‘দিদির দূতে’র সামনেই বাগিয়ে থাপ্পড় তৃণমূলকর্মীর, অভিযোগকারীর কাছে ক্ষমাপ্রার্থনা মন্ত্রীর

‘দিদির দূতে’র সামনেই বাগিয়ে থাপ্পড় তৃণমূলকর্মীর, অভিযোগকারীর কাছে ক্ষমাপ্রার্থনা মন্ত্রীর

দিদির দূতের সামনে অভিযোগ জানাতে গিয়েছিলেন এলাকার অনুন্নয়ন নিয়ে, এটাই অপরাধ ছিল তাঁর। তার জন্য মন্ত্রীর সামনে সপাটে চড় খেতে হল অভিযোগরকারীকে। দিদির দূত রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষের সামনে অভিযোগকারীকে কষিয়ে চড় মারলেন এক তৃণমূল কর্মী।

‘দিদির দূতে’র সামনেই বাগিয়ে থাপ্পড় তৃণমূলকর্মীর, অভিযোগকারীর কাছে ক্ষমাপ্রার্থনা মন্ত্রীর

এই ঘটনার চরম নিন্দা করেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। তিনি বলেন, চড় মেরে ভুল করেছেন ওই কর্মী। এটা একেবারেই ঠিক হয়নি। নিন্দনীয় কাজ হয়েছে। আর এখন দিদির দূতেরা কোথাও গেলেই যে বিক্ষোভ দেখানো হচ্ছে- এটা যেন রাজনৈতিক খেলা হয়ে গেছে।

এদিকে পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে গেলে অভিযোগকারীকে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনায় ক্ষমা চাইলেন খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ। উত্তর ২৪ পরগনা নীলগঞ্জ পঞ্চায়েতের সাইবনা এলাকায় শনিবার সকালে তৃণমূলকর্মীর হাতে আক্রান্ত হন সাগর বিশ্বাস নামে এক যুবক। প্রথমে তৃণমূলকর্মীদের শাসানি, তারপর জোটে কষিয়ে থাপ্পড়।

অভিযোগ, যুবককে থাপ্পড় মেরেও ক্ষান্ত হননি তৃণমূলকর্মীরা, তাঁরা সাগরকে হুমকি দেন তিনি যেন সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ না খোলেন। পরে অবশ্য নিজের ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। প্রথমে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও পরে আক্রান্ত যুবকের সামনে ক্ষমা চেয়ে নেন খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ।

পঞ্চায়েত ভোটের আগে বাংলার সমস্ত মানুষের সুবিধা-অসুবিধা জানতে দিদির সুরক্ষা কবচ নামে একটি কর্মসূচি চালু করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই কর্মসূচির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকবেন দিদির দূত। দিদির দূত হিসেবে সম্প্রতি দিদির সুরক্ষা কবচ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। তৃণমূলের সাংসদ, মন্ত্রী, বিধায়ক থেকে শুরু করে রাজ্যস্তরের নেতা-নেত্রীরা দিদির দূত হয়ে জেলায় জেলায় যাচ্ছেন।

কিন্তু এই কর্মসূচির শুরুতেই বাধার মুখে পড়ছেন তৃণমূল নেতা-নেত্রীরা। গ্রামে তৃণমূলের একাংশই বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। অনুন্নয়নের অভিযোগ সামনে তুলে ধরছেন। এর আগে কুণাল ঘোষ থেকে শুরু করে দেবাংশু ভট্টাচার্য, শতাব্দী রায়, সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, অর্জুন সিং, অসিত মাল এবং অন্যান্যরাও বিক্ষোভের মুখে পড়েন।

মানুসের ক্ষেভ-বিক্ষোভ সামনে চলে আসে। মানুষের না পাওয়া যন্ত্রণার কথা জানাতে শুরু করেন স্থানীয়রা।বহু জায়গায় ঢুকতেই পারেননি তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীরা। এতদিন নেতা, মন্ত্রী, সাংসদ বা বিধায়ক কিংবা তৃণমূলে নেতাকর্মীদের সহনশীল ভূমিকায় দেখা গিয়েছিল। এদিন তৃণমূলকর্মীরা সহনশীল না থেকে একেবারে মারমুখী হয়ে উঠলেন। অভিযোগকারীর সঙ্গে খারাপ আচরণ করলেন। এমননকী মারধর পর্যন্ত করলেন মন্ত্রীর সামনে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+