Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে সভা করতে কি ভয় পাচ্ছে তৃণমূল, ৩ তারিখের সভাস্থল বদলের নেপথ্যে কোন কারণ?
৩ তারিখ সন্দেশখালিতে সভা করবে না শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। তার পরিবর্তে ধামাখালিতে সভা করার কথা ঘোষণা করেছে তারা। সোমবার কলকাতায় তৃণমূল কংগ্রেসের সদর দফতর থেকে জানানো হয়েছে ১০ই মার্চের ব্রিগেেডকে সামনে রেখে ৩ তারিখ ধামাখালিতে একটি কর্মিসভা করবে তারা।
সন্দেশখালিতে বিক্ষোভের আগুন কিছুতেই থামছে। দুই মন্ত্রী গত তিনদিন ধরে সেখানে গিয়েও গ্রামবাসীদের শান্ত করতে পারছেন না। গ্রামের মহিলারা নির্ভয়ে সুজিত বসু এবং পার্থ ভৌমিককে জিজ্ঞাসা করেছেন শাহজাহান শেখকে কবে গ্রেফতার করা হবে। তাতে মন্ত্রীরা জবাব দিয়েছেন আদালতের রায়ের কারণেই শাহজাহান শেখকে গ্রেফতার করতে পারছে না রাজ্য পুলিশ।

দুই মন্ত্রীর কথাকে তেমন বিশ্বাসযোগ্য বলে মনে করছেন না গ্রামের বাসিন্দারা। কিছুতেই তাঁরা বিশ্বাস করতে পারছেন না তৃণমূল কংগ্রেস নেতাদের। গতকাল দুই মন্ত্রীকে কীর্তনের আসরেও দেখা গিয়েছে। খোল নিয়ে কীর্তন করেছেন পার্থ ভৌমিক। দাবি করেছিলেন গ্রামের মানুষ আনন্দেই রয়েছেন। সেকারণেই এই কীর্তনের আসর বসিয়েছেন তাঁরা।
মন্ত্রীর এই দাবির পরেই উল্টোচিত্র দেখা গিয়েছিল সন্দেশখালির বেড়মজুরে। গ্রামের মহিলা লাঠি-ঝাঁটা হাতে বাড়ির বাইরে বেরিয়ে এসেছিলেন। এবং মন্ত্রীরা কেন এখন গ্রামে এসেছেন তা নিয়ে সরব হয়েছিলেন তাঁরা। গ্রামের মহিলারা গো ব্যাক লেখা প্ল্যাকার্ড নিয়েও রাস্তায দাঁড়িয়েছিলেন। দুই মন্ত্রী যখন সভা করছেন গ্রামের এক প্রান্তে তখন বেড়মজুর একে রীতিমতো তৃণমূল নেতা অজিত মাইতিকে ধাওয়া করেছিলেন।
অজিত মাইতি চাপের মুখে স্বীকার করেছিলেন যে জোর করে জমি দখল করা হয়েছিল। তবে তাতে সিরাজউদ্দিনের ভূমিকা ছিল বলে দাবি করেছিলেন তিনি। তারপরেই পদ ছাড়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন তিনি। তাঁর জায়গায় যে হলধর আড়িকে বেড়মজুর ১ গ্রামপঞ্চায়েেতর অঞ্চল সভাপতি করার কথা ঘোষণা করেছিলেন পার্থ ভৌমিক। কিন্তু তাতেও ক্ষোভের আগুন রাশ টানতে পারছে না তৃণমূল কংগ্রেস েনতৃত্ব। যাকেই দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে তাঁর বিরুদ্ধেই ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন গ্রামবাসীরা।
এই বিক্ষুব্ধ সন্দেশকালিতে ৩ মার্চ বিপুল জমায়েতে জনসভা করার কথা ঘোষণা করেছিল শাসক দল। কিন্তু ক্ষোভের আগুন যেভাবে চড়ছে তাতে সন্দেশখালি থেকে সভাস্থল সরিয়ে ধামাখালিতে নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত িনয়েছেন তাঁরা। কারণ শাসক দল মনে করছে এই পরিস্থিতিতে সন্দেশখািলতে সভা করলে ক্ষোভের আগুন আরও বাড়বে তাতে হিতে বিপরীত হবে। তাই ধামাখালিতে সভা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সভা বলতে কর্মিসভা করা হবে। সেটা ১০ মার্চের ব্রিগেড সমাবেশের কথা মাথায় রেখে।












Click it and Unblock the Notifications