শুভেন্দু অধিকারী প্রকাশ্যে আনলেন তৃণমূলের 'ঘরের কথা'! শাসকদলের হেভিওয়েটকে নিশানা বিরোধী দলনেতার
গোসাবায় (Gosaba) বিজেপি (BJP) প্রার্থী পলাশ রানার (palash rana) সমর্থনে প্রচার সভা, সেখান থেকেই তৃণমূলের (trinamool congress) অভ্যন্তরীণ বিরোধ প্রকাশ্যে আনলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (suvendu adhikari)। তিনি
গোসাবায় (Gosaba) বিজেপি (BJP) প্রার্থী পলাশ রানার (palash rana) সমর্থনে প্রচার সভা, সেখান থেকেই তৃণমূলের (trinamool congress) অভ্যন্তরীণ বিরোধ প্রকাশ্যে আনলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (suvendu adhikari)। তিনি দাবি করেছেন, বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরেও প্রয়াত জয়ন্ত নস্করের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল।

যোগাযোগ ছিল জয়ন্ত নস্করের সঙ্গে
গোসাবায় প্রচারে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন মাস্টার মশাই ২০১১-র পরে ২০১৬-তে গোসাবা থেকে জিতেছিলেন। তিনি দাবি করেন, জয়ন্ত নস্কর তাঁর সঙ্গে শুধু যোগাযোগই রাখতেন না, তাঁর কাছে যেতেনও। তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লা যেমন সিপিএম-এ থাকার সময়ে তাঁকে জ্বালাতন করতেন, তেমনই তৃণমূলেও করছেন। কেন নেত্রীকে বিষয়টি বলছেন না, প্রশ্নের উত্তরে নাকি তিনি বলেছিলেন, ভাইপোর হাত রয়েছে শওকত মোল্লার মাথায়। অনেক দুঃখ ও যন্ত্রণার কথা জয়ন্ত নস্কর তাঁকে বলে গিয়েছেন।

তৃণমূল প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি
তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের কথা প্রকাশ্যে আনতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, অনেকেই ভেবেছিলেন, জয়ন্ত নস্করের মৃত্যুর পরে পুলিশে চাকরি করা ছেলেকে ভিআরএস দিয়ে গোসাবা থেকে প্রার্থী করবে তৃণমূল। কিন্তু তা করেনি, কারণ তৃণমূল এখন আর পার্টি নয়, প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি। আগে রাজনৈতিক দল ছিল, সিপিএম-এর বিরুদ্ধে লড়াই করেছে। কিন্তু এখন কোম্পানির মালিকের নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আর তার ম্যানেজিং ডায়রেক্টরের নাম ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ভাইপোর আশীর্বাদ শওকত মোল্লার ওপরে রয়েছে, আর শওকত মোল্লার আশীর্বাদ পঞ্চায়েতের টাকা মেরে সুন্দরবনে বিখ্যাত হয়ে যাওয়া প্রার্থী সুব্রত মণ্ডলের ওপরে রয়েছে। সেই কারণে টিকিট পায়নি জয়ন্ত নস্করের ছেলে, পেয়েছে শওকত মোল্লার কাছের লোক।

তৃণমূলকে বাঁচিয়ে রেখেছে দুধের গাইরাই
শুভেন্দু অধিকারী বলেন, যতদিন জয়ন্ত নস্কর ছিলেন, ততদিন ক্যানিংয়ের জীবনতলার শওকত মোল্লা আর সন্দেশখালির শেখ শাহজাহানকে আটকে রাখার চেষ্টা করতেন। কিন্তু এখন দরজা খুলে গিয়েছে। তিনি বলেছেন, তৃণমূলকে বাঁচিয়ে রেখেছে শওকত মোলল্লা, শেখ শাহজাহানের মতো নেতা আর দুধেল গাইরাই। এছাড়া তৃণমূলের আর কোনও অস্তিত্ব নেই বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। এব্যাপারে পাল্টা মন্তব্য করতে গিয়ে ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক তথা তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক শওকত মোল্লা শুভেন্দু অধিকারীকে মীরজাফর বলে আক্রমণ করেছেন।

রামচন্দ্রের আশীর্বাদে তিনি মাঠে
গোসাবায় প্রচারে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী হরেকৃষ্ণ হরে হরে স্লোগানের পাশাপাশি ভারতমাতার জয় স্লোগানও দেন। পাশাপাশি তিনি সভায় উপস্থিত সাধারণ মানুষের কাছে জানতে চান, ইভিএম-এ গোসার প্রার্থী পলাশ রানার সিরিয়াল নম্বর কত? পাশাপাশি তিনি প্রতীকও জানতে চান। তিনি প্রশ্ন করেন পদ্ম কিসে লাগে। নিজেই উত্তর দিয়ে বলেন সব পুজোয় লাগে। তিনি বলেন, ভগবান রামচন্দ্র এই পদ্ম দিয়ে অকাল বোধন, অসুর নিধন করেছিলেন। ভগবান রামচন্দ্র তাঁকে আশীর্বাদ দিয়ে মাঠে নামিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়েছেন, এবার তৃণমূল কংগ্রেসকে হারাবেন। বাংলা বাঁচানোর পাশাপাশি, সনাতন ধর্ম তিনি বাঁচাবেন বলে জানান।












Click it and Unblock the Notifications