈরির কাজ হচ্ছিল। সেখানে নিম্নমানের জিনিসপত্র ব্যবহার হচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠে। সেই অভিযোগ খতিয়ে দেখতে গিয়েছিলেন এই ব্যক্তি। সেখানেই তাকে পিটিয়ে মারা হয়। এমন ভয়াবহ কথা জানা যাচ্ছে।
শুধু তাই নয়, খুন করে নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছে। তৃণমূলের একাংশ এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত। সোমবার এমন অভিযোগ করছেন মৃতের স্ত্রী। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। এই খবর লেখা পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। কিন্তু এভাবে আক্রমণ কেন? তাহলে কি আগে থেকেই এই রাধানগর তারানগর বুথের সভাপতির কারোর সঙ্গে শত্রুতা ছিল?
এলাকার মহকুমা শাসক জানিয়েছেন ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার করা হবে। এদিকে পরিবারের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। কেন এভাবে রাজ্যে পরপর খুন হচ্ছেন শাসক দলের নেতা - কর্মীরা? নিজেদের মধ্যেই কি দলাদলি প্রবলভাবে বাড়ছে?
এই ক্ষেত্রে প্রাথমিকভাবে নাম জড়িয়েছে এলাকার বিধায়কেরও। গোসাবার বিধায়ক সুব্রত মণ্ডলের অনুগামীদের দিকে এই খুনের জন্য আঙুল উঠছে। মৃত ব্যক্তির সঙ্গে তাদের দ্বন্দ্ব ছিল। এমনই দাবি করছেন মৃতের স্ত্রী। যদিও এই বিষয়ে এই খবর লেখা পর্যন্ত বিধায়কের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।












Click it and Unblock the Notifications