উপনির্বাচনে ভোট কমল সিপিএম-এরও, খড়দহ থেকে রেকর্ড ভোটে জয় তৃণমূলের শোভনদেবের

উপনির্বাচনে ভোট কমল সিপিএম-এরও, খড়দহ থেকে রেকর্ড ভোটে জয় তৃণমূলের শোভনদেবের

উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহ-সহ রাজ্যের ৪ টি কেন্দ্রের উপনির্বাচনে রেকর্ড ভোটে জয়ী হয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা। অন্যদিকে রাসবিহারী থেকে ভবানীপুর হয়ে খড়দহে (Khardah) লড়তে যাওয়া শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় (sovandeb Chatterjee) রেকর্ড ভোটে জয়ী হয়েছেন। তবে এই কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থীর মতোই ভোট কমেছে সিপিএম প্রার্থীরও।

খড়দহে বিপুল ভোটে জয় শোভনদেবের

খড়দহে বিপুল ভোটে জয় শোভনদেবের

খড়দহে বিপুল ভোটে জয় পেয়েছেন তৃণমূলের শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। তাঁর প্রাপ্ত ভোট ১,১৪,০৮৬। শতাংশের নিরিখে তিনি ভোট পেয়েছেন ৭৩.৫৯ শতাংশ। ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের তুলনায় তৃণমূলের ভোট বেড়েছে ২৪.৫৫ শতাংশের মতো। বিজেপির প্রার্থী জয় সাহার সঙ্গে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের ব্যবধান প্রায় ৯৪ হাজারের মতো। এখানে জয় সাহা পেয়েছেন ১৩.০৭ শতাংশ ভোট। এই উপনির্বাচনে কেন্দ্রে বিজেপির ভোট কমেছে ২০.৬ শতাংশের মতো।

একলক্ষের বেশি ভোটে জিতবেন, বলেছিলেন কাজল সিনহার স্ত্রী

একলক্ষের বেশি ভোটে জিতবেন, বলেছিলেন কাজল সিনহার স্ত্রী

এদিন সকালেই খড়দহের প্রয়াত তৃণমূল নেতা কাজল সিনহার স্ত্রী দাবি করেছিলেন, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় একলক্ষের বেশি ভোটে জিতবেন। গত বিধানসভা নির্বাচনের ফল বেরনোর আগে করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হয়েছিলেন কাজল সিনহা। সেই নির্বাচনে তিনি প্রায় ৪৯ শতাংশের মতো ভোট পেয়েছিলেন। তাঁর বিপক্ষে থাকা বিজেপির তরফে শীলভদ্র দত্ত পেয়েছিলেন ৩৩.৬৭ শতাংশ ভোট। ২০১৬-র তুলনায় এই কেন্দ্রে বিজেপির ভোট বৃদ্ধির পরিমাণ ছিল প্রায় ২৪ শতাংশের মতো।

 ভোট কমেছে সিপিএম-এর

ভোট কমেছে সিপিএম-এর

খড়দহ কেন্দ্রের উপনির্বাচনে সিপিএম প্রার্থী করেছিল যুব নেতা দেবজ্যোতি দাসকে। তিনি এই উপনির্বাচনে ভোট পেয়েছেন ১৬১১০। শতাংশের নিরিখে ১০.৩৯ শতাংশ। তবে তা এই বছরের বিধানসভা নির্বাচনের থেরে ৪.৩১ শতাংশ কম। প্রসঙ্গত বিধানসভা নির্বাচনে দেবজ্যোতি দাসই এই কেন্দ্রে সিপিএম প্রার্থী ছিলেন। সেই সময় তিনি পেয়েছিলেন ২৬,৯১৬ ভোট। শতাংশের নিরিখে ১৪.৭০ শতাংশের মতো।

খড়দহে ক্রমেই ভোট কমছে সিপিএম-এর

খড়দহে ক্রমেই ভোট কমছে সিপিএম-এর

এবারের ভোট গণনায় একটা সময়ে সিপিএম প্রার্থী দেবজ্যোতি দাস দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছিলেন। সেই সময় অনেকেই ভেবেছিলেন তিনি এবার লড়াই দিচ্ছেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা হয়নি। বংর আগের বারের থেকে এই কেন্দ্রে সিপিএম-এর ভোট আরও কমে গিয়েছে। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে ১৯৫৭ সালে এই কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছিল প্রজা সোশ্যালিস্ট পার্টি সাতকড়ি মিত্র। কিন্তু এর পর থেকে তা ছিল বামেদের দখলে। রাজ্যের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী তথা সিপিএম নেতা অসীম দাশগুপ্ত এই কেন্দ্র থেকে সব থেকে বেশিবার জয়ী হয়েছিলেন। ১৯৮৭ সাল থেকে তিনি টানা ২০১১ সাল পর্যন্ত এই কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন। তবে ২০১১ এবং ২০১৬ সালে তিনি লড়াই করলেও হেরে যান তৃণমূলের অমিত মিত্রের কাছে। তবে ২০১১ এবং ২০১৬-র নির্বাচনে সিপিএম এই কেন্দ্র থেকে যথাক্রমে ভোট পেয়েছিল ৩৮.৮২ শতাংশ এবং ৩৭.০৭ শতাংশ। তা থেকে ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে নেমে যায় ১৪.৭০ শতাংশে । আর এবার তা কমে হয়েছে ১০.৩৯ শতাংশ।


খবরের ডেইলি ডোজ, কলকাতা, বাংলা, দেশ-বিদেশ, বিনোদন থেকে শুরু করে খেলা, ব্যবসা, জ্যোতিষ - সব আপডেট দেখুন বাংলায়। ডাউনলোড Bengali Oneindia

Recommended Video

বিজেপি যে প্রাসঙ্গিকতা হারিয়েছে তা গত উপনির্বাচনে প্রমাণিত, এবারও প্রমাণ হবে | Oneindia Bengali

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+