Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

Suvendu Adhikari: "বগটুইয়ের মতোই পুড়িয়ে মারত", দলুয়াখাকি ঘুরে দুর্গতদের ত্রাণ দিলেন শুভেন্দু

জয়নগরের দলুয়াখাকি গ্রাম ঘুরে দেখলেন শুভেন্দু অধিকারী। একের পর এক বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল চলতি মাসে। তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী সমর্থকরা নেতা খুনের পরে তাণ্ডব চালিয়েছে বলে অভিযোগ। সেই এলাকা ঘুরে দেখলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। ত্রাণ তুলে দিলেন দুর্গত পরিবারগুলির হাতে।

সিপিএমের তরফ থেকে তাদের ছাত্র সংগঠন এসএফআই দোলুয়াখাকি গ্রামে গিয়েছে এর আগে। দুর্গতদের ত্রাণ তুলে দিয়েছিলেন সৃজন ভট্টাচার্যরা। এবার রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ওই গ্রামে পৌঁছালেন। আক্রান্ত গোটা এলাকা পায়ে হেঁটে ঘুরলেন তিনি। সাধারণ মানুষের উঠোনে পর্যন্ত তিনি উঠে যান। ঘটনার পর থেকে পুলিশ এলাকায় কাউকে ঢুকতে দিচ্ছিল না।

Suvendu Adhikari

সাধারণ মানুষ ঘরছাড়া ছিল এলাকার। পরে ফিরে এলেও থাকার মতো পরিস্থিতি সেখানে নেই। তার উপর রীতিমতো আতঙ্ক তাড়া করে বেড়াচ্ছে বাসিন্দাদের। একের পর এক ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল তৃণমূল নেতা খুনের পরে। কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছে ওই গ্রামে ঢোকা যাবে। বিরোধীরা ওই গ্রামে ঢুকতে পারবেন। পুলিশ তাদের সঙ্গে থাকবে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে শুভেন্দু অধিকারী ওই গ্রামে গিয়ে পৌঁছান। ছিলেন অন্যান্য বিজেপি নেতা। পর্যাপ্ত ত্রাণ ও সামগ্রী নিয়ে যাওয়া হয়েছিল আক্রান্ত দুর্গতদের জন্য। শীত পড়ে গিয়েছে। কনকনে ঠান্ডা ওই এলাকায়। কিন্তু বাঁচার রসদটুকু পর্যন্ত এখন অনেকের কাছে নেই। শুভেন্দু অধিকারীরা পরিবারগুলির কাছে কম্বল, পরার জন্য জামাকাপড়, বালতি ও অন্যান্য সামগ্রী তুলে দিয়েছেন।

শুভেন্দু অধিকারীকে দেখে অনেকেই হাত ধরে নিজের কষ্টের কথা বলেছেন। সেদিনের পরিস্থিতির কথা বলতে শোনা গিয়েছে বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের। বিজেপি তাদের পাশে রয়েছে। এ কথা বলেন শুভেন্দু অধিকারী। ওই এলাকায় সিপিএমের ভোটার বেশি। অনেকেই আইএসএফকে পছন্দ করেন। রাজনীতি করতে নয়, মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য তাঁরা এসেছেন। এ কথাই বলেন শুভেন্দু।

কেন্দ্রের বঞ্চনার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লি যাবেন। শুভেন্দু অধিকারীর কটাক্ষ দিল্লি যাওয়ার আগে জয়নগরের এই গ্রাম ঘুরে যান মুখ্যমন্ত্রী। বীরভূমের বগটুইতে সাধারণ মানুষকে পুড়িয়ে মারা হয়েছিল। জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল বাড়িঘর। এখানেও সেই ঘটনা ঘটতে পারত।

এই গ্রামের বাসিন্দারা পরিস্থিতি আঁচ করে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছিলেন। সেই কারণে বেঁচে গিয়েছেন বাসিন্দারা। না হলে সাধারণ মানুষদের বাড়ির মধ্যে পুড়িয়ে মারা হত। এই আশঙ্কা করলেন শুভেন্দু অধিকারী। অবিলম্বে রাজ্য সরকারের উচিত এই পরিবারগুলির পাশে দাঁড়ানো। তাদের বাড়িঘর সম্পূর্ণ ঠিক করে দেওয়া। এই বার্তা দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+